ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, মেয়েকে নিয়ে পর্যবেক্ষণে কিম

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।

চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি। যার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তাদের আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার বার্তা দিচ্ছে।

সোমবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এসেন্সি (কেসিএনএ) ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তারা জানিয়েছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য হুয়াসং-১১ সিরিজের পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। যেগুলো ক্লাস্টার বোমা ও ফ্র্যাগমেন্টেশন মাইন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। এসব ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্ধারিত দ্বীপ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

কেসিএনএ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিম জং উন ও তার মেয়ে কিম জু আয়ে কালো চামড়ার জ্যাকেট পরে উপকূলীয় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে কিম জু আয়ে-কে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উচ্চ ঘনত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। কিম জং উন এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের ক্লাস্টার অস্ত্র সামরিক কার্যক্রমে আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও উত্তর কোরিয়া একই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ৬.৫ থেকে ৭ হেক্টর এলাকা পর্যন্ত ধ্বংস করতে সক্ষম।

সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রবিবার দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছিল, সেটিই এই পরীক্ষার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় অসংখ্য ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। ফলে বড় এলাকাজুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো ঠেকানোও বেশ কঠিন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এ ধরনের অস্ত্রের কার্যকারিতা তুলে ধরেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক প্রভাব উত্তর কোরিয়াকে আরও সক্রিয় করেছে। দেশটি তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন এবং উন্নত অস্ত্র তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, মেয়েকে নিয়ে পর্যবেক্ষণে কিম

আপডেট সময় ০১:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।

চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি। যার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তাদের আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার বার্তা দিচ্ছে।

সোমবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এসেন্সি (কেসিএনএ) ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তারা জানিয়েছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য হুয়াসং-১১ সিরিজের পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। যেগুলো ক্লাস্টার বোমা ও ফ্র্যাগমেন্টেশন মাইন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। এসব ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্ধারিত দ্বীপ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

কেসিএনএ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিম জং উন ও তার মেয়ে কিম জু আয়ে কালো চামড়ার জ্যাকেট পরে উপকূলীয় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে কিম জু আয়ে-কে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উচ্চ ঘনত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। কিম জং উন এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের ক্লাস্টার অস্ত্র সামরিক কার্যক্রমে আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও উত্তর কোরিয়া একই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ৬.৫ থেকে ৭ হেক্টর এলাকা পর্যন্ত ধ্বংস করতে সক্ষম।

সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রবিবার দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছিল, সেটিই এই পরীক্ষার অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় অসংখ্য ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। ফলে বড় এলাকাজুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো ঠেকানোও বেশ কঠিন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এ ধরনের অস্ত্রের কার্যকারিতা তুলে ধরেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক প্রভাব উত্তর কোরিয়াকে আরও সক্রিয় করেছে। দেশটি তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন এবং উন্নত অস্ত্র তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছে।