ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৫৮ সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলাইয়ের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২২৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার ১৬ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: আইনমন্ত্রী পশ্চিম তীরে আরও ব্যাপক হামলার হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর বদির মেটিকুলাস ডিজাইনেই একরাম হত্যা : চিফ প্রসিকিউটর

পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনে সহায়তা দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সরকার সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহ টাউন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, এই নজরদারি ব্যবস্থার ফলে দূর থেকেই পরীক্ষার কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য সিসিটিভির ফুটেজগুলো আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে।

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের সক্ষমতা নেই, তারা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে এই আর্থিক সহায়তা পাবে বলে জানান তিনি।

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা এবং সব ধরনের অনিয়ম রোধ করার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের ‘পাবলিক এক্সামিনেশন অ্যাক্ট’ যুগোপযোগী করার পরিকল্পনাও এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত।

শিক্ষকদের উৎসবভাতা বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়ে এহছানুল হক মিলন জানান, ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব এরইমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে। বাজেটের আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দেরি হলে পরবর্তীতে তা কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সভায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতো মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদেরও উপবৃত্তি, মিড-ডে মিল ও পোশাকসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। এরইমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই দেওয়া হতো না। পরবর্তীতে উদ্যোগ নিয়ে এ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতি ধরা পড়লেও তা সমাধান করে কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৫৮

পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনে সহায়তা দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:২৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সরকার সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহ টাউন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, এই নজরদারি ব্যবস্থার ফলে দূর থেকেই পরীক্ষার কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য সিসিটিভির ফুটেজগুলো আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে।

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের সক্ষমতা নেই, তারা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে এই আর্থিক সহায়তা পাবে বলে জানান তিনি।

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা এবং সব ধরনের অনিয়ম রোধ করার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের ‘পাবলিক এক্সামিনেশন অ্যাক্ট’ যুগোপযোগী করার পরিকল্পনাও এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত।

শিক্ষকদের উৎসবভাতা বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়ে এহছানুল হক মিলন জানান, ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব এরইমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে। বাজেটের আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দেরি হলে পরবর্তীতে তা কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সভায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতো মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদেরও উপবৃত্তি, মিড-ডে মিল ও পোশাকসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। এরইমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই দেওয়া হতো না। পরবর্তীতে উদ্যোগ নিয়ে এ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতি ধরা পড়লেও তা সমাধান করে কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।