আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :
আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত মাঠে গড়াবে পিএসএলের ১১তম আসর। তার আগে স্কোয়াড গোছানোর শেষ ধাপে এসে ডানহাতি গতিময় পেসার শাহনওয়াজ দাহানিকে সরাসরি চুক্তিতে দলে টেনেছে পেশোয়ার জালমি। নিলাম থেকে জালমি দলে ভিড়িয়েছিল বাংলাদেশের নাহিদ রানাকে।
দাহানি পাকিস্তানের হয়ে এখন পর্যন্ত ২টি ওয়ানডে ও ১১টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তার আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের পাশাপাশি উইকেট উদযাপনের স্বতন্ত্র ভঙ্গিও বেশ পরিচিত। দাহানিকে দলে ভেড়ানোর ব্যাপারটি জালমি নিশ্চিত করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়ে।
জালমি লিখেছে, “নতুন গতি, ডানহাতি ভ্যারিয়েশন আর দারুণ সম্ভাবনা- শাহনওয়াজ দাহানি তার স্বাক্ষর উদযাপন দিয়ে ‘ইয়েলো স্টর্ম’কে বিদ্যুতায়িত করতে প্রস্তুত। তোমার নতুন ঘরে স্বাগতম।”
তবে তাকে কত অর্থে দলে নেওয়া হয়েছে, সে অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, পিএসএলের ইতিহাসে প্রথমবার আয়োজিত খেলোয়াড় নিলামে ১ কোটি ১০ লাখ রুপি ভিত্তিমূল্য থাকা সত্ত্বেও কোনো দলই দাহানিকে কেনেনি। পরে দলীয় কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তাকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নেয় জালমি।
২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি আগে থেকেই তাদের কোর স্কোয়াড ধরে রাখে। প্লাটিনাম, সিলভার, গোল্ড ও ইমার্জিং ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে বাবর আজম, সুফিয়ান মুকিম, আবদুল সামাদ ও আলি রাজাকে রিটেইন করা হয়।
নিলাম থেকে জেমস ভিন্স, মাইকেল ব্রেসওয়েল ও কুশল মেন্ডিসসহ মোট ১০ জন ক্রিকেটারকে দলে ভেড়ায় তারা। এরপরও পার্সে পর্যাপ্ত অর্থ থাকায় দাহানিকে যুক্ত করা সম্ভব হয়।
পেশোয়ার জালমির স্কোয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ৬০ লাখ রুপিতে দলে নেওয়া এই ফাস্ট বোলারকে ঘিরে বাংলাদেশি সমর্থকদের আগ্রহও কম নয়।
এর আগে রাওয়ালপিন্ডি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে (বর্তমানে রিব্র্যান্ডেড) চার মৌসুম খেলেছেন দাহানি। সেখানে ২০.৮৪ গড়ে ৩৯ উইকেট নিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন কার্যকর পেসার হিসেবে।
নিলামে অবিক্রীত থাকার হতাশা কাটিয়ে নতুন দলে নতুন শুরু পিএসএল ১১–এ তাই দাহানিকে ঘিরে প্রত্যাশা থাকছেই। একই সঙ্গে বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানার উপস্থিতি জালমিকে বাড়তি আকর্ষণ দিচ্ছে দলটির সমর্থকদের কাছে।
পিএসএল ১১–এ পেশোয়ার জালমি স্কোয়াড:
বাবর আজম (৭.০০ কোটি রুপি), সুফিয়ান মুকিম (৪.৪৮ কোটি), আবদুল সামাদ (২.৮০ কোটি), আলি রাজা (১.৯৬ কোটি), অ্যারন হার্ডি (ডিরেক্ট সাইনিং), আমের জামাল (১.৯০ কোটি), মোহাম্মদ হারিস (২.২০ কোটি), খালিদ উসমান (৬০ লাখ), আবদুল সুবহান (৬২.৫ লাখ), জেমস ভিন্স (৩.০০ কোটি), মাইকেল ব্রেসওয়েল (৪.২০ কোটি), কুশল মেন্ডিস (৪.২০ কোটি), ইফতিখার আহমেদ (১.৮০ কোটি), নাহিদ রানা (৬০ লাখ), মির্জা তাহির বেগ (৬০ লাখ) ও শাহনওয়াজ দাহানি (সরাসরি চুক্তি)।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















