ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, মেয়েকে নিয়ে পর্যবেক্ষণে কিম

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।

চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি। যার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তাদের আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার বার্তা দিচ্ছে।

সোমবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এসেন্সি (কেসিএনএ) ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তারা জানিয়েছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য হুয়াসং-১১ সিরিজের পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। যেগুলো ক্লাস্টার বোমা ও ফ্র্যাগমেন্টেশন মাইন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। এসব ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্ধারিত দ্বীপ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

কেসিএনএ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিম জং উন ও তার মেয়ে কিম জু আয়ে কালো চামড়ার জ্যাকেট পরে উপকূলীয় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে কিম জু আয়ে-কে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উচ্চ ঘনত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। কিম জং উন এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের ক্লাস্টার অস্ত্র সামরিক কার্যক্রমে আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও উত্তর কোরিয়া একই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ৬.৫ থেকে ৭ হেক্টর এলাকা পর্যন্ত ধ্বংস করতে সক্ষম।

সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রবিবার দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছিল, সেটিই এই পরীক্ষার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় অসংখ্য ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। ফলে বড় এলাকাজুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো ঠেকানোও বেশ কঠিন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এ ধরনের অস্ত্রের কার্যকারিতা তুলে ধরেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক প্রভাব উত্তর কোরিয়াকে আরও সক্রিয় করেছে। দেশটি তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন এবং উন্নত অস্ত্র তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি: সরকারের ব্যাখ্যায় উদ্বেগ কাটল

উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, মেয়েকে নিয়ে পর্যবেক্ষণে কিম

আপডেট সময় ০১:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।

চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি। যার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তাদের আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার বার্তা দিচ্ছে।

সোমবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এসেন্সি (কেসিএনএ) ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তারা জানিয়েছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য হুয়াসং-১১ সিরিজের পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। যেগুলো ক্লাস্টার বোমা ও ফ্র্যাগমেন্টেশন মাইন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। এসব ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্ধারিত দ্বীপ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

কেসিএনএ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিম জং উন ও তার মেয়ে কিম জু আয়ে কালো চামড়ার জ্যাকেট পরে উপকূলীয় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে কিম জু আয়ে-কে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উচ্চ ঘনত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। কিম জং উন এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের ক্লাস্টার অস্ত্র সামরিক কার্যক্রমে আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও উত্তর কোরিয়া একই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ৬.৫ থেকে ৭ হেক্টর এলাকা পর্যন্ত ধ্বংস করতে সক্ষম।

সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রবিবার দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছিল, সেটিই এই পরীক্ষার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় অসংখ্য ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। ফলে বড় এলাকাজুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো ঠেকানোও বেশ কঠিন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এ ধরনের অস্ত্রের কার্যকারিতা তুলে ধরেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক প্রভাব উত্তর কোরিয়াকে আরও সক্রিয় করেছে। দেশটি তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন এবং উন্নত অস্ত্র তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছে।