অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ খাস জমি উদ্ধার করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির ৩৩তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, জালিয়াত চক্র যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাদের কবল থেকে অবশ্যই কৃষি খাস জমি উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে হবে। মন্ত্রীভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্রীয় কাজ পরিচালনা করারও নির্দেশনা প্রদান করেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে জমিমালিকরা এখন সহজেই নামজারি, জমাভাগ, ভূমি উন্নয়ন কর ও জমির নকশা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে পারছে।
দেশব্যাপী জীর্ণশীর্ণ ভূমি অফিসগুলোর আধুনিকায়নে সেসব অফিসের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ চলছে উল্লেখ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, কৃষি, অকৃষি, জলাভূমি, বনভূমি, পাহাড়, শিল্পাঞ্চলে ভাগ করে ল্যান্ড জোনিং প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারাদেশে গৃহহীনদের জন্য খাসজমিতে ঘর নির্মাণ করে তাদের পুনর্বাসন ও ভূমিহীনদের খাস জমি প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
গৃহহীনদের জন্য গৃহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এ কথা উল্লেখ করে শামসুর রহমান শরীফ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবকদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী কৃষি খাসজমি বরাদ্দে নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কৃষি খাসজমি বরাদ্দ ও ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং কৃষি খাসজমি চিহ্নিত ও বরাদ্দ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে ২০১৪ সালে জাতীয় কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। ওই বছর থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে ৮৪ হাজার ৭৩টি ভূমিহীন পরিবারকে ৪১ হাজার ৭০৫ একর কৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়েছে।
সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, সংসদ সদস্য মো. হাবিবর রহমান ও মো. আবু জাহির, ভূমি সচিব আবদুল জলিল, আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মোহাম্মদ জহুরুল হক, ৭টি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারগণ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















