ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ছুরি মেরে যুবদল কর্মীকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে যুবদল কর্মী ইয়ানুর রহমানকে (৩০) ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই আব্দুল মোমিন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকারপাড়া মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। রাতেই প্রতিপক্ষের বাড়ি ও খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে উত্তেজিত জনতা।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ছালাখুর গ্রামের ইয়ানুর রহমানের সঙ্গে মোস্তফার বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে শালাইপুর বাজার থেকে ইয়ানুর ও তাঁর ছোট ভাই মোমিন বাড়িতে ফেরার পথে ঢাকারপাড়া মোড়ে প্রতিপক্ষ হামলা করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ইয়ানুরের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন এবং তাঁর ভাই মোমিন আহত হন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রাব্বানী জানান, ইয়ানুর যুবদলের কর্মী ছিলেন। পারিবারিক দ্বন্দ্বে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

নিহত ইয়ানুরের বাবা আলম মণ্ডল বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে মোস্তফা ও তাঁর ছেলে ময়নুলের পারিবারিক বিরোধ ছিল। এর জেরে তারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। এর আগেও তাদের নামে মামলা করেছি।’

প্রতিপক্ষ মোস্তফার পুত্রবধূ ইসরাত জাহান কেমি জানান, দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ থাকলেও কয়েকদিন আগে তা মীমাংসা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এসবের কিছুই জানি না। হঠাৎ বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে গ্রামের লোকজন এসে আমাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। আমরা যে যার মতো বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রাণে বেঁচে যাই।’

পাঁচবিবি থানার ওসি হাফিজ মো. রায়হান জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ছুরি মেরে যুবদল কর্মীকে হত্যা

আপডেট সময় ০৬:২২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে যুবদল কর্মী ইয়ানুর রহমানকে (৩০) ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই আব্দুল মোমিন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকারপাড়া মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। রাতেই প্রতিপক্ষের বাড়ি ও খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে উত্তেজিত জনতা।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ছালাখুর গ্রামের ইয়ানুর রহমানের সঙ্গে মোস্তফার বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে শালাইপুর বাজার থেকে ইয়ানুর ও তাঁর ছোট ভাই মোমিন বাড়িতে ফেরার পথে ঢাকারপাড়া মোড়ে প্রতিপক্ষ হামলা করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ইয়ানুরের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন এবং তাঁর ভাই মোমিন আহত হন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রাব্বানী জানান, ইয়ানুর যুবদলের কর্মী ছিলেন। পারিবারিক দ্বন্দ্বে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

নিহত ইয়ানুরের বাবা আলম মণ্ডল বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে মোস্তফা ও তাঁর ছেলে ময়নুলের পারিবারিক বিরোধ ছিল। এর জেরে তারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। এর আগেও তাদের নামে মামলা করেছি।’

প্রতিপক্ষ মোস্তফার পুত্রবধূ ইসরাত জাহান কেমি জানান, দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ থাকলেও কয়েকদিন আগে তা মীমাংসা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এসবের কিছুই জানি না। হঠাৎ বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে গ্রামের লোকজন এসে আমাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। আমরা যে যার মতো বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রাণে বেঁচে যাই।’

পাঁচবিবি থানার ওসি হাফিজ মো. রায়হান জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি।