ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

রাবিতে পোষ্য কোটা ১ শতাংশ নির্ধারণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা ১ শতাংশ পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেবল সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের সন্তানেরা এ সুবিধা ভোগ করবে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে কেবল সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের সন্তানের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। তারা একটি বৃত্তের মধ্যে আটকা পড়ছে। সুইপারের সন্তান সুইপার কিংবা প্রহরীর সন্তান প্রহরী হয়। এমন শত শত দৃষ্টান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। তাদেরও একটুখানি সুযোগ থাকা দরকার। এই কারণেই আপাতত ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে আসতে বহু ভোগান্তি সহ্য করতে হয়েছে। এরপরেও কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সেটা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার হিসেবে দেখবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুত্র-কন্যা কোটার হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের পুত্র-কন্যাদের জন্যই কেবল ১% কোটা রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে, গত বছর নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেন কিছু শিক্ষার্থী। পরে উপাচার্যের আশ্বাসে অনশন ত্যাগ করেন। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনকে সভাপতি করে ২০ সদস্যের কোটা পর্যালোচনা কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটি গত একমাস সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করেও কার্যকরী কোন সিদ্ধান্তের দিকে পৌঁছাতে সক্ষম না হলে ফের আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। ২ জানুয়ারির মধ্যে এ কোটা বাতিল না হলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ক্যাম্পাসের অন্যতম সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তের পর জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ডেকেছে আম্মার। তিনি জানান, এই কোটা কোনোভাবেই রাখা যাবে না। প্রশাসনের এখনো ভাববার সময় আছে। অন্যথায় আন্দোলন চলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

রাবিতে পোষ্য কোটা ১ শতাংশ নির্ধারণ

আপডেট সময় ০৮:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা ১ শতাংশ পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেবল সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের সন্তানেরা এ সুবিধা ভোগ করবে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে কেবল সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের সন্তানের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। তারা একটি বৃত্তের মধ্যে আটকা পড়ছে। সুইপারের সন্তান সুইপার কিংবা প্রহরীর সন্তান প্রহরী হয়। এমন শত শত দৃষ্টান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। তাদেরও একটুখানি সুযোগ থাকা দরকার। এই কারণেই আপাতত ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে আসতে বহু ভোগান্তি সহ্য করতে হয়েছে। এরপরেও কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সেটা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার হিসেবে দেখবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুত্র-কন্যা কোটার হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের পুত্র-কন্যাদের জন্যই কেবল ১% কোটা রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে, গত বছর নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেন কিছু শিক্ষার্থী। পরে উপাচার্যের আশ্বাসে অনশন ত্যাগ করেন। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনকে সভাপতি করে ২০ সদস্যের কোটা পর্যালোচনা কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটি গত একমাস সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করেও কার্যকরী কোন সিদ্ধান্তের দিকে পৌঁছাতে সক্ষম না হলে ফের আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। ২ জানুয়ারির মধ্যে এ কোটা বাতিল না হলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ক্যাম্পাসের অন্যতম সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তের পর জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ডেকেছে আম্মার। তিনি জানান, এই কোটা কোনোভাবেই রাখা যাবে না। প্রশাসনের এখনো ভাববার সময় আছে। অন্যথায় আন্দোলন চলবে।