ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

‘সন্ত্রাসী’ সাজিদের স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিরোধে রাকিব হত্যাকাণ্ড: পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম রাকিব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিডিও কনটেন্ট তৈরির সূত্রে পরিচিত এক বিবাহিত তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে খুলনার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ‘বি কোম্পানি’র শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন ওরফে সাগর, সিহাব, রাফিন, জয় ও সাগর ফকির। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রাফিনকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, শিহাব ও জয়কে খুলনা থেকে, সাগরকে পটুয়াখালী থেকে এবং সালাউদ্দিনকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ আলম তিনি বলেন, খুলনা অঞ্চলের সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি সাজিদের সঙ্গে একসময় রাকিবের সুসম্পর্ক ছিল। পরে সাজিদের স্ত্রী ও টিকটকার জান্নাত মুনের সঙ্গে রাকিবের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ঘটনার তিন থেকে চার দিন আগে খুলনা থেকে ভাড়াটে খুনিরা ঢাকায় এসে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান নেয় এবং হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। তারা রাকিবের গতিবিধি নজরদারিতে রেখে সুযোগ বুঝে হামলা চালায়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে চারজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। পলাতক আলামিন গুলি চালায়, আর শিহাব, জয় ও রাফিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাকিবকে আঘাত করে। সাগর ঘটনাস্থলে তাদের সঙ্গে ছিল। সালাউদ্দিন অস্ত্র সরবরাহ ও পুরো ঘটনার সমন্বয় করেন।

এ ঘটনায় আরও সাত থেকে আটজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ১৫ মার্চ রাত সোয়া ৯টার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থানের সময় বোরহান উদ্দিন কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদের ওপর হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে এবং এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

‘সন্ত্রাসী’ সাজিদের স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিরোধে রাকিব হত্যাকাণ্ড: পুলিশ

আপডেট সময় ০৬:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম রাকিব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিডিও কনটেন্ট তৈরির সূত্রে পরিচিত এক বিবাহিত তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে খুলনার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ‘বি কোম্পানি’র শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন ওরফে সাগর, সিহাব, রাফিন, জয় ও সাগর ফকির। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রাফিনকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, শিহাব ও জয়কে খুলনা থেকে, সাগরকে পটুয়াখালী থেকে এবং সালাউদ্দিনকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ আলম তিনি বলেন, খুলনা অঞ্চলের সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি সাজিদের সঙ্গে একসময় রাকিবের সুসম্পর্ক ছিল। পরে সাজিদের স্ত্রী ও টিকটকার জান্নাত মুনের সঙ্গে রাকিবের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ঘটনার তিন থেকে চার দিন আগে খুলনা থেকে ভাড়াটে খুনিরা ঢাকায় এসে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান নেয় এবং হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। তারা রাকিবের গতিবিধি নজরদারিতে রেখে সুযোগ বুঝে হামলা চালায়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে চারজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। পলাতক আলামিন গুলি চালায়, আর শিহাব, জয় ও রাফিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাকিবকে আঘাত করে। সাগর ঘটনাস্থলে তাদের সঙ্গে ছিল। সালাউদ্দিন অস্ত্র সরবরাহ ও পুরো ঘটনার সমন্বয় করেন।

এ ঘটনায় আরও সাত থেকে আটজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ১৫ মার্চ রাত সোয়া ৯টার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থানের সময় বোরহান উদ্দিন কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদের ওপর হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে এবং এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।