ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি সরকার হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ সায়েদাবাদ হবে শুধু সিটি টার্মিনাল, আন্তঃজেলা বাস যাবে কাঁচপুরে: দক্ষিণ সিটি প্রশাসক সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি মিথ্যা ও প্রোপাগান্ডায় জামায়াতের কাছে আওয়ামী লীগ শিশু: রাশেদ খাঁন শেষ ১৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ বাংলাদেশকে বিনিয়োগবান্ধব করতে সরকার সবকিছু করবে: মাহদী আমিন চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮ আসামি মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা, পুলিশসহ আহত ১২ হেরে যাওয়ায় ব্রাজিলের সাপোর্টাররা হতাশ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশ হোক সব প্রাণী ও প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল: প্রধানমন্ত্রী

মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

টিকিটের দাম দিয়ে দর্শকরা শিল্পীর গান শুনতে আসেন, কেবল তার উপস্থিতি দেখতে নয়— এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী সংগীত জগতের জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। গত কয়েক বছর ধরে বলিউডের অনেক নামজাদা গায়ককেই দেখেছেন— লাইভ কনসার্টে লাইভ গান করেন না। পেছন থেকে রেকর্ড করা ট্র্যাক (গান) বাজে এবং তারা শুধু ঠোঁট মেলান, যাকে বলে লিপ সিংকিং। এই ‘শর্টকাট’ পদ্ধতি নিয়েই এবার তোপ দাগলেন শ্রেয়া ঘোষাল। তিনি বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গান না গাওয়াটা একজন শিল্পীর চরম অপেশাদারত্ব।

একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে অংশ নিয়ে গায়িকা বলেন, আমি বুঝি না মানুষ কীভাবে লাইভ কনসার্টে লিপ সিংকিং করে। এটা কেবল দর্শকদের ঠকানো নয়, এটা নিজের প্রতিও অবিচার করা। তিনি বলেন, এটাকে আমি আলস্য ছাড়া আর কিছুই বলব না। মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গাওয়ার মধ্যে যে আনন্দ এবং চ্যালেঞ্জ থাকে, তা রেকর্ড করা গানের ওপর ঠোঁট মিলিয়ে পাওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

আজকাল অনেক গায়কই মঞ্চে নাচের পারফরম্যান্স বা জৌলুস বাড়াতে গিয়ে গানে ফাঁকি দেন বলেও মনে করেন গায়িকা। তিনি বলেন, টেকনোলজি সাহায্য করতে পারে, কিন্তু তা গলার পরিপূরক হতে পারে না। দর্শকরা আপনার ত্রুটিসহ লাইভ গান শুনতে চান। সিডির নিখুঁত গান তো তারা বাড়িতেই শুনতে পারেন। স্টেজে এসে সেটা কেন শোনাব?

শ্রেয়ার এমন মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের প্রশংসার জোয়ার ভাসছেন। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তাকে সমর্থন করে লিখেছেন— আজকের অটোটিউন আর লিপ-সিংকিংয়ের যুগে শ্রেয়া ঘোষালই আসল গানের মশাল বয়ে নিয়ে চলেছেন। অনেকেই আবার আকার-ইঙ্গিতে সেসব গায়কদের বিঁধছেন, যারা স্টেজে স্টান্ট করতে গিয়ে গান গাইতে ভুলে যান।

শ্রেয়া, সুনীধি, সোনুর মতো শিল্পীরা কোনোদিনই মঞ্চে লিপ সিংক করায় বিশ্বাসী নন। পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সুরে গান গাইতেও সিদ্ধহস্ত তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল

আপডেট সময় ০৪:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

টিকিটের দাম দিয়ে দর্শকরা শিল্পীর গান শুনতে আসেন, কেবল তার উপস্থিতি দেখতে নয়— এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী সংগীত জগতের জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। গত কয়েক বছর ধরে বলিউডের অনেক নামজাদা গায়ককেই দেখেছেন— লাইভ কনসার্টে লাইভ গান করেন না। পেছন থেকে রেকর্ড করা ট্র্যাক (গান) বাজে এবং তারা শুধু ঠোঁট মেলান, যাকে বলে লিপ সিংকিং। এই ‘শর্টকাট’ পদ্ধতি নিয়েই এবার তোপ দাগলেন শ্রেয়া ঘোষাল। তিনি বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গান না গাওয়াটা একজন শিল্পীর চরম অপেশাদারত্ব।

একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে অংশ নিয়ে গায়িকা বলেন, আমি বুঝি না মানুষ কীভাবে লাইভ কনসার্টে লিপ সিংকিং করে। এটা কেবল দর্শকদের ঠকানো নয়, এটা নিজের প্রতিও অবিচার করা। তিনি বলেন, এটাকে আমি আলস্য ছাড়া আর কিছুই বলব না। মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গাওয়ার মধ্যে যে আনন্দ এবং চ্যালেঞ্জ থাকে, তা রেকর্ড করা গানের ওপর ঠোঁট মিলিয়ে পাওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

আজকাল অনেক গায়কই মঞ্চে নাচের পারফরম্যান্স বা জৌলুস বাড়াতে গিয়ে গানে ফাঁকি দেন বলেও মনে করেন গায়িকা। তিনি বলেন, টেকনোলজি সাহায্য করতে পারে, কিন্তু তা গলার পরিপূরক হতে পারে না। দর্শকরা আপনার ত্রুটিসহ লাইভ গান শুনতে চান। সিডির নিখুঁত গান তো তারা বাড়িতেই শুনতে পারেন। স্টেজে এসে সেটা কেন শোনাব?

শ্রেয়ার এমন মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের প্রশংসার জোয়ার ভাসছেন। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তাকে সমর্থন করে লিখেছেন— আজকের অটোটিউন আর লিপ-সিংকিংয়ের যুগে শ্রেয়া ঘোষালই আসল গানের মশাল বয়ে নিয়ে চলেছেন। অনেকেই আবার আকার-ইঙ্গিতে সেসব গায়কদের বিঁধছেন, যারা স্টেজে স্টান্ট করতে গিয়ে গান গাইতে ভুলে যান।

শ্রেয়া, সুনীধি, সোনুর মতো শিল্পীরা কোনোদিনই মঞ্চে লিপ সিংক করায় বিশ্বাসী নন। পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সুরে গান গাইতেও সিদ্ধহস্ত তারা।