ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’:ফরিদা খানম কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডায় মাতলেন জাইমা রহমান বিমানভর্তি অর্থ দিয়ে ইরানকে চুক্তিতে রাজি করিয়েছিলেন ওবামা: ডোনাল্ড ট্রাম্প

শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ পোশাক শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ওই ঘরগুলোতে বসবাসকারী পোশাক শ্রমিক পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় সবাই কর্মস্থলে থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার খোকন মিয়ার মালিকানাধীন টিনশেড ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, খোকন মিয়ার মালিকানাধীন ৩০টি টিনশেড ঘর পোশাক শ্রমিকদের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল। ভাড়াটিয়ারা সকালে কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। টিন ও কাঠের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে। স্থানীয় লোকজন পানি ও বালতি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীপুরের মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খোকন মিয়ার ৩০টি এবং নুর ইসলামের ১০টি- মোট ৪০টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক শ্রমিকেরা জানান, আগুনে তাদের ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাপড়চোপড় পুড়ে গেছে। অনেকে হারানো জিনিসের খোঁজে পোড়া ধ্বংসস্তূপ হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আহাজারি দেখা গেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, খাদ্য, বস্ত্র ও আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

বাড়ির মালিক খোকন মিয়া বলেন, একটি ঘরে রাইস কুকারে ভাত বসানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই ওই ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আমার ৩০টিসহ অপর মালিকের ১০টিসহ মোট ৪০টি ঘর সব মালামালসহ পুড়ে গেছে। পোশাক শ্রমিক ভাড়াটিয়াদের কিছুই রক্ষা করা যায়নি।

মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার খাইরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাত হাজার বছরের পুরোনো বসতিতে মিলল প্রায় ৮০টি মুণ্ডুহীন কঙ্কাল

শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ পোশাক শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই

আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ওই ঘরগুলোতে বসবাসকারী পোশাক শ্রমিক পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় সবাই কর্মস্থলে থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার খোকন মিয়ার মালিকানাধীন টিনশেড ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, খোকন মিয়ার মালিকানাধীন ৩০টি টিনশেড ঘর পোশাক শ্রমিকদের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল। ভাড়াটিয়ারা সকালে কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। টিন ও কাঠের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে। স্থানীয় লোকজন পানি ও বালতি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীপুরের মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খোকন মিয়ার ৩০টি এবং নুর ইসলামের ১০টি- মোট ৪০টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক শ্রমিকেরা জানান, আগুনে তাদের ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাপড়চোপড় পুড়ে গেছে। অনেকে হারানো জিনিসের খোঁজে পোড়া ধ্বংসস্তূপ হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আহাজারি দেখা গেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, খাদ্য, বস্ত্র ও আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

বাড়ির মালিক খোকন মিয়া বলেন, একটি ঘরে রাইস কুকারে ভাত বসানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই ওই ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আমার ৩০টিসহ অপর মালিকের ১০টিসহ মোট ৪০টি ঘর সব মালামালসহ পুড়ে গেছে। পোশাক শ্রমিক ভাড়াটিয়াদের কিছুই রক্ষা করা যায়নি।

মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার খাইরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।