ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

এপস্টেইন ফাইলে নাম, মুখ খুললেন জিজি হাদিদ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে নিজের ও বোন বেলা হাদিদের নাম আসা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন বিশ্বখ্যাত সুপারমডেল জিজি হাদিদ। দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ‘ঘৃণ্য’ ব্যক্তির সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা কখনোই ছিল না।

২০১৫ সালের একটি মেইল বিনিময়ে দেখা যায়, জনৈক এক ব্যক্তি এপস্টেইনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন—জিজি ও বেলা কীভাবে মডেল হিসেবে এত সফল হলেন এবং প্রচুর অর্থ উপার্জন করলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘কারণ তারা নির্দেশনা মেনে চলে, বিষয়টি এতটাই সহজ।’ মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এই নথিটি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

২৯ মার্চ জিজির ইনস্টাগ্রামে একজন অনুসারী এমন মন্তব্যও করেন, এপস্টেইন নথিতে নাম থাকা সত্ত্বেও জিজির নীরবতার কারণে তিনি তাকে ‘আনফলো’ করছেন। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া এক জবাবে জিজি লেখেন, ‘এমন একজনকে নিয়ে মন্তব্য করা যাকে আপনি কখনো দেখেননি, তা-ও আবার এমন একটি প্রেক্ষাপটে—যা অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি এতদিন কোনো মন্তব্য করিনি কারণ আমি চাইনি প্রকৃত ভুক্তভোগীদের গল্পগুলো আমার কারণে আড়াল হয়ে যাক। তবে আপনার মন্তব্য আমাকে উপলব্ধি করাল যে বিষয়টি পরিষ্কার করা জরুরি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এপস্টেইন ফাইলে নাম থাকাটা তার জন্য অত্যন্ত বিরক্তিকর। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ওই জঘন্য মানুষটির সঙ্গে আমার কখনোই কোনো সম্পর্ক ছিল না।’

মডেলিং ক্যারিয়ারে নিজের বাবার প্রভাব নিয়ে এপস্টেইনের ইঙ্গিতকেও নাকচ করেছেন জিজি। এই মডেল স্বীকার করেন যে তিনি ‘সুবিধাভোগী’ পরিবারে বড় হয়েছেন, তবে তার বাবা-মা (মোহাম্মদ হাদিদ ও ইয়োলান্ডা হাদিদ) তাকে সবসময় কঠোর পরিশ্রমের মূল্য শিখিয়েছেন। ২০১২ সালে মডেলিং এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর থেকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যৌন অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর জেফরি এপস্টেইন জেলহাজতে আত্মহত্যা করেন। তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত নথিতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে আসে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিরাইয়ে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধের প্রতিবাদে সোচ্চার মহিলা ক্রীড়া

এপস্টেইন ফাইলে নাম, মুখ খুললেন জিজি হাদিদ

আপডেট সময় ০৮:৩০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে নিজের ও বোন বেলা হাদিদের নাম আসা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন বিশ্বখ্যাত সুপারমডেল জিজি হাদিদ। দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ‘ঘৃণ্য’ ব্যক্তির সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা কখনোই ছিল না।

২০১৫ সালের একটি মেইল বিনিময়ে দেখা যায়, জনৈক এক ব্যক্তি এপস্টেইনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন—জিজি ও বেলা কীভাবে মডেল হিসেবে এত সফল হলেন এবং প্রচুর অর্থ উপার্জন করলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘কারণ তারা নির্দেশনা মেনে চলে, বিষয়টি এতটাই সহজ।’ মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এই নথিটি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

২৯ মার্চ জিজির ইনস্টাগ্রামে একজন অনুসারী এমন মন্তব্যও করেন, এপস্টেইন নথিতে নাম থাকা সত্ত্বেও জিজির নীরবতার কারণে তিনি তাকে ‘আনফলো’ করছেন। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া এক জবাবে জিজি লেখেন, ‘এমন একজনকে নিয়ে মন্তব্য করা যাকে আপনি কখনো দেখেননি, তা-ও আবার এমন একটি প্রেক্ষাপটে—যা অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি এতদিন কোনো মন্তব্য করিনি কারণ আমি চাইনি প্রকৃত ভুক্তভোগীদের গল্পগুলো আমার কারণে আড়াল হয়ে যাক। তবে আপনার মন্তব্য আমাকে উপলব্ধি করাল যে বিষয়টি পরিষ্কার করা জরুরি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এপস্টেইন ফাইলে নাম থাকাটা তার জন্য অত্যন্ত বিরক্তিকর। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ওই জঘন্য মানুষটির সঙ্গে আমার কখনোই কোনো সম্পর্ক ছিল না।’

মডেলিং ক্যারিয়ারে নিজের বাবার প্রভাব নিয়ে এপস্টেইনের ইঙ্গিতকেও নাকচ করেছেন জিজি। এই মডেল স্বীকার করেন যে তিনি ‘সুবিধাভোগী’ পরিবারে বড় হয়েছেন, তবে তার বাবা-মা (মোহাম্মদ হাদিদ ও ইয়োলান্ডা হাদিদ) তাকে সবসময় কঠোর পরিশ্রমের মূল্য শিখিয়েছেন। ২০১২ সালে মডেলিং এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর থেকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যৌন অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর জেফরি এপস্টেইন জেলহাজতে আত্মহত্যা করেন। তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত নথিতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে আসে।