ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আবু তাহের নদভীর ইন্তেকাল এক ফ্যাসিস্ট পালায় আরেক ফ্যাসিস্ট জন্মায়: ডা. মিতু মার্কিন বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে দিল স্পেন ট্রেনের নিচে শুয়ে ব্যর্থ হয়ে চলন্ত রেল থেকে লাফ, তবুও বেঁচে গেলেন তিনি মব কালচার ও দাবি আদায়ে রাস্তা অবরোধ বরদাস্ত করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘দেশে তেলের মজুত পর্যাপ্ত, উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই’:মনির হোসেন ‘আগুনের বৃষ্টির’ হুমকি ইরানের, দীর্ঘ যুদ্ধে অবস্থান শক্তের চেষ্টায় ইসরায়েল হামের উপসর্গ নিয়ে রামেকে ভর্তি ২৭০ শিশু, শনাক্ত ৩৫ : শিশু বিভাগীয় প্রধান লেবাননে শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘ মহাসচিবের তীব্র নিন্দা

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সোমবার সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশেরও কম এবং প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে; যেখানে অপচয় ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

তিনি বলেন, এ তথ্য সরকারি নথির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং যেহেতু প্রকল্পগুলো পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া, তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত।

তবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলো গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা যদি গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে চাই এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে চাই, তাহলে প্রথম অগ্রাধিকার হতে হবে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন।

আমির খসরু বলেন, সরকার বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে; যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে উন্নয়ন প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন এবং কোনো প্রকল্প স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য উপযোগী ও কার্যকর হলে তা ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য বিবেচনা করা হবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন ও গ্রামীণ উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে আরও ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক সংবাদ দেওয়া সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শাকিব খানকে নিয়ে মেসির সঙ্গে তুলনা মিশা সওদাগরের

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সোমবার সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশেরও কম এবং প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে; যেখানে অপচয় ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

তিনি বলেন, এ তথ্য সরকারি নথির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং যেহেতু প্রকল্পগুলো পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া, তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত।

তবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলো গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা যদি গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে চাই এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে চাই, তাহলে প্রথম অগ্রাধিকার হতে হবে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন।

আমির খসরু বলেন, সরকার বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে; যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে উন্নয়ন প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন এবং কোনো প্রকল্প স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য উপযোগী ও কার্যকর হলে তা ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য বিবেচনা করা হবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন ও গ্রামীণ উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে আরও ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক সংবাদ দেওয়া সম্ভব হবে।