ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষায় প্রশাসন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) রোহিঙ্গাদের ত্রাণ এবং পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলে জেলা প্রশাসনের কাজ কমে আসবে। তার আগে বালুখালী এলাকার দুই হাজার একর জমি উপযোগী করে তুলে সেখানে পুনর্বাসনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ কাজ শেষ হলেই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তখন জেলা প্রশাসনের কাজ কমে আসবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাহিদুর রহমান বলেন, ‘অনেক লোক একসঙ্গে এসেছে। আপাতত আমরা যে ক’টি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছি তা হলো— কেউ যেন না খেয়ে মারা না যায়, কোনও রোগ যেন ছড়িয়ে না পড়ে। এরপর আমাদের টার্গেট, নির্ধারিত ২০০০ একর জায়গা প্রস্তুত করা। এখনও চারপাশে যেসব রোহিঙ্গা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তাদের একত্রিত করা।’

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইউএনএইচসিআর ও আইওএম আসলে আমাদের কাজের চাপ কমবে। কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের পুরো প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বালুখালী কতদিনে প্রস্তুত হবে বা কতদিনে সেখানে সবাইকে নেওয়া সম্ভব হবে, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

মাহিদুর রহমান আরো বলেন, ‘এখনো রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে রয়েছে । তাদের পুনর্বাসনের কাজ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তাদের কোন এলাকা থেকে কোন এলাকায় রাখা হবে, এর ছক তৈরি করা হয়েছে। বাকি কাজ যখন শেষ করা সম্ভব হবে, তখন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো দায়িত্ব নেবে।’

২৫ সেপ্টেম্বর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইউএনএইচসিআর এর হাইকমিশনার ফিলিপ গ্রান্ডি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য অবকাঠামোসহ সার্বিক সহযোগিতা দেবে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকর্মি সি আর আবরার বলেন, ‘পুনর্বাসনের নামে পুরো প্রক্রিয়াটা দীর্ঘমেয়াদী করা যাবে না। এটি যত দ্রুত সম্ভব ইউএনএইচআরসি-এর হাতে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে ত্রাণ আসায় পরিস্থিতি সামলে নেওয়া গেলেও এই ত্রাণের প্রবাহ অব্যাহত থাকবে তা নয়। যত দ্রুত সম্ভব শরণার্থীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে তাদের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক সংস্থার হাতে ছেড়ে দিয়ে পরিকল্পনামাফিক এগুনো যৌক্তিক। তাদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা গেলে বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের দেশকে দোষারোপ করার সুযোগ থাকবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষায় প্রশাসন

আপডেট সময় ০৫:০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) রোহিঙ্গাদের ত্রাণ এবং পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলে জেলা প্রশাসনের কাজ কমে আসবে। তার আগে বালুখালী এলাকার দুই হাজার একর জমি উপযোগী করে তুলে সেখানে পুনর্বাসনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ কাজ শেষ হলেই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তখন জেলা প্রশাসনের কাজ কমে আসবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাহিদুর রহমান বলেন, ‘অনেক লোক একসঙ্গে এসেছে। আপাতত আমরা যে ক’টি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছি তা হলো— কেউ যেন না খেয়ে মারা না যায়, কোনও রোগ যেন ছড়িয়ে না পড়ে। এরপর আমাদের টার্গেট, নির্ধারিত ২০০০ একর জায়গা প্রস্তুত করা। এখনও চারপাশে যেসব রোহিঙ্গা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তাদের একত্রিত করা।’

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইউএনএইচসিআর ও আইওএম আসলে আমাদের কাজের চাপ কমবে। কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের পুরো প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বালুখালী কতদিনে প্রস্তুত হবে বা কতদিনে সেখানে সবাইকে নেওয়া সম্ভব হবে, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

মাহিদুর রহমান আরো বলেন, ‘এখনো রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে রয়েছে । তাদের পুনর্বাসনের কাজ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তাদের কোন এলাকা থেকে কোন এলাকায় রাখা হবে, এর ছক তৈরি করা হয়েছে। বাকি কাজ যখন শেষ করা সম্ভব হবে, তখন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো দায়িত্ব নেবে।’

২৫ সেপ্টেম্বর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইউএনএইচসিআর এর হাইকমিশনার ফিলিপ গ্রান্ডি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য অবকাঠামোসহ সার্বিক সহযোগিতা দেবে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকর্মি সি আর আবরার বলেন, ‘পুনর্বাসনের নামে পুরো প্রক্রিয়াটা দীর্ঘমেয়াদী করা যাবে না। এটি যত দ্রুত সম্ভব ইউএনএইচআরসি-এর হাতে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে ত্রাণ আসায় পরিস্থিতি সামলে নেওয়া গেলেও এই ত্রাণের প্রবাহ অব্যাহত থাকবে তা নয়। যত দ্রুত সম্ভব শরণার্থীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে তাদের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক সংস্থার হাতে ছেড়ে দিয়ে পরিকল্পনামাফিক এগুনো যৌক্তিক। তাদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা গেলে বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের দেশকে দোষারোপ করার সুযোগ থাকবে না।