ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত ও আওয়ামী লীগ ‘মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম নির্বাচনকালীন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিএসএফ সচেষ্ট : বিজিবি দেশের নব্বই শতাংশ চাঁদাবাজের হাত চিরতরে অবশ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: রিজভী জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে, দুলুর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা টানা ছয় জয় বাংলাদেশের মেয়েদের যে সরকারই আসুক, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার এই নির্বাচন দিকনির্দেশনা দেবে আগামীতে দেশ কোন দিকে পরিচালিত হবে: তারেক রহমান রাজধানীর উত্তরায় পার্কিং করা বাসে আগুন জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ

‘সর্বভারতীয়’ দাবি অপ্রাসঙ্গিক, প্রয়োজন ‘আঞ্চলিক জোট’ গঠন : রব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে প্রায়শই ‘সর্বভারতীয়’ যে দাবি উত্থাপন করা হয় তা অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে প্রায়শই ‘সর্বভারতীয়’ দাবি উত্থাপন করে উপমহাদেশে রাজনৈতিক উস্কানি ও অস্থিরতা সৃষ্টির প্রেক্ষিতে শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক আ স ম আবদুর রব।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ইতিহাসের ‘ভূ রাজনৈতিক’ বিবেচনায় এ অঞ্চল কয়েক হাজার বছর ধরে অসংগঠিত শক্তি হিসেবে বিচ্ছিন্ন অবস্থানে পতিত ছিল।

রাজনৈতিক সঞ্চালনশীলতা ও ঐতিহাসিক অনিবার্যতায় উপমহাদেশে জাতিরাষ্ট্র বা রাষ্ট্রসমূহ প্রতিষ্ঠার কারণে এ অঞ্চল অতীতের বিচ্ছিন্নতাকে অতিক্রম করে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ ও অন্যতম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

ইতিহাস পর্যবেক্ষণ এবং পুনঃপরীক্ষা করে দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ায় আত্মসত্তার রাজনীতিতে ভারত, পাকিস্তান এবং মুক্তি সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ ‘জাতিরাষ্ট্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সর্বভারতের দাবি অপ্রাসঙ্গিক ও বাস্তবতা বিবর্জিত হয়ে পড়েছে।

বিশ্ব রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সমরনীতির প্রেক্ষিতে এ অঞ্চলে আঞ্চলিক বা উপ আঞ্চলিক জোট গঠন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

উপমহাদেশের প্রতিটি রাষ্ট্র ভূ অর্থনৈতিক ও ভূ সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও পরস্পর সংলগ্ন। সুতরাং আঞ্চলিক ও উপ আঞ্চলিক জোট গঠন করেই প্রতিটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং নৃতাত্ত্বিক সাংস্কৃতিক বিকাশ জোরদার হতে পারে।

‘দক্ষিণ এশিয়া’ ও ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া’য় সংযোগ সড়ক, গ্যাস, বিদ্যুৎশক্তি ও পানি সম্পদের উপর ভিত্তি করে উপ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট গঠন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের প্রত্যেকটি রাষ্ট্র তার আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষূন্ন রেখেই উপ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট গঠন করতে পারে। এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ আর্থিক উন্নতি, দারিদ্র বিমোচন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সংহতি আঞ্চলিক বা উপ আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল।

এ লক্ষ্যেই সর্ব ভারতীয় দাবি উত্থাপন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিরোধ উসকে দেয়ার পাঁয়তারা থেকে সকল পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।’’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ ‘মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘সর্বভারতীয়’ দাবি অপ্রাসঙ্গিক, প্রয়োজন ‘আঞ্চলিক জোট’ গঠন : রব

আপডেট সময় ০৬:৪৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে প্রায়শই ‘সর্বভারতীয়’ যে দাবি উত্থাপন করা হয় তা অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে প্রায়শই ‘সর্বভারতীয়’ দাবি উত্থাপন করে উপমহাদেশে রাজনৈতিক উস্কানি ও অস্থিরতা সৃষ্টির প্রেক্ষিতে শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক আ স ম আবদুর রব।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ইতিহাসের ‘ভূ রাজনৈতিক’ বিবেচনায় এ অঞ্চল কয়েক হাজার বছর ধরে অসংগঠিত শক্তি হিসেবে বিচ্ছিন্ন অবস্থানে পতিত ছিল।

রাজনৈতিক সঞ্চালনশীলতা ও ঐতিহাসিক অনিবার্যতায় উপমহাদেশে জাতিরাষ্ট্র বা রাষ্ট্রসমূহ প্রতিষ্ঠার কারণে এ অঞ্চল অতীতের বিচ্ছিন্নতাকে অতিক্রম করে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ ও অন্যতম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

ইতিহাস পর্যবেক্ষণ এবং পুনঃপরীক্ষা করে দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ায় আত্মসত্তার রাজনীতিতে ভারত, পাকিস্তান এবং মুক্তি সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ ‘জাতিরাষ্ট্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সর্বভারতের দাবি অপ্রাসঙ্গিক ও বাস্তবতা বিবর্জিত হয়ে পড়েছে।

বিশ্ব রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সমরনীতির প্রেক্ষিতে এ অঞ্চলে আঞ্চলিক বা উপ আঞ্চলিক জোট গঠন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

উপমহাদেশের প্রতিটি রাষ্ট্র ভূ অর্থনৈতিক ও ভূ সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও পরস্পর সংলগ্ন। সুতরাং আঞ্চলিক ও উপ আঞ্চলিক জোট গঠন করেই প্রতিটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং নৃতাত্ত্বিক সাংস্কৃতিক বিকাশ জোরদার হতে পারে।

‘দক্ষিণ এশিয়া’ ও ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া’য় সংযোগ সড়ক, গ্যাস, বিদ্যুৎশক্তি ও পানি সম্পদের উপর ভিত্তি করে উপ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট গঠন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের প্রত্যেকটি রাষ্ট্র তার আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষূন্ন রেখেই উপ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট গঠন করতে পারে। এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ আর্থিক উন্নতি, দারিদ্র বিমোচন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সংহতি আঞ্চলিক বা উপ আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল।

এ লক্ষ্যেই সর্ব ভারতীয় দাবি উত্থাপন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিরোধ উসকে দেয়ার পাঁয়তারা থেকে সকল পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।’’