ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাংবাদিক আনিসের বিরুদ্ধে মামলা আসন সমঝোতা হলেও জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে: নাহিদ ইসলাম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, সময়সূচি প্রকাশ গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের ঘরে ঘরে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: দুলু জামায়াত জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত, রাতে প্রার্থী ঘোষণা শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

যে পাঁচটি সুন্নত না মানায় দাম্পত্য সুখ হচ্ছে না!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমরা আমাদের দৈনন্দিনের কাজ নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে একে অপরকে (স্বামী-স্ত্রী) সময় দিতে পারি না। সৌভাগ্যক্রমে আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে একটি নিখুঁত প্রতিকৃতি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন। রাসুলের (সা.) সুন্নাত অনুসরণের মাঝেই রয়েছে চ‚ড়ান্ত সফলতা। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে পুনরায় জাগিয়ে তোলার জন্য, অথবা সুখকর করে তোলার জন্য এখানে পাঁচটি কার্যকর-শক্তিশালী নববী দিক নিদের্শনা তুলে ধরা হলো।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে হাস্যোজ্জ্বল থাকা : আমাদের রাসুল (সা.) বেশিরভাগ সময়ই হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। এমনকি রাসুলের (সা.) স্ত্রীরা বলতেন যে, আমরা তার থেকে বেশি হাস্যোজ্জ্বল অবয়বময় আর কাউকে দেখিনি । এটা ভুলে গেলে চলবে না যে- একটি হাসি কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী সুখে এবং দুঃখে সব সময়ই এক সাথে থাকে। সুতরাং নিজেদের মুখ গোমরা না করে রেখে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখাই হবে উভয়ের কতর্ব্য। এছাড়াও আমাদের নবী (সা.) বলেছেন, একটি হাসিও হতে পারে সদকা। (আল-হাদিস)

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে ভালো কথা বলুন : আমাদের নবী (সা.) বলেন, যে আল্লাহকে এবং শেষ দিবসকে বিশ্বাস করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (আল-হাদিস) এটা স্বামীদের কর্তব্য, বিশেষত যখন স্বামী-স্ত্রী কাছাকাছি থাকেন। সুতরাং প্রতিদিন আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) ওপর রাগ করবেন না : যখন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমাকে (রা) বিবাহ করেছেন, তখন রাসূল (সা.) হজরত আলীকে (রা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, আমাদের নবী সেটাকে তিনবার বলেছেন। উপদেশটি হলো- পারিবারিক কোনো কারণে তুমি রাগ করবে না। স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুরতে বের হন : আমাদের রাসূল (সা.) স্ত্রীদের সাথে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি এক ছাদের নিচে আলাদা আলাদা থাকতেন না। নবী (সা.) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে হাঁটতে বের হতেন। ঘুরতে যেতেন। এমনকি বিভিন্ন কাজে তার পরামর্শও নিতেন।

স্ত্রীকে বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি : আল্লাহর নবী (সা.) কখনো এটা বলতে ভয় করেননি। আমাদের ধর্মের এমনটা বলতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা এই কথা পারিবারিক অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যে পাঁচটি সুন্নত না মানায় দাম্পত্য সুখ হচ্ছে না!

আপডেট সময় ১০:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমরা আমাদের দৈনন্দিনের কাজ নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে একে অপরকে (স্বামী-স্ত্রী) সময় দিতে পারি না। সৌভাগ্যক্রমে আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে একটি নিখুঁত প্রতিকৃতি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন। রাসুলের (সা.) সুন্নাত অনুসরণের মাঝেই রয়েছে চ‚ড়ান্ত সফলতা। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে পুনরায় জাগিয়ে তোলার জন্য, অথবা সুখকর করে তোলার জন্য এখানে পাঁচটি কার্যকর-শক্তিশালী নববী দিক নিদের্শনা তুলে ধরা হলো।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে হাস্যোজ্জ্বল থাকা : আমাদের রাসুল (সা.) বেশিরভাগ সময়ই হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। এমনকি রাসুলের (সা.) স্ত্রীরা বলতেন যে, আমরা তার থেকে বেশি হাস্যোজ্জ্বল অবয়বময় আর কাউকে দেখিনি । এটা ভুলে গেলে চলবে না যে- একটি হাসি কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী সুখে এবং দুঃখে সব সময়ই এক সাথে থাকে। সুতরাং নিজেদের মুখ গোমরা না করে রেখে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখাই হবে উভয়ের কতর্ব্য। এছাড়াও আমাদের নবী (সা.) বলেছেন, একটি হাসিও হতে পারে সদকা। (আল-হাদিস)

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে ভালো কথা বলুন : আমাদের নবী (সা.) বলেন, যে আল্লাহকে এবং শেষ দিবসকে বিশ্বাস করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (আল-হাদিস) এটা স্বামীদের কর্তব্য, বিশেষত যখন স্বামী-স্ত্রী কাছাকাছি থাকেন। সুতরাং প্রতিদিন আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) ওপর রাগ করবেন না : যখন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমাকে (রা) বিবাহ করেছেন, তখন রাসূল (সা.) হজরত আলীকে (রা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, আমাদের নবী সেটাকে তিনবার বলেছেন। উপদেশটি হলো- পারিবারিক কোনো কারণে তুমি রাগ করবে না। স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুরতে বের হন : আমাদের রাসূল (সা.) স্ত্রীদের সাথে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি এক ছাদের নিচে আলাদা আলাদা থাকতেন না। নবী (সা.) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে হাঁটতে বের হতেন। ঘুরতে যেতেন। এমনকি বিভিন্ন কাজে তার পরামর্শও নিতেন।

স্ত্রীকে বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি : আল্লাহর নবী (সা.) কখনো এটা বলতে ভয় করেননি। আমাদের ধর্মের এমনটা বলতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা এই কথা পারিবারিক অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে।