ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

বাস থামিয়ে কিশোরীর কথা শুনলেন তারেক রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনী জনসভা শেষে গাজীপুরের জনসভায় যোগ দিতে বিশেষ বাসে ফিরছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় তারেক রহমানের গাড়িবহর থামানোর ইশারা দেন এক কিশোরী। তার ইশারা দেখে বাস থামিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।

কিশোরীর হাত নাড়ানো দৃষ্টি কাড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এ সময় তিনি গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন। গাড়ি থামলে সেই কিশোরী বাসের দরজার সামনে আসে্ন। তারেক রহমান বাসের দরজা খুলে দিলে কিশোরী মন খুলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

মেয়েটি সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার নাম সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। কিশোরী খুব স্বাচ্ছন্দ্য ও সাবলীল ভঙ্গিতে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন।

কিশোরীটি বলতে থাকেন, ‘আমি মনে করেছিলাম, মানুষের ও জনগণের সেবা করে, পলিটিক্স করে নিজের পাওয়ারে ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে গিয়ে আপনার সঙ্গে দেখা করে আসব। আমার রক্তে রাজনীতি। আমি রাজনীতি ছাড়ব না। আমার জন্য দয়া করে দোয়া করবেন।’

তারেক রহমান তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং তার সঙ্গে হাত মেলান। কিশোরী আরও বলতে থাকেন, ‘আমি অনেক খুশি হয়েছি, আপনি আমার সাথে দেখা করেছেন। আমার অনেক দিনের শখ ছিল। সকালে আপনাকে দেখে আমার আশ মেটেনি। থ্যাংক ইউ।’

শেষে কিশোরী সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি বাঁধানো ছবি তারেক রহমানের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে? আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে?’ সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমান তার মায়ের সেই ছবিটি গ্রহণ করেন এবং কিশোরীকে ধন্যবাদ জানান।

তারেক রহমানের গাড়ি থামানোর সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান বলেন, ‘হঠাৎ গাড়িটা আমার সামনে থামল এবং কাঁচ নামিয়ে উনি আমার সাথে কথা বললেন। আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না উনি আমার সামনে! আমি যখন খালেদা জিয়ার ছবিটা উনাকে নিতে বললাম, উনি হাসলেন এবং ছবিটা নিলেন। এরপর আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আমার মনে হচ্ছে আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’

রেয়ানের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। মেয়েটি দুপুর থেকে না দেখতে পেরে খুব কাঁদছিল। তারেক রহমান গাড়ি থামিয়ে ওর সাথে কথা বলায় আমরা কৃতজ্ঞ।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

বাস থামিয়ে কিশোরীর কথা শুনলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ১১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনী জনসভা শেষে গাজীপুরের জনসভায় যোগ দিতে বিশেষ বাসে ফিরছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় তারেক রহমানের গাড়িবহর থামানোর ইশারা দেন এক কিশোরী। তার ইশারা দেখে বাস থামিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।

কিশোরীর হাত নাড়ানো দৃষ্টি কাড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এ সময় তিনি গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন। গাড়ি থামলে সেই কিশোরী বাসের দরজার সামনে আসে্ন। তারেক রহমান বাসের দরজা খুলে দিলে কিশোরী মন খুলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

মেয়েটি সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার নাম সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। কিশোরী খুব স্বাচ্ছন্দ্য ও সাবলীল ভঙ্গিতে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন।

কিশোরীটি বলতে থাকেন, ‘আমি মনে করেছিলাম, মানুষের ও জনগণের সেবা করে, পলিটিক্স করে নিজের পাওয়ারে ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে গিয়ে আপনার সঙ্গে দেখা করে আসব। আমার রক্তে রাজনীতি। আমি রাজনীতি ছাড়ব না। আমার জন্য দয়া করে দোয়া করবেন।’

তারেক রহমান তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং তার সঙ্গে হাত মেলান। কিশোরী আরও বলতে থাকেন, ‘আমি অনেক খুশি হয়েছি, আপনি আমার সাথে দেখা করেছেন। আমার অনেক দিনের শখ ছিল। সকালে আপনাকে দেখে আমার আশ মেটেনি। থ্যাংক ইউ।’

শেষে কিশোরী সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি বাঁধানো ছবি তারেক রহমানের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে? আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে?’ সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমান তার মায়ের সেই ছবিটি গ্রহণ করেন এবং কিশোরীকে ধন্যবাদ জানান।

তারেক রহমানের গাড়ি থামানোর সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান বলেন, ‘হঠাৎ গাড়িটা আমার সামনে থামল এবং কাঁচ নামিয়ে উনি আমার সাথে কথা বললেন। আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না উনি আমার সামনে! আমি যখন খালেদা জিয়ার ছবিটা উনাকে নিতে বললাম, উনি হাসলেন এবং ছবিটা নিলেন। এরপর আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আমার মনে হচ্ছে আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’

রেয়ানের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। মেয়েটি দুপুর থেকে না দেখতে পেরে খুব কাঁদছিল। তারেক রহমান গাড়ি থামিয়ে ওর সাথে কথা বলায় আমরা কৃতজ্ঞ।’