ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনশক্তি রফতানিতে বাংলাদেশকে বিশ্বের রোল মডেল করতে চাই : মাহদী আমিন মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি: অর্থমন্ত্রী সরকারের প্রথম একনেক সভায় ৬ প্রকল্প অনুমোদন সরকারের কথা শুনলে মনে হয় দেশে সোনার নহর বয়ে যাচ্ছে: জামায়াত আমির পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনে সহায়তা দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানো, নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনতে দুর্বল ব্যাংকগুলোর অবস্থা মূল্যায়ন, তদারকি বাড়ানো এবং আর্থিক অনিয়ম ও পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজস্ব খাতে সংস্কারের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কর ব্যবস্থাকে সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা, করজাল সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকি কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, বেসরকারি খাতকে উৎসাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহায়তা এবং রফতানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক সুরক্ষা খাতেও বিভিন্ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থিতিশীলতা, সংস্কার, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সুশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনশক্তি রফতানিতে বাংলাদেশকে বিশ্বের রোল মডেল করতে চাই : মাহদী আমিন

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানো, নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনতে দুর্বল ব্যাংকগুলোর অবস্থা মূল্যায়ন, তদারকি বাড়ানো এবং আর্থিক অনিয়ম ও পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজস্ব খাতে সংস্কারের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কর ব্যবস্থাকে সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা, করজাল সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকি কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, বেসরকারি খাতকে উৎসাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহায়তা এবং রফতানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক সুরক্ষা খাতেও বিভিন্ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থিতিশীলতা, সংস্কার, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সুশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করা হবে।