ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

দেশি বিদেশি সংস্থা সার্বক্ষণিক কাজ করছে: মায়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় সকল আশ্রয়প্রার্থীর ইতোমধ্যে আশ্রয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া এখন তাদের চিকিৎসা, পয়ঃনিষ্কাশন ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। দেশি বিদেশি সংস্থা এজন্য সার্বক্ষণিক কাজ করছে। যতদ্রুত সম্ভব তাদের রেজিস্ট্রেশন শেষ করতে হবে। মঙ্গলবার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় একথা বলেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে ২০টি ব্লকে ভাগ করে প্রত্যেক ব্লকের সার্বিক তদারকির জন্য কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে। কর্মকর্তারা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, নিরাপত্তা প্রদান ও রেজিস্ট্রেশনে সহযোগিতা করবে।

সভায় জানানো হয়, কর্মকর্তারা ত্রাণ বিতরণে জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করবে। শেড নির্মাণ ও বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস নিশ্চিত করতে কর্মকর্তারা কাজ করবেন। তারা ২০টি ব্লকে রোহিঙ্গাদের আবাসন নিশ্চিত করা ও নতুন আগত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ব্যবস্থা করবেন। তারা সার্বক্ষণিক ক্যাম্প এলাকায় থেকে ক্যাম্পের খাদ্য মজুদ ও চাহিদা নিরূপণ করে সদরদপ্তরকে অবহিত করবেন এবং প্রতিদিনের ক্যাম্প পরিস্থিতির ওপর রিপোর্ট করবেন।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একান্ত মানবিক কারণে মিয়ানমার সরকারের নির্যাতন ও সহিংসতায় পালিয়ে আসা নাগরিকদের আশ্রয় দিয়েছেন। সরকার তাদের সম্ভাব্য সব রকমের সহযোগিতা করবে। মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে। ততদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গারা যাতে সব ধরনের মানবিক সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সহসাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. শাহ্ কামাল, কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পদায়নকৃত কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

দেশি বিদেশি সংস্থা সার্বক্ষণিক কাজ করছে: মায়া

আপডেট সময় ১১:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় সকল আশ্রয়প্রার্থীর ইতোমধ্যে আশ্রয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া এখন তাদের চিকিৎসা, পয়ঃনিষ্কাশন ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। দেশি বিদেশি সংস্থা এজন্য সার্বক্ষণিক কাজ করছে। যতদ্রুত সম্ভব তাদের রেজিস্ট্রেশন শেষ করতে হবে। মঙ্গলবার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় একথা বলেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে ২০টি ব্লকে ভাগ করে প্রত্যেক ব্লকের সার্বিক তদারকির জন্য কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে। কর্মকর্তারা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, নিরাপত্তা প্রদান ও রেজিস্ট্রেশনে সহযোগিতা করবে।

সভায় জানানো হয়, কর্মকর্তারা ত্রাণ বিতরণে জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করবে। শেড নির্মাণ ও বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস নিশ্চিত করতে কর্মকর্তারা কাজ করবেন। তারা ২০টি ব্লকে রোহিঙ্গাদের আবাসন নিশ্চিত করা ও নতুন আগত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ব্যবস্থা করবেন। তারা সার্বক্ষণিক ক্যাম্প এলাকায় থেকে ক্যাম্পের খাদ্য মজুদ ও চাহিদা নিরূপণ করে সদরদপ্তরকে অবহিত করবেন এবং প্রতিদিনের ক্যাম্প পরিস্থিতির ওপর রিপোর্ট করবেন।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একান্ত মানবিক কারণে মিয়ানমার সরকারের নির্যাতন ও সহিংসতায় পালিয়ে আসা নাগরিকদের আশ্রয় দিয়েছেন। সরকার তাদের সম্ভাব্য সব রকমের সহযোগিতা করবে। মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে। ততদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গারা যাতে সব ধরনের মানবিক সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সহসাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. শাহ্ কামাল, কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পদায়নকৃত কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।