অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা কোনো নতুন বিষয় নয়। ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিপন্ন রোহিঙ্গাদের জন্য রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে শেখ হাসিনা পৃথিবীর সব রাষ্ট্রকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষম। এছাড়া প্রয়োজনে আমরা রোহিঙ্গাদের সাথে খাবার ভাগ করে খাবো তবুও তাদের সমস্যা সমাধান করবো এ কথা বলেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তাই বিশ্ব দরবার তাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ আখ্যা দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার যেখানে কোনো মানুষ বসবাস করতো না সেখানে এখন উপশহরে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিকে সবাই খোলা আকাশের নিচে থাকতো। কিন্তু এখন প্রায় ৭৫ হাজার পরিবার ঘরে থাকে। তাদের জন্য সেখানে ঘর তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়া রোহিঙ্গাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য কক্সবাজার থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার রাস্তা করার প্রয়োজন। ইতিমধ্যে সরকার প্রায় নয় কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করে ফেলেছে। তারা যেখানে থাকে সেখানে কোনো বিদ্যুৎব্যবস্থা ছিল না। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করে প্রায় আট কিলোমিটার রাস্তায় এখন আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য, অস্থায়ীভাবে বসবাস, পানীয়, পয়ঃনিষ্কাশন, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে, যা বিশ্ব দরবারে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে থাকলে তাদের জন্য ভাসানচরকে বসবাস উপযোগী করা হবে।
তাছাড়া সেখানে তাদের জন্য সরকারিভাবে সব ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যে ভাসানচরে নৌবাহিনী কাজ শুরু করে দিয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















