ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে সেনাবাহিনী: সেনাসদর চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা: সরকারের উচ্চপর্যায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ চান ব্যবসায়ীরা মাঘ মাসে যদি মাথা গরম করেন চৈত্র মাস এলে কী করবেন: জামায়াত আমির শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ পোশাক শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই ‘জামায়াতকে যারা ইসলামী দল বলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে’:রেজাউল করীম ‘বাংলাদেশিরা আমাদের ভাই’, সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান অধিনায়ক যারা নতুন করে চাঁদাবাজি-ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের নীতি নিয়েছে, তারাই জালেম: নাহিদ বোঝার বদলে পরবর্তী সরকারের কাজ কমিয়ে দিয়ে গেলাম : চুক্তি ইস্যুতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শিকড় উপড়ে ফেলা যাবে না : রিজভী রমজানে সরকারি অফিস চলবে ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা

শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ পোশাক শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ওই ঘরগুলোতে বসবাসকারী পোশাক শ্রমিক পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় সবাই কর্মস্থলে থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার খোকন মিয়ার মালিকানাধীন টিনশেড ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, খোকন মিয়ার মালিকানাধীন ৩০টি টিনশেড ঘর পোশাক শ্রমিকদের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল। ভাড়াটিয়ারা সকালে কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। টিন ও কাঠের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে। স্থানীয় লোকজন পানি ও বালতি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীপুরের মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খোকন মিয়ার ৩০টি এবং নুর ইসলামের ১০টি- মোট ৪০টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক শ্রমিকেরা জানান, আগুনে তাদের ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাপড়চোপড় পুড়ে গেছে। অনেকে হারানো জিনিসের খোঁজে পোড়া ধ্বংসস্তূপ হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আহাজারি দেখা গেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, খাদ্য, বস্ত্র ও আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

বাড়ির মালিক খোকন মিয়া বলেন, একটি ঘরে রাইস কুকারে ভাত বসানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই ওই ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আমার ৩০টিসহ অপর মালিকের ১০টিসহ মোট ৪০টি ঘর সব মালামালসহ পুড়ে গেছে। পোশাক শ্রমিক ভাড়াটিয়াদের কিছুই রক্ষা করা যায়নি।

মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার খাইরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ পোশাক শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই

আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ওই ঘরগুলোতে বসবাসকারী পোশাক শ্রমিক পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় সবাই কর্মস্থলে থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার খোকন মিয়ার মালিকানাধীন টিনশেড ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, খোকন মিয়ার মালিকানাধীন ৩০টি টিনশেড ঘর পোশাক শ্রমিকদের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল। ভাড়াটিয়ারা সকালে কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। টিন ও কাঠের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে। স্থানীয় লোকজন পানি ও বালতি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীপুরের মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খোকন মিয়ার ৩০টি এবং নুর ইসলামের ১০টি- মোট ৪০টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক শ্রমিকেরা জানান, আগুনে তাদের ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাপড়চোপড় পুড়ে গেছে। অনেকে হারানো জিনিসের খোঁজে পোড়া ধ্বংসস্তূপ হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আহাজারি দেখা গেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, খাদ্য, বস্ত্র ও আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

বাড়ির মালিক খোকন মিয়া বলেন, একটি ঘরে রাইস কুকারে ভাত বসানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই ওই ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আমার ৩০টিসহ অপর মালিকের ১০টিসহ মোট ৪০টি ঘর সব মালামালসহ পুড়ে গেছে। পোশাক শ্রমিক ভাড়াটিয়াদের কিছুই রক্ষা করা যায়নি।

মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার খাইরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।