ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ইরানের হৃদয় ভেঙে ইতিহাস গড়ে নকআউটে মিশর হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইউরোপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: বিয়েতে এগিয়ে রাজশাহী, বিচ্ছেদে খুলনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ নতুন সংসার ও বিবাহিতদের আনুপাতিক হারের দিক দিয়ে এগিয়ে আছে। সেখানে ৬৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ মানুষ বিবাহিত। অপরদিকে, সংসার ভাঙা ও বিয়ে-বিচ্ছেদের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে খুলনাবাসী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে বিবাহিতদের গড় ৬৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। জাতীয় গড়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৩১ শতাংশ বিবাহিত রয়েছে রাজশাহীতে। অল্প ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থানে খুলনা। এর পরের অবস্থানে থাকা রংপুর, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম রয়েছে জাতীয় গড়ের ওপরে।

অন্যদিকে বিবাহিতদের জাতীয় গড়ের চেয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে সিলেট। সেখানে নতুন সংসার পাতার হার ৫৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এর আগে সারা দেশে গত ১৫ জুন একযোগে শুরু হয় জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম। গত ২১ জুন জনশুমারি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলায় বন্যা শুরু হওয়ায় এসব জেলায় শুমারি কার্যক্রম ২৮ জুন পর্যন্ত চলে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২। ২০১১ সালের জনশুমারিতে গড় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩৭। জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। ২০১১ সালের শেষ জনশুমারিতে যা ছিল ৯৭৬ জন। স্বাক্ষরতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগের শুমারিতে ছিল ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

২০০১ সালে দেশে জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন এবং ১৯৭৪ সালের প্রথম শুমারিতে দেশে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: বিয়েতে এগিয়ে রাজশাহী, বিচ্ছেদে খুলনা

আপডেট সময় ১০:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ নতুন সংসার ও বিবাহিতদের আনুপাতিক হারের দিক দিয়ে এগিয়ে আছে। সেখানে ৬৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ মানুষ বিবাহিত। অপরদিকে, সংসার ভাঙা ও বিয়ে-বিচ্ছেদের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে খুলনাবাসী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে বিবাহিতদের গড় ৬৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। জাতীয় গড়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৩১ শতাংশ বিবাহিত রয়েছে রাজশাহীতে। অল্প ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থানে খুলনা। এর পরের অবস্থানে থাকা রংপুর, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম রয়েছে জাতীয় গড়ের ওপরে।

অন্যদিকে বিবাহিতদের জাতীয় গড়ের চেয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে সিলেট। সেখানে নতুন সংসার পাতার হার ৫৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এর আগে সারা দেশে গত ১৫ জুন একযোগে শুরু হয় জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম। গত ২১ জুন জনশুমারি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলায় বন্যা শুরু হওয়ায় এসব জেলায় শুমারি কার্যক্রম ২৮ জুন পর্যন্ত চলে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২। ২০১১ সালের জনশুমারিতে গড় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩৭। জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। ২০১১ সালের শেষ জনশুমারিতে যা ছিল ৯৭৬ জন। স্বাক্ষরতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগের শুমারিতে ছিল ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

২০০১ সালে দেশে জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন এবং ১৯৭৪ সালের প্রথম শুমারিতে দেশে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।