ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম

জয় রাজনীতিতে আসছেন কিনা, যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন কিনা, সে ব্যাপারটি তার নিজের ও দেশের মানুষের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন তার মা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

ভারত সফরকে সামনে রেখে দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে এএনআই।

ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরে জয়ের চিন্তা ও পরামর্শ কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘দেখুন সে বড় হয়েছে। এটি (রাজনীতিতে আসা) তার ওপর নির্ভর করছে। সে কিন্তু দেশের জন্য কাজ করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যে কাজ চলছে বিশেষ করে স্যাটেলাইট, সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়া, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সবই কিন্তু তার আইডিয়া থেকে করা হচ্ছে’—যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনারা জানেন, ও আমাকে সহযোগিতা করছে, এটি করছে ও। তবে ও কখনোই দল কিংবা মন্ত্রণালয়ে কোনো পদ পাওয়ার কথা ভাবেনি।

জয় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন তিনি।

সজীব ওয়াজেদ জয় যেন আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেন, একসময় দলের মধ্য থেকে সে দাবি উঠেছিল বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, এমনকি আমাদের দলীয় সম্মেলনেও তার পদ নেয়ার তীব্র দাবি উঠেছিল। তখন আমি তাকে বললাম, মাইক্রোফোনের কাছে যাও, যা করতে চাও বলো। সে গেল, বলল, ‘এই মুহূর্তে আমি দলে কোনো পদ চাই না। এর চেয়ে বরং এখানে যারা কাজ করছেন, তাদের পদ দেয়া হোক। আমি কেন একটা পদ দখল করব। আমি মায়ের সঙ্গে আছি। আমি দেশের জন্য কাজ করছি, মাকে সাহায্য করছি। এটাই করে যাব।’

‘সে আসলে এভাবে ভাবে। সুতরাং তার জন্য আমাকে কিছু করতে হবে তা না। করব না।’’

ছেলেকে দলের পদে আনার ব্যাপারে কী ভাবছেন- এ প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা দেশের জনগণের ওপর নির্ভর করছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনুভব করছিলাম কেউ আমার বিছানার চারপাশ দিয়ে হাঁটছে: মিমি

জয় রাজনীতিতে আসছেন কিনা, যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন কিনা, সে ব্যাপারটি তার নিজের ও দেশের মানুষের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন তার মা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

ভারত সফরকে সামনে রেখে দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে এএনআই।

ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরে জয়ের চিন্তা ও পরামর্শ কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

‘দেখুন সে বড় হয়েছে। এটি (রাজনীতিতে আসা) তার ওপর নির্ভর করছে। সে কিন্তু দেশের জন্য কাজ করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যে কাজ চলছে বিশেষ করে স্যাটেলাইট, সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়া, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সবই কিন্তু তার আইডিয়া থেকে করা হচ্ছে’—যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনারা জানেন, ও আমাকে সহযোগিতা করছে, এটি করছে ও। তবে ও কখনোই দল কিংবা মন্ত্রণালয়ে কোনো পদ পাওয়ার কথা ভাবেনি।

জয় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন তিনি।

সজীব ওয়াজেদ জয় যেন আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেন, একসময় দলের মধ্য থেকে সে দাবি উঠেছিল বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, এমনকি আমাদের দলীয় সম্মেলনেও তার পদ নেয়ার তীব্র দাবি উঠেছিল। তখন আমি তাকে বললাম, মাইক্রোফোনের কাছে যাও, যা করতে চাও বলো। সে গেল, বলল, ‘এই মুহূর্তে আমি দলে কোনো পদ চাই না। এর চেয়ে বরং এখানে যারা কাজ করছেন, তাদের পদ দেয়া হোক। আমি কেন একটা পদ দখল করব। আমি মায়ের সঙ্গে আছি। আমি দেশের জন্য কাজ করছি, মাকে সাহায্য করছি। এটাই করে যাব।’

‘সে আসলে এভাবে ভাবে। সুতরাং তার জন্য আমাকে কিছু করতে হবে তা না। করব না।’’

ছেলেকে দলের পদে আনার ব্যাপারে কী ভাবছেন- এ প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা দেশের জনগণের ওপর নির্ভর করছে।’