ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ: অরুণ জেটলি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থে ভারতের প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হতে ভারত পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশকে তিনটি পর্যায়ে মোট আটশ কোটি ডলারের ঋণ দিয়েছে ভারত। যা এ পর্যন্ত ভারতের দেওয়া কোনও দেশকে সর্বোচ্চ ঋণ। অনেক কম সুদে এ ঋণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে যা অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে ভারতের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির নানা বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

অরুণ জেটলি বলেন, তৃতীয় ঋণ চুক্তি সইয়ের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল, বন্দর ইত্যাদি অবকাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ খাতের ১৭টি পূর্ব চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এ ঋণের সুদ হার বছরে মাত্র এক শতাংশ। যা ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান অর্থমন্ত্রী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অর্থ সচিব মুসলিম চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরে ১০টা ৫ মিনিটে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুই দেশের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক শুরু হয়।বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সাড়ে চারশ কোটি ডলারের ক্রেডিট লাইন এগ্রিমেন্ট সই হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব এবং ভারতের পক্ষে দেশটির এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ: অরুণ জেটলি

আপডেট সময় ০১:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থে ভারতের প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হতে ভারত পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশকে তিনটি পর্যায়ে মোট আটশ কোটি ডলারের ঋণ দিয়েছে ভারত। যা এ পর্যন্ত ভারতের দেওয়া কোনও দেশকে সর্বোচ্চ ঋণ। অনেক কম সুদে এ ঋণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে যা অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে ভারতের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির নানা বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

অরুণ জেটলি বলেন, তৃতীয় ঋণ চুক্তি সইয়ের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল, বন্দর ইত্যাদি অবকাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ খাতের ১৭টি পূর্ব চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এ ঋণের সুদ হার বছরে মাত্র এক শতাংশ। যা ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান অর্থমন্ত্রী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অর্থ সচিব মুসলিম চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরে ১০টা ৫ মিনিটে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুই দেশের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক শুরু হয়।বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সাড়ে চারশ কোটি ডলারের ক্রেডিট লাইন এগ্রিমেন্ট সই হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব এবং ভারতের পক্ষে দেশটির এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।