ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

কৌশলে স্বামী পিটিয়ে নববধূ ভাগলেন প্রেমিকের সঙ্গে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বামীকে কৌশলে সমুদ্র সৈকতে ডেকে নিয়ে, তাকে লোকজন দিয়ে পিটিয়ে আহত করে ফেলে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ভাগলেন এক নববধূ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এমনই ঘটনা ঘটেছে কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট ফ্রাই মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।

মারধরের শিকার পর্যটকের নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি বরগুনা জেলার কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। মনিরুল দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম নূরে জান্নাত।

মনিরুলের বয়ান থেকে জানা যায়, গত পাঁচ দিন আগে পারিবারিকভাবে তিনি নূরে জান্নাতকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার সকালে মনিরুল তার স্ত্রীকে মির্জাগঞ্জ মাজারে নিয়ে যেতে চাইলেও স্ত্রীর আবদার কুয়াকাটা যাবেন। সেদিনই সন্ধ্যায় কুয়াকাটায় গিয়ে তারা হোটেল তাজে ওঠেন।

মনিরুলের অভিযোগ, ‘সৈকতে ঘোরাঘুরি করে আমরা হোটেলে চলে আসি। কিন্তু আমার স্ত্রী আবার সৈকতে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও যাই। সৈকতের জিরোপয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকি কিছুক্ষণ। পরে সে আমাকে হাটার জন্য অনুরোধ করে। হাটতে হাটতে ফ্রাই মার্কেট পেরিয়ে সে আমাকে অন্ধকারে নিয়ে যায়। সেখানে চার-পাঁচজন লোক আমার ওপর হামলা করে। আমি বাঁচার জন্য স্ত্রীকে আঁকড়ে ধরি। কিন্তু সে আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে ওই লোকগুলোর সঙ্গে পালিয়ে যায়।’

মনিরুলের অভিযোগ, স্ত্রী নূরে জান্নাত তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন।

খায়রুল নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘তাদের (মনিরুল ও তার স্ত্রী) দুজনকে সৈকতে নামতে দেখেছি। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখি লোকটা রক্তাক্ত। কয়েকজন তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে আসেন।’

কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বলেন, ‘খবর পেয়ে মারধরের শিকার পর্যটককে উদ্ধার করি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আমাদের কয়েকটি টিম আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার স্ত্রীকে পায়নি। মনিরুলকে তার পরিবারের লোকেরা নিয়ে গেছেন।’

এদিকে, নূরে জান্নাতের বাবা হারুন অর-রশিদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা চলে এসেছি। তবে আমার মেয়ে এখন কোথায় আছে তা এখনো জানতে পারিনি। পারিবারিকভাবে আমরা বিষয়টি মীমাংসা করব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

কৌশলে স্বামী পিটিয়ে নববধূ ভাগলেন প্রেমিকের সঙ্গে

আপডেট সময় ১১:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বামীকে কৌশলে সমুদ্র সৈকতে ডেকে নিয়ে, তাকে লোকজন দিয়ে পিটিয়ে আহত করে ফেলে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ভাগলেন এক নববধূ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এমনই ঘটনা ঘটেছে কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট ফ্রাই মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।

মারধরের শিকার পর্যটকের নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি বরগুনা জেলার কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। মনিরুল দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম নূরে জান্নাত।

মনিরুলের বয়ান থেকে জানা যায়, গত পাঁচ দিন আগে পারিবারিকভাবে তিনি নূরে জান্নাতকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার সকালে মনিরুল তার স্ত্রীকে মির্জাগঞ্জ মাজারে নিয়ে যেতে চাইলেও স্ত্রীর আবদার কুয়াকাটা যাবেন। সেদিনই সন্ধ্যায় কুয়াকাটায় গিয়ে তারা হোটেল তাজে ওঠেন।

মনিরুলের অভিযোগ, ‘সৈকতে ঘোরাঘুরি করে আমরা হোটেলে চলে আসি। কিন্তু আমার স্ত্রী আবার সৈকতে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও যাই। সৈকতের জিরোপয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকি কিছুক্ষণ। পরে সে আমাকে হাটার জন্য অনুরোধ করে। হাটতে হাটতে ফ্রাই মার্কেট পেরিয়ে সে আমাকে অন্ধকারে নিয়ে যায়। সেখানে চার-পাঁচজন লোক আমার ওপর হামলা করে। আমি বাঁচার জন্য স্ত্রীকে আঁকড়ে ধরি। কিন্তু সে আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে ওই লোকগুলোর সঙ্গে পালিয়ে যায়।’

মনিরুলের অভিযোগ, স্ত্রী নূরে জান্নাত তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন।

খায়রুল নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘তাদের (মনিরুল ও তার স্ত্রী) দুজনকে সৈকতে নামতে দেখেছি। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখি লোকটা রক্তাক্ত। কয়েকজন তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে আসেন।’

কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বলেন, ‘খবর পেয়ে মারধরের শিকার পর্যটককে উদ্ধার করি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আমাদের কয়েকটি টিম আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার স্ত্রীকে পায়নি। মনিরুলকে তার পরিবারের লোকেরা নিয়ে গেছেন।’

এদিকে, নূরে জান্নাতের বাবা হারুন অর-রশিদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা চলে এসেছি। তবে আমার মেয়ে এখন কোথায় আছে তা এখনো জানতে পারিনি। পারিবারিকভাবে আমরা বিষয়টি মীমাংসা করব।’