ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দেশ বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করেছিল: আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাইডেন-মোদির আলোচনা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত এ ফোনালাপে, দুই নেতা বাংলাদেশে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং দেশটির সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নেতার মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিশদ মতবিনিময় হয়েছে। ফোনালাপে মোদি সম্প্রতি ইউক্রেন সফরের বিষয়েও আলোচনা করেন এবং কোয়াড (ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে চারপক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ) ইস্যুও আলোচনায় উঠে আসে। মোদি ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বের জন্য বাইডেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মোদি তার এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করে লেখেন, “আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে। এ সময় ইউক্রেন পরিস্থিতিসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয়ে আমরা বিশদে মতবিনিময় করেছি। বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি এবং দেশটিতে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু—বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে ছাত্র জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থার ওপর দুই নেতার উদ্বেগ প্রকাশ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্কের শক্তিশালী অবস্থানও প্রতিফলিত হয়েছে এই আলোচনায়।

হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাইডেন এবং মোদি উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাইডেন-মোদির আলোচনা

আপডেট সময় ০৫:০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত এ ফোনালাপে, দুই নেতা বাংলাদেশে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং দেশটির সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নেতার মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিশদ মতবিনিময় হয়েছে। ফোনালাপে মোদি সম্প্রতি ইউক্রেন সফরের বিষয়েও আলোচনা করেন এবং কোয়াড (ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে চারপক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ) ইস্যুও আলোচনায় উঠে আসে। মোদি ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বের জন্য বাইডেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মোদি তার এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করে লেখেন, “আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে। এ সময় ইউক্রেন পরিস্থিতিসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয়ে আমরা বিশদে মতবিনিময় করেছি। বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি এবং দেশটিতে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু—বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে ছাত্র জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থার ওপর দুই নেতার উদ্বেগ প্রকাশ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্কের শক্তিশালী অবস্থানও প্রতিফলিত হয়েছে এই আলোচনায়।

হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাইডেন এবং মোদি উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।