ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কৌশলে স্বামী পিটিয়ে নববধূ ভাগলেন প্রেমিকের সঙ্গে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বামীকে কৌশলে সমুদ্র সৈকতে ডেকে নিয়ে, তাকে লোকজন দিয়ে পিটিয়ে আহত করে ফেলে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ভাগলেন এক নববধূ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এমনই ঘটনা ঘটেছে কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট ফ্রাই মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।

মারধরের শিকার পর্যটকের নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি বরগুনা জেলার কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। মনিরুল দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম নূরে জান্নাত।

মনিরুলের বয়ান থেকে জানা যায়, গত পাঁচ দিন আগে পারিবারিকভাবে তিনি নূরে জান্নাতকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার সকালে মনিরুল তার স্ত্রীকে মির্জাগঞ্জ মাজারে নিয়ে যেতে চাইলেও স্ত্রীর আবদার কুয়াকাটা যাবেন। সেদিনই সন্ধ্যায় কুয়াকাটায় গিয়ে তারা হোটেল তাজে ওঠেন।

মনিরুলের অভিযোগ, ‘সৈকতে ঘোরাঘুরি করে আমরা হোটেলে চলে আসি। কিন্তু আমার স্ত্রী আবার সৈকতে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও যাই। সৈকতের জিরোপয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকি কিছুক্ষণ। পরে সে আমাকে হাটার জন্য অনুরোধ করে। হাটতে হাটতে ফ্রাই মার্কেট পেরিয়ে সে আমাকে অন্ধকারে নিয়ে যায়। সেখানে চার-পাঁচজন লোক আমার ওপর হামলা করে। আমি বাঁচার জন্য স্ত্রীকে আঁকড়ে ধরি। কিন্তু সে আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে ওই লোকগুলোর সঙ্গে পালিয়ে যায়।’

মনিরুলের অভিযোগ, স্ত্রী নূরে জান্নাত তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন।

খায়রুল নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘তাদের (মনিরুল ও তার স্ত্রী) দুজনকে সৈকতে নামতে দেখেছি। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখি লোকটা রক্তাক্ত। কয়েকজন তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে আসেন।’

কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বলেন, ‘খবর পেয়ে মারধরের শিকার পর্যটককে উদ্ধার করি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আমাদের কয়েকটি টিম আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার স্ত্রীকে পায়নি। মনিরুলকে তার পরিবারের লোকেরা নিয়ে গেছেন।’

এদিকে, নূরে জান্নাতের বাবা হারুন অর-রশিদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা চলে এসেছি। তবে আমার মেয়ে এখন কোথায় আছে তা এখনো জানতে পারিনি। পারিবারিকভাবে আমরা বিষয়টি মীমাংসা করব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কৌশলে স্বামী পিটিয়ে নববধূ ভাগলেন প্রেমিকের সঙ্গে

আপডেট সময় ১১:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বামীকে কৌশলে সমুদ্র সৈকতে ডেকে নিয়ে, তাকে লোকজন দিয়ে পিটিয়ে আহত করে ফেলে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ভাগলেন এক নববধূ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এমনই ঘটনা ঘটেছে কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট ফ্রাই মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।

মারধরের শিকার পর্যটকের নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি বরগুনা জেলার কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। মনিরুল দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম নূরে জান্নাত।

মনিরুলের বয়ান থেকে জানা যায়, গত পাঁচ দিন আগে পারিবারিকভাবে তিনি নূরে জান্নাতকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার সকালে মনিরুল তার স্ত্রীকে মির্জাগঞ্জ মাজারে নিয়ে যেতে চাইলেও স্ত্রীর আবদার কুয়াকাটা যাবেন। সেদিনই সন্ধ্যায় কুয়াকাটায় গিয়ে তারা হোটেল তাজে ওঠেন।

মনিরুলের অভিযোগ, ‘সৈকতে ঘোরাঘুরি করে আমরা হোটেলে চলে আসি। কিন্তু আমার স্ত্রী আবার সৈকতে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও যাই। সৈকতের জিরোপয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকি কিছুক্ষণ। পরে সে আমাকে হাটার জন্য অনুরোধ করে। হাটতে হাটতে ফ্রাই মার্কেট পেরিয়ে সে আমাকে অন্ধকারে নিয়ে যায়। সেখানে চার-পাঁচজন লোক আমার ওপর হামলা করে। আমি বাঁচার জন্য স্ত্রীকে আঁকড়ে ধরি। কিন্তু সে আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে ওই লোকগুলোর সঙ্গে পালিয়ে যায়।’

মনিরুলের অভিযোগ, স্ত্রী নূরে জান্নাত তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন।

খায়রুল নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘তাদের (মনিরুল ও তার স্ত্রী) দুজনকে সৈকতে নামতে দেখেছি। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখি লোকটা রক্তাক্ত। কয়েকজন তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে আসেন।’

কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বলেন, ‘খবর পেয়ে মারধরের শিকার পর্যটককে উদ্ধার করি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আমাদের কয়েকটি টিম আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার স্ত্রীকে পায়নি। মনিরুলকে তার পরিবারের লোকেরা নিয়ে গেছেন।’

এদিকে, নূরে জান্নাতের বাবা হারুন অর-রশিদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা চলে এসেছি। তবে আমার মেয়ে এখন কোথায় আছে তা এখনো জানতে পারিনি। পারিবারিকভাবে আমরা বিষয়টি মীমাংসা করব।’