ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: বিয়েতে এগিয়ে রাজশাহী, বিচ্ছেদে খুলনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ নতুন সংসার ও বিবাহিতদের আনুপাতিক হারের দিক দিয়ে এগিয়ে আছে। সেখানে ৬৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ মানুষ বিবাহিত। অপরদিকে, সংসার ভাঙা ও বিয়ে-বিচ্ছেদের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে খুলনাবাসী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে বিবাহিতদের গড় ৬৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। জাতীয় গড়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৩১ শতাংশ বিবাহিত রয়েছে রাজশাহীতে। অল্প ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থানে খুলনা। এর পরের অবস্থানে থাকা রংপুর, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম রয়েছে জাতীয় গড়ের ওপরে।

অন্যদিকে বিবাহিতদের জাতীয় গড়ের চেয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে সিলেট। সেখানে নতুন সংসার পাতার হার ৫৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এর আগে সারা দেশে গত ১৫ জুন একযোগে শুরু হয় জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম। গত ২১ জুন জনশুমারি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলায় বন্যা শুরু হওয়ায় এসব জেলায় শুমারি কার্যক্রম ২৮ জুন পর্যন্ত চলে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২। ২০১১ সালের জনশুমারিতে গড় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩৭। জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। ২০১১ সালের শেষ জনশুমারিতে যা ছিল ৯৭৬ জন। স্বাক্ষরতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগের শুমারিতে ছিল ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

২০০১ সালে দেশে জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন এবং ১৯৭৪ সালের প্রথম শুমারিতে দেশে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: বিয়েতে এগিয়ে রাজশাহী, বিচ্ছেদে খুলনা

আপডেট সময় ১০:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ নতুন সংসার ও বিবাহিতদের আনুপাতিক হারের দিক দিয়ে এগিয়ে আছে। সেখানে ৬৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ মানুষ বিবাহিত। অপরদিকে, সংসার ভাঙা ও বিয়ে-বিচ্ছেদের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে খুলনাবাসী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আজ বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে বিবাহিতদের গড় ৬৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। জাতীয় গড়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৩১ শতাংশ বিবাহিত রয়েছে রাজশাহীতে। অল্প ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থানে খুলনা। এর পরের অবস্থানে থাকা রংপুর, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম রয়েছে জাতীয় গড়ের ওপরে।

অন্যদিকে বিবাহিতদের জাতীয় গড়ের চেয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে সিলেট। সেখানে নতুন সংসার পাতার হার ৫৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এর আগে সারা দেশে গত ১৫ জুন একযোগে শুরু হয় জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম। গত ২১ জুন জনশুমারি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলায় বন্যা শুরু হওয়ায় এসব জেলায় শুমারি কার্যক্রম ২৮ জুন পর্যন্ত চলে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২। ২০১১ সালের জনশুমারিতে গড় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৩৭। জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। ২০১১ সালের শেষ জনশুমারিতে যা ছিল ৯৭৬ জন। স্বাক্ষরতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগের শুমারিতে ছিল ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

২০০১ সালে দেশে জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন এবং ১৯৭৪ সালের প্রথম শুমারিতে দেশে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।