আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চলে এসেছে পবিত্র রমজান মাস। ইবাদতের এই সময়টায় অনেকে খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম করে ফেলেন। আর সেখান থেকেই গ্যাস্ট্রিক আলসারসহ নানা হজমজনিত সমস্যায় ভোগান্তি বাড়ে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এবং বিজ্ঞানসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি।
সকালে রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র রমজানে বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা সভা। বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির আয়োজনে সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ. কিউ. এম. মোহসেন এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব অধ্যাপক ডা. দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ।
বিশেষজ্ঞরা বলেন রমজান মাসে ইফতারে অস্বাস্থ্যকর ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতাই গ্যাস্ট্রিক আলসার ও হজমের জটিলতার প্রধান কারণ। এই অভ্যাস পরিবর্তন করে আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ সেদ্ধ সবজি যুক্ত ছোলা খাওয়া এবং পরিমিত ক্যালরি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
তারা জানান অতিরিক্ত তৈলাক্ত ছোলার পরিবর্তে সেদ্ধ সবজি যুক্ত ছোলা বেশি উপকারী। প্রতিদিন কমপক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করার পরামর্শও দেন তারা।
খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করে স্যুপ গ্রহণ এবং অন্তত আধ ঘণ্টা পর রাতের খাবার খাওয়া অধিক স্বাস্থ্যসম্মত বলে মত দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে হঠাৎ অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের চাপ কমে এবং পরিপাকতন্ত্র স্বস্তিতে থাকে।
সেহরিতে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট চর্বিবিহীন আমিষ ও সবজি গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। পানি শূন্যতা এড়াতে মূত্রবর্ধক চা ও কফি কম খাওয়ার পরামর্শ দেন তারা।
অধ্যাপক ডা. এ. কিউ. এম. মোহসেন অধ্যাপক ডা. দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ সেহরি ও ইফতারে সুষম খাবারের সুফল বিস্তারিত তুলে ধরেন। তাদের মতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে রমজানে ইবাদত ও সুস্বাস্থ্য দুটিই বজায় রাখা সম্ভব।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















