ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাগরিক সেবায় অবহেলা করলে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক আইনজীবী টিটোর মৃত্যু, এক দিন বন্ধ বিচারিক কার্যক্রম পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে সঞ্চালনব্যবস্থা ‘স্মার্ট’ করার নির্দেশ মন্ত্রীর প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর পুশইন নিয়ে আবিদুলের পোস্ট ভাইরাল রাশিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অনুরোধ ঢাকার দলীয় ঠিকাদাররা কাজ না পাওয়ায় সংসদ সদস্যদের ক্ষোভ, পর্যালোচনার আশ্বাস পুশইন ঠেকাতে বিজিবির নিশ্ছিদ্র টহল রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নাজুক অবস্থায় রয়েছে: রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ: অরুণ জেটলি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থে ভারতের প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হতে ভারত পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশকে তিনটি পর্যায়ে মোট আটশ কোটি ডলারের ঋণ দিয়েছে ভারত। যা এ পর্যন্ত ভারতের দেওয়া কোনও দেশকে সর্বোচ্চ ঋণ। অনেক কম সুদে এ ঋণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে যা অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে ভারতের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির নানা বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

অরুণ জেটলি বলেন, তৃতীয় ঋণ চুক্তি সইয়ের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল, বন্দর ইত্যাদি অবকাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ খাতের ১৭টি পূর্ব চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এ ঋণের সুদ হার বছরে মাত্র এক শতাংশ। যা ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান অর্থমন্ত্রী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অর্থ সচিব মুসলিম চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরে ১০টা ৫ মিনিটে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুই দেশের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক শুরু হয়।বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সাড়ে চারশ কোটি ডলারের ক্রেডিট লাইন এগ্রিমেন্ট সই হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব এবং ভারতের পক্ষে দেশটির এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের অভিযোগ, কারাদণ্ড

বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ: অরুণ জেটলি

আপডেট সময় ০১:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে আমি মুগ্ধ। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থে ভারতের প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হতে ভারত পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশকে তিনটি পর্যায়ে মোট আটশ কোটি ডলারের ঋণ দিয়েছে ভারত। যা এ পর্যন্ত ভারতের দেওয়া কোনও দেশকে সর্বোচ্চ ঋণ। অনেক কম সুদে এ ঋণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে যা অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে ভারতের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির নানা বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

অরুণ জেটলি বলেন, তৃতীয় ঋণ চুক্তি সইয়ের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল, বন্দর ইত্যাদি অবকাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ খাতের ১৭টি পূর্ব চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এ ঋণের সুদ হার বছরে মাত্র এক শতাংশ। যা ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান অর্থমন্ত্রী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অর্থ সচিব মুসলিম চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরে ১০টা ৫ মিনিটে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুই দেশের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক শুরু হয়।বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সাড়ে চারশ কোটি ডলারের ক্রেডিট লাইন এগ্রিমেন্ট সই হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব এবং ভারতের পক্ষে দেশটির এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।