ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র উত্তরণের প্রধান শর্ত: সুজন সম্পাদক ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

তারেক রহমানের জন্য বিএনপি দেশের রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করছে : হানিফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

তারেক রহমানের জন্য বিএনপি দেশের রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার কাছে খবর এসেছে বিএনপি দেশে আবারও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার জন্য পরিকল্পনা করছে। লন্ডন থেকে তারেক রহমান নাশকতার নির্দেশ দিয়েছে। বিএনপি দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার পায়তারা করছে। আমাদের দলের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকাল ৩টায় রাজধানীর বনানী সোসাইটি মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর অন্তর্গত বনানী থানার ১৯ ও ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হানিফ এসব কথা বলেন।

সরকার আন্দোলনের নামে দেশের রাজপথ অস্থির করার সুযোগ দিবে না উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, দেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো নাশকতার চেষ্টা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও বরদাশত করবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন পরিষ্কারভাবে বলেছেন আওয়ামী লীগের দ্বার সবসময় খোলা। আন্দোলন করে নয়, আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আসলে চা খাওয়ানো হবে। নেত্রী চা খাওয়াবেন। এর মাধ্যমে যে বার্তা দেয়া হয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসী নেতারা তা বুঝতে পারেনি। এ বার্তা পরিষ্কার। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য যদি দেশের কোনো রাজনৈতিক দল আলাপ করতে চায়, প্রধানমন্ত্রীর দ্বার খোলা আছে। বিএনপি সেটাকে ভুল ব্যাখ্যা করছে।

দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু হবে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা চাই সেই নির্বাচনে সব দল অংশ নিবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার মানসিক প্রস্তুতি নিন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কথা বলছে তার কারণ একটাই। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে আছেন। নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তারেক রহমান হাওয়া ভবন বানিয়ে লুটপাট করেছে। দণ্ডিত ও পলাতক আসামি তারেক রহমানেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। তাই তাদের ফন্দিফিকির একটাই অন্য কোনো সরকার এসে সুযোগ দলে নির্বাচনে অংশ নিবে।

বিএনপির সিনিয়র নেতারা কথায় কথায় মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, মহামারি করোনার পর রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীতে জ্বালানি সংকট চলছে। সবকিছুর দাম বাড়ছে। ঠিক এসময়েও বিএনপির সিনিয়র নেতারা মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন।

বিএনপি শাসনামল ও বর্তমান সময়ে দেশের রিজার্ভে তুলনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নাকি দেশের রিজার্ভের পরিমাণ সবচেয়ে কম। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে রিজার্ভ ছিল ৫ বিলিয়ন ডলার। আর এখন এতো সংকটের মধ্যেও দেশের রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার। বিএনপি নেতারা এই নির্লজ্জ মিথ্যাচারের আগে আয়নায় তাদের নিজের চেহারা দেখা প্রয়োজন।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে ভোগ বিলাসে মত্ত ছিলেন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন আর আজ তার সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিয়েছেন। একসময় যে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা হতো আজ সেই বাংলা উপচেপড়া ঝুড়ির দেশ। চরম দারিদ্রের দেশ থেকে বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০৩১ সালের মধ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে।

উন্নত ও মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ মসৃণ পথে আসেনি স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর একাত্তরের পরাজিত শক্তি বিএনপি-জামায়াত ইস্যু সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। রাজপথে পথে নাশকতা করে দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি। সম্মেলন উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি।

এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের খান, মহিলা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহেরুননেসা মেরী ও কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আবদুল কাশেম। সভাপতিত্ব করেন বনানী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন।

বনানী থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মীর মশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান, ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান হাওলাদার, ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন সিদ্দিকী ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান দুলাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি

তারেক রহমানের জন্য বিএনপি দেশের রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করছে : হানিফ

আপডেট সময় ১০:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

তারেক রহমানের জন্য বিএনপি দেশের রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার কাছে খবর এসেছে বিএনপি দেশে আবারও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার জন্য পরিকল্পনা করছে। লন্ডন থেকে তারেক রহমান নাশকতার নির্দেশ দিয়েছে। বিএনপি দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার পায়তারা করছে। আমাদের দলের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকাল ৩টায় রাজধানীর বনানী সোসাইটি মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর অন্তর্গত বনানী থানার ১৯ ও ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হানিফ এসব কথা বলেন।

সরকার আন্দোলনের নামে দেশের রাজপথ অস্থির করার সুযোগ দিবে না উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, দেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো নাশকতার চেষ্টা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও বরদাশত করবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন পরিষ্কারভাবে বলেছেন আওয়ামী লীগের দ্বার সবসময় খোলা। আন্দোলন করে নয়, আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আসলে চা খাওয়ানো হবে। নেত্রী চা খাওয়াবেন। এর মাধ্যমে যে বার্তা দেয়া হয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসী নেতারা তা বুঝতে পারেনি। এ বার্তা পরিষ্কার। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য যদি দেশের কোনো রাজনৈতিক দল আলাপ করতে চায়, প্রধানমন্ত্রীর দ্বার খোলা আছে। বিএনপি সেটাকে ভুল ব্যাখ্যা করছে।

দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু হবে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা চাই সেই নির্বাচনে সব দল অংশ নিবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার মানসিক প্রস্তুতি নিন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কথা বলছে তার কারণ একটাই। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে আছেন। নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তারেক রহমান হাওয়া ভবন বানিয়ে লুটপাট করেছে। দণ্ডিত ও পলাতক আসামি তারেক রহমানেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। তাই তাদের ফন্দিফিকির একটাই অন্য কোনো সরকার এসে সুযোগ দলে নির্বাচনে অংশ নিবে।

বিএনপির সিনিয়র নেতারা কথায় কথায় মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, মহামারি করোনার পর রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীতে জ্বালানি সংকট চলছে। সবকিছুর দাম বাড়ছে। ঠিক এসময়েও বিএনপির সিনিয়র নেতারা মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন।

বিএনপি শাসনামল ও বর্তমান সময়ে দেশের রিজার্ভে তুলনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নাকি দেশের রিজার্ভের পরিমাণ সবচেয়ে কম। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে রিজার্ভ ছিল ৫ বিলিয়ন ডলার। আর এখন এতো সংকটের মধ্যেও দেশের রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার। বিএনপি নেতারা এই নির্লজ্জ মিথ্যাচারের আগে আয়নায় তাদের নিজের চেহারা দেখা প্রয়োজন।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে ভোগ বিলাসে মত্ত ছিলেন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন আর আজ তার সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিয়েছেন। একসময় যে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা হতো আজ সেই বাংলা উপচেপড়া ঝুড়ির দেশ। চরম দারিদ্রের দেশ থেকে বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০৩১ সালের মধ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে।

উন্নত ও মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ মসৃণ পথে আসেনি স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর একাত্তরের পরাজিত শক্তি বিএনপি-জামায়াত ইস্যু সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। রাজপথে পথে নাশকতা করে দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি। সম্মেলন উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি।

এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের খান, মহিলা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহেরুননেসা মেরী ও কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আবদুল কাশেম। সভাপতিত্ব করেন বনানী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন।

বনানী থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মীর মশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান, ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান হাওলাদার, ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন সিদ্দিকী ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান দুলাল।