ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জুনের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৬২ কোটি ডলার ‘দক্ষ নেতৃত্ব ও সমান সুযোগের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরও গতিশীল করা হবে’ সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয়, নিয়ম মেনে চলতে হবে : স্পিকার মোহাম্মদপুরে অভিযানকালে হামলায় ওসি-এসআই আহত, ২ ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ ১০০ উপজেলায় হবে একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ দীপু মনির জামিন নামঞ্জুর লালমনিরহাটে শিশুর লাশ উদ্ধার: প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর,এসপিসহ আহত ৩০ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল

ওপেনাররাই শিরোপা নির্ধারক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

উল্কি আঁকা পেশিবহুল শক্তপোক্ত শরীরের ফিন অ্যালেনকে দানব হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন। দানবীয় শরীর দিয়ে তিনি ভড়কে দিতে পারেন যেকোনো বোলারকে। সেমিফাইনালে রেকর্ড ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর যথাযোগ্য জবাব সঞ্জু স্যামসন। ভারতীয় এ ওপেনারও দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। চার ম্যাচ খেলেই আসরের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন তিনি। এরমধ্যে সর্বশেষ দুই ম্যাচে তাঁর ব্যাটের জাদুতে জিতেই ফাইনালে এসেছে ভারত। ফাইনালে শিরোপা কী ভারতের ঘরেই থাকবে নাকি প্রথমবারের মতো উঁচিয়ে ধরবে কিউইরা; সেটি নাকি এ দুজনের ওপরই নির্ভর করছে।

ফিন অ্যালেনের পার্টনার টিম সেইফার্টও কম যান না। আসরের শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিতেও ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে কিউই এ ওপেনিং জুটি একসঙ্গে জ্বলে উঠেছিলেন দুটি ম্যাচে। আরব আমিরাতের বিপক্ষে তারা দুজন রেকর্ড জুটি গড়ে ১০ উইকেটে জিতিয়েছিলেন। এরপর সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও তারা ৯ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিলেন। যার মানে হলো, এ দুই ওপেনার একসঙ্গে জ্বলে উঠলে কিউইদের ঠেকানো সম্ভব না। এমনকি তাদের একজনও প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে পারেন।

তবে তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ধারাবাহিকতার অভাব। ছন্দে থাকলে ভালো বলও সীমানার ওপারে পাঠিয়ে দেন, আবার প্রায়ই বাজে বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আসেন। ভারতের ওপেনিংয়ে আবার সমস্যা চলছে। যার ওপর সবচেয়ে বেশি ভরসা করেছিল ভারত, সেই বিস্ফোরক অভিষেক শর্মা বিশ্বকাপে টানা ফ্লপ। অভিষেকের এমন খারাপ সময়ে বীরদর্পে ব্যাটিং করছেন সঞ্জু স্যামসন। আসরের শুরুতে ফর্মে ছিলেন না বলে দুই ম্যাচ পর ডাগআউটে বসে থাকতে হয়েছিল। অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলে উইন্ডিজের বিপক্ষে একা হাতে দলকে জেতান তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিতেও ৮৯ রানের ইনিংস খেলে জয়ের নায়ক স্যামসন। ভারতীয় টপ অর্ডারের ঈশান কিষাণও খুব একটা ছন্দে নেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওপেন করতে নেমে ৭৭ রানের ইনিংস খেললেও এরপর আর বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি।

চলতি বিশ্বকাপে ভারতীয় টপ অর্ডারকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে অফস্পিনাররা। সুপার এইটে অফস্পিনে সর্বোচ্চ ১৫ উইকেট হারিয়েছে ভারতীয়রা। ভারতীয় ব্যাটিং লাইনের প্রথম আটজনের পাঁচজনই বাঁহাতি। এই বাঁহাতিরা অফস্পিনের বিপক্ষে বেসামাল। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করছেন ওপেনার অভিষেক। এই দুর্বলতা কাজে লাগানোর জন্য কিউই শিবিরে আছেন কোল ম্যাককনকি। সেমিফাইনালের শুরুতে তাঁর জোড়া আঘাতেই পথ হারিয়েছিল প্রোটিয়া ব্যাটিং। ফাইনালেও তেমন কিছু করতে পারলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেয়েও যেতে পারে নিউজিল্যান্ড।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওপেনাররাই শিরোপা নির্ধারক

আপডেট সময় ১১:৪৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

উল্কি আঁকা পেশিবহুল শক্তপোক্ত শরীরের ফিন অ্যালেনকে দানব হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন। দানবীয় শরীর দিয়ে তিনি ভড়কে দিতে পারেন যেকোনো বোলারকে। সেমিফাইনালে রেকর্ড ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর যথাযোগ্য জবাব সঞ্জু স্যামসন। ভারতীয় এ ওপেনারও দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। চার ম্যাচ খেলেই আসরের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন তিনি। এরমধ্যে সর্বশেষ দুই ম্যাচে তাঁর ব্যাটের জাদুতে জিতেই ফাইনালে এসেছে ভারত। ফাইনালে শিরোপা কী ভারতের ঘরেই থাকবে নাকি প্রথমবারের মতো উঁচিয়ে ধরবে কিউইরা; সেটি নাকি এ দুজনের ওপরই নির্ভর করছে।

ফিন অ্যালেনের পার্টনার টিম সেইফার্টও কম যান না। আসরের শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিতেও ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে কিউই এ ওপেনিং জুটি একসঙ্গে জ্বলে উঠেছিলেন দুটি ম্যাচে। আরব আমিরাতের বিপক্ষে তারা দুজন রেকর্ড জুটি গড়ে ১০ উইকেটে জিতিয়েছিলেন। এরপর সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও তারা ৯ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিলেন। যার মানে হলো, এ দুই ওপেনার একসঙ্গে জ্বলে উঠলে কিউইদের ঠেকানো সম্ভব না। এমনকি তাদের একজনও প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে পারেন।

তবে তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ধারাবাহিকতার অভাব। ছন্দে থাকলে ভালো বলও সীমানার ওপারে পাঠিয়ে দেন, আবার প্রায়ই বাজে বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আসেন। ভারতের ওপেনিংয়ে আবার সমস্যা চলছে। যার ওপর সবচেয়ে বেশি ভরসা করেছিল ভারত, সেই বিস্ফোরক অভিষেক শর্মা বিশ্বকাপে টানা ফ্লপ। অভিষেকের এমন খারাপ সময়ে বীরদর্পে ব্যাটিং করছেন সঞ্জু স্যামসন। আসরের শুরুতে ফর্মে ছিলেন না বলে দুই ম্যাচ পর ডাগআউটে বসে থাকতে হয়েছিল। অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলে উইন্ডিজের বিপক্ষে একা হাতে দলকে জেতান তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিতেও ৮৯ রানের ইনিংস খেলে জয়ের নায়ক স্যামসন। ভারতীয় টপ অর্ডারের ঈশান কিষাণও খুব একটা ছন্দে নেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওপেন করতে নেমে ৭৭ রানের ইনিংস খেললেও এরপর আর বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি।

চলতি বিশ্বকাপে ভারতীয় টপ অর্ডারকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে অফস্পিনাররা। সুপার এইটে অফস্পিনে সর্বোচ্চ ১৫ উইকেট হারিয়েছে ভারতীয়রা। ভারতীয় ব্যাটিং লাইনের প্রথম আটজনের পাঁচজনই বাঁহাতি। এই বাঁহাতিরা অফস্পিনের বিপক্ষে বেসামাল। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করছেন ওপেনার অভিষেক। এই দুর্বলতা কাজে লাগানোর জন্য কিউই শিবিরে আছেন কোল ম্যাককনকি। সেমিফাইনালের শুরুতে তাঁর জোড়া আঘাতেই পথ হারিয়েছিল প্রোটিয়া ব্যাটিং। ফাইনালেও তেমন কিছু করতে পারলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেয়েও যেতে পারে নিউজিল্যান্ড।