ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু:অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়ার সতর্কতা আইএমএফের বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পর্যটনমন্ত্রী বিএনপি ধর্ম-বর্ণের বিভেদে বিশ্বাস করে না: শামা ওবায়েদ সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর: মাহদী আমিন ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বন্যা-জলাবদ্ধতায় আ.লীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি সরকারের আচরণ একই: এবি পার্টি ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎসকি জুলাই আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি

এ মানবাধিকার কমিশন হলো বিরোধী দল দমন কমিশন: হাসনাত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ‘বিরোধী দল ও মত দমন কমিশন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলনের বিরোধিতা করে তিনি বলেছেন, এ আইন কার্যকর হলে তা জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে পিছিয়ে দেবে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনের পর এর বিরোধিতা করে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় ইস্যুতে আলোচনার জন্য তাকে মাত্র দুই মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত অপ্রতুল। সংসদে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সময় ব্যয় হলেও এমন মৌলিক বিষয়ে পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া দুঃখজনক।

২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইনের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে এই কমিশনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তার ভাষায়, এ কমিশন বিরোধী দল দমনে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি পক্ষকে দমন করার বৈধতা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিল করে পুরোনো আইনে ফিরে যাওয়া একটি ‘পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ’ যা জাতির অগ্রগতিকে ব্যাহত করবে।

কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার মতে, ছয় সদস্যের সিলেকশন কমিটিতে অধিকাংশই সরকারপক্ষের হওয়ায় কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

এছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্তে সরকারি অনুমতির বাধ্যবাধকতা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, যেখানে সরকার বা বাহিনী জড়িত থাকতে পারে, সেখানে তাদের অনুমতি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয়।

বিলটি উত্থাপনের পর সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি জানানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

এ মানবাধিকার কমিশন হলো বিরোধী দল দমন কমিশন: হাসনাত

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ‘বিরোধী দল ও মত দমন কমিশন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলনের বিরোধিতা করে তিনি বলেছেন, এ আইন কার্যকর হলে তা জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে পিছিয়ে দেবে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনের পর এর বিরোধিতা করে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় ইস্যুতে আলোচনার জন্য তাকে মাত্র দুই মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত অপ্রতুল। সংসদে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সময় ব্যয় হলেও এমন মৌলিক বিষয়ে পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া দুঃখজনক।

২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইনের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে এই কমিশনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তার ভাষায়, এ কমিশন বিরোধী দল দমনে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একটি পক্ষকে দমন করার বৈধতা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিল করে পুরোনো আইনে ফিরে যাওয়া একটি ‘পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ’ যা জাতির অগ্রগতিকে ব্যাহত করবে।

কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার মতে, ছয় সদস্যের সিলেকশন কমিটিতে অধিকাংশই সরকারপক্ষের হওয়ায় কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

এছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্তে সরকারি অনুমতির বাধ্যবাধকতা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, যেখানে সরকার বা বাহিনী জড়িত থাকতে পারে, সেখানে তাদের অনুমতি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয়।

বিলটি উত্থাপনের পর সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি জানানো হয়।