আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
এশিয়া কাপে বাংলাদেশের গ্রুপের তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। এশিয়ার এই উঠতি দলটির বিপক্ষেও চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ।
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৩১ বলের অপরাজিত ৪৮ রানের পরও ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রানে ইনিংস গুটায় বাংলাদেশ। ২৭ বল খেলে দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার নাঈম শেখ। পাঁচ মাস পর খেলতে নেমে মাত্র ৬ রান করে আউট হন তিনি। সবশেষ চলতি বছরের মার্চে এই আফগানদের বিপক্ষে মিরপুরে দুই ম্যাচে ২ ও ১৩ রানে আউট হয়েছিলেন নাঈম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ৩ ম্যাচে নাঈমের সংগ্রহ মাত্র ২১ রান।
নাঈম আউট হওয়ার ৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন অন্য ওপেনার এনামুল হক বিজয়ও। তিনি ১৪ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে ফেরেন।
২৪ বলে মাত্র ১৩ রানে ২ ওপেনারের বিদায়ে দলের এমন কঠিন পরিস্থিতিতে হাল ধরতে পারেননি অধিনায়ক সাকিবও। তিনি মুজিবুর রহমানের তৃতীয় শিকারে বোল্ড হয়ে ফেরেন।
সাকিব আউট হওয়ার পর রশিদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তিনি ৪ বলে ১ রানে ফেরেন।
ইনিংসের ১১তম ওভারে রশিদ খানের করা দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন আফিফ হোসেন। তিনি ১৫ বল খেলে ১২ রানে আউট হন। তার বিদায়ে ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৩১ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। ২৭ বলে ২৫ রান করা টি-টোয়েন্টির সাবেক এই অধিনায়ক স্কোর মোটাতাজা করতে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে আউট হন।
১২ বলে ১৪ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন মেহেদি হাসান।
ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে ৩১ বলে ৪টি চার আর এক ছক্কায় ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। তার কল্যাণেই বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১২৭ রান তুলতে সমর্থ হয়। আফগানিস্তানের হয়ে ১৬ ও ২২ রান খরচ করে ৩টি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন মুজিব উর রহমান ও রশিদ খান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















