ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালী জেলা আ. লীগ কার্যালয়ের তালা খুললেন নেতাকর্মীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগেরদিন নোয়াখালী জেলা কার্যক্রম নিষদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা।

এ সময় কার্যালয়ের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে কার্যালয়ে প্রধান ফটকে তালা দেওয়া হয়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দেয়।

তালা খোলার পর সেখানে তারা কিছু সময় থাকে এবং স্লোগান দেয়। পরে সেখানে একটি ব্যানার লাগিয়ে তারা চলে যায়।

নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাছিনা চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে পৌর মহিলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে ব্যানারটি মূল ফটকে লাগানো হয়। ব্যানারে লিখা রয়েছে ‘দীর্ঘ আঠারো মাস পর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় আজ থেকে অবমুক্ত করা হলো।’

স্থানীয় লোকজন জানান, ভোরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে মাইজদী টাউনহল মোড় সংলগ্ন জেলা কার্যালয়ের সামনে আসেন। প্রথমে তারা কার্যালয়ের তালা খুলে সেখানে অবস্থান নেন এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেশ কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তারা কার্যালয়ের মূল ফটকে একটি ব্যানার লাগিয়ে চলে যান।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ দ্বারা তারা বিভিন্ন হামলা, মামলা, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার পর সেটিতে তালা দেওয়া হয়। অদৃশ্য কোন শক্তির নির্দেশে বা কার সহযোগিতায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কার্যালয়টির তালা খুলেছে। এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোর ব্যবহৃত মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেলা বিএনপির সদস্য এ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ জানান, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

নোয়াখালী জেলা আ. লীগ কার্যালয়ের তালা খুললেন নেতাকর্মীরা

আপডেট সময় ১০:৩২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগেরদিন নোয়াখালী জেলা কার্যক্রম নিষদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা।

এ সময় কার্যালয়ের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে কার্যালয়ে প্রধান ফটকে তালা দেওয়া হয়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দেয়।

তালা খোলার পর সেখানে তারা কিছু সময় থাকে এবং স্লোগান দেয়। পরে সেখানে একটি ব্যানার লাগিয়ে তারা চলে যায়।

নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাছিনা চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে পৌর মহিলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে ব্যানারটি মূল ফটকে লাগানো হয়। ব্যানারে লিখা রয়েছে ‘দীর্ঘ আঠারো মাস পর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় আজ থেকে অবমুক্ত করা হলো।’

স্থানীয় লোকজন জানান, ভোরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে মাইজদী টাউনহল মোড় সংলগ্ন জেলা কার্যালয়ের সামনে আসেন। প্রথমে তারা কার্যালয়ের তালা খুলে সেখানে অবস্থান নেন এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেশ কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তারা কার্যালয়ের মূল ফটকে একটি ব্যানার লাগিয়ে চলে যান।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ দ্বারা তারা বিভিন্ন হামলা, মামলা, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার পর সেটিতে তালা দেওয়া হয়। অদৃশ্য কোন শক্তির নির্দেশে বা কার সহযোগিতায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কার্যালয়টির তালা খুলেছে। এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোর ব্যবহৃত মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেলা বিএনপির সদস্য এ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ জানান, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।