ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

শেখ হাসিনাকে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে কি না, তদন্ত চান বিএনপির হারুন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য সত্যিই চক্রান্ত হচ্ছে কি না- তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বুধবার সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ দাবি করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে সরকারি দলের লোকজনও এই চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত।

আবুল কালাম আজাদের ওই বক্তব্য উদ্ধৃত করে হারুনুর রশীদ বলেন, আমি নিজ কানে শুনেছি সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে এই বক্তব্য দিয়েছেন। এটি উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। আসলেই এ ধরনের চক্রান্ত হচ্ছে কি না, কারা এই চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত- তা বের করতে গভীরভাবে তদন্ত করার দাবি জানান হারুন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেন।

এ সময় বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, যারা গুম হয়েছে, তারা কি আইনের আশ্রয় পাবে না? যারা আন্দোলন সংগ্রামে গুলিতে মারা যাচ্ছে- তা এক জিনিস আর গুম সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। সরকারি দল বলছে, দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন- দুর্নীতি, টাকা পাচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সড়ক দুর্ঘটনা এগুলো কি কমেছে? নির্বাচন ব্যবস্তার কি উন্নয়ন হয়েছে?

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘জাদুর বাক্স’ আখ্যা দিয়ে হারুনুর রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদের সংযত হয়ে কথা বলতে বলুন।

তিনি ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, গত নভেম্বরে তার নির্বাচনী এলাকায় ইভিএমে যে পৌরসভা নির্বাচন হয়েছে সেখানে ভোট ডাকাতি হয়েছে। যদি নির্বাচন কমিশন প্রমাণ করতে পারে যে ডাকাতি হয়নি তাহলে যে জরিমানা করবে তা তিনি দেবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

শেখ হাসিনাকে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে কি না, তদন্ত চান বিএনপির হারুন

আপডেট সময় ১১:০০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য সত্যিই চক্রান্ত হচ্ছে কি না- তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বুধবার সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ দাবি করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে সরকারি দলের লোকজনও এই চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত।

আবুল কালাম আজাদের ওই বক্তব্য উদ্ধৃত করে হারুনুর রশীদ বলেন, আমি নিজ কানে শুনেছি সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে এই বক্তব্য দিয়েছেন। এটি উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। আসলেই এ ধরনের চক্রান্ত হচ্ছে কি না, কারা এই চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত- তা বের করতে গভীরভাবে তদন্ত করার দাবি জানান হারুন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেন।

এ সময় বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, যারা গুম হয়েছে, তারা কি আইনের আশ্রয় পাবে না? যারা আন্দোলন সংগ্রামে গুলিতে মারা যাচ্ছে- তা এক জিনিস আর গুম সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। সরকারি দল বলছে, দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন- দুর্নীতি, টাকা পাচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সড়ক দুর্ঘটনা এগুলো কি কমেছে? নির্বাচন ব্যবস্তার কি উন্নয়ন হয়েছে?

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘জাদুর বাক্স’ আখ্যা দিয়ে হারুনুর রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদের সংযত হয়ে কথা বলতে বলুন।

তিনি ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, গত নভেম্বরে তার নির্বাচনী এলাকায় ইভিএমে যে পৌরসভা নির্বাচন হয়েছে সেখানে ভোট ডাকাতি হয়েছে। যদি নির্বাচন কমিশন প্রমাণ করতে পারে যে ডাকাতি হয়নি তাহলে যে জরিমানা করবে তা তিনি দেবেন।