ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

ভরা মঞ্চে সাবেক এমপির মাইক কেড়ে নিলেন বর্তমান এমপি!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নওগাঁ-৩ আসনের সাবেক এমপি আকরাম হোসেন চৌধুরীর হাত থেকে ভরা মঞ্চে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়েছেন বর্তমান এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে ভিডিওটি।

ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা চলছিল। এ সময় মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ওই আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি মঞ্চে বসে থাকা আকরাম চৌধুরীর দিকে মাইক্রোফোন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘নৌকার জন্য যখন আপনার এতো ভালবাসা তাহলে মাইক্রোফোন নিয়ে একটু বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় কোথাও কারো জন্য ভোট চেয়েছেন কি না বা তার কোনো প্রমাণ কি দেখাতে পারবেন?’

তখন আকরাম চৌধুরী মাইক্রোফোন নিয়ে বলেন, ওই সময় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান থাকায় আইনগত জটিলতায় ভোট চাইতে পারেননি তিনি। এ সময় এমপি ছলিম তরফদার তার হাত থেকে মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেন। তখন আশপাশে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা জোরে আওয়াজ তোলেন।

ঘটনার দিন তাকে হাজারও মানুষের সামনে লাঞ্ছিত করা হয়েছে জানিয়ে ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে অনেক গালিগালাজ করা হয়েছে। মাস কয়েক আগে শেষ হওয়া চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে দুই ভাগ করা হয়েছে। ’

সবাই বিলাশবাড়ী ইউনিয়নকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি দাবি করেন। তাই আকরাম চৌধুরী প্রশ্ন তাহলে গত নির্বাচনে নৌকা কেন পরাজিত হলো? ঘাঁটি হঠাৎ করে ভেঙে গেল কেন?

এ বিষয়ে জানতে নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদারের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি বলেন, ‘আমি একটি সভা মঞ্চে আছি। এখানে আকরাম হোসেন চৌধুরীও আছেন। সেদিনের ঘটনা বড় কিছু নিয়ে নয়। অতীতের জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই এমনটা হয়েছে। আমরা দু’জন আবারও একই মঞ্চেই আছি, বক্তৃতা করছি। ’

উল্লেখ্য, ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হন বর্তমান সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দীর তরফদার সেলিম। সেই সময় তিনি নির্বাচিতও হয়েছিলেন। প্রায় তিন বছর বহিষ্কার থাকার পর ২০১৬ সালের দিকে ফের তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এদিকে ২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সালের শেষ পর্যন্ত বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কৃর্তপক্ষ বিএমডিএ’র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

ভরা মঞ্চে সাবেক এমপির মাইক কেড়ে নিলেন বর্তমান এমপি!

আপডেট সময় ১০:১২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নওগাঁ-৩ আসনের সাবেক এমপি আকরাম হোসেন চৌধুরীর হাত থেকে ভরা মঞ্চে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়েছেন বর্তমান এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে ভিডিওটি।

ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা চলছিল। এ সময় মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ওই আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি মঞ্চে বসে থাকা আকরাম চৌধুরীর দিকে মাইক্রোফোন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘নৌকার জন্য যখন আপনার এতো ভালবাসা তাহলে মাইক্রোফোন নিয়ে একটু বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় কোথাও কারো জন্য ভোট চেয়েছেন কি না বা তার কোনো প্রমাণ কি দেখাতে পারবেন?’

তখন আকরাম চৌধুরী মাইক্রোফোন নিয়ে বলেন, ওই সময় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান থাকায় আইনগত জটিলতায় ভোট চাইতে পারেননি তিনি। এ সময় এমপি ছলিম তরফদার তার হাত থেকে মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেন। তখন আশপাশে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা জোরে আওয়াজ তোলেন।

ঘটনার দিন তাকে হাজারও মানুষের সামনে লাঞ্ছিত করা হয়েছে জানিয়ে ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে অনেক গালিগালাজ করা হয়েছে। মাস কয়েক আগে শেষ হওয়া চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে দুই ভাগ করা হয়েছে। ’

সবাই বিলাশবাড়ী ইউনিয়নকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি দাবি করেন। তাই আকরাম চৌধুরী প্রশ্ন তাহলে গত নির্বাচনে নৌকা কেন পরাজিত হলো? ঘাঁটি হঠাৎ করে ভেঙে গেল কেন?

এ বিষয়ে জানতে নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদারের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি বলেন, ‘আমি একটি সভা মঞ্চে আছি। এখানে আকরাম হোসেন চৌধুরীও আছেন। সেদিনের ঘটনা বড় কিছু নিয়ে নয়। অতীতের জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই এমনটা হয়েছে। আমরা দু’জন আবারও একই মঞ্চেই আছি, বক্তৃতা করছি। ’

উল্লেখ্য, ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হন বর্তমান সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দীর তরফদার সেলিম। সেই সময় তিনি নির্বাচিতও হয়েছিলেন। প্রায় তিন বছর বহিষ্কার থাকার পর ২০১৬ সালের দিকে ফের তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এদিকে ২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সালের শেষ পর্যন্ত বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কৃর্তপক্ষ বিএমডিএ’র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী।