ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

‘পশ্চিমাদের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা আধিপত্যের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। লন্ডনে ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পরে, পশ্চিমা নেতৃত্বের জন্য এখন কী শেখার আছে?’ শীর্ষক বক্তৃতায় সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
ব্লেয়ারের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে বিশ্ব ইতিহাসের একটি বাঁক বদল বা মোড় পরিবর্তন হয়েছিল। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন আগের দু’টি ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা গেলেও এবার পশ্চিমারা স্পষ্টতই তখনকার মতো অবস্থানে নেই।

ব্রিটেনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে এতদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য দেখে আসলেও আমরা এখন সেটির সমাপ্তিতে আসছি।

ব্লেয়ার আরও বলেন, বিশ্ব কমপক্ষে দ্বি-মেরু এবং সম্ভবত বহু-মেরুভিত্তিক হতে চলেছে। এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন রাশিয়া নয় চীনের কাছ থেকেই আসবে।

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের দাবি, একটি পরাশক্তি হিসাবে চীনের স্থান স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত। এটি সোভিয়েত ইউনিয়ন নয়। ইউক্রেনের যুদ্ধ এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পশ্চিমারা আর চীনের ওপর নির্ভর করতে পারে না। পশ্চিমের উচিত চীনকে সামরিকভাবে ছাড়িয়ে যেতে না দেওয়া।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৯ সালে চীনের অর্থনীতি ছিল ইতালির চেয়েও ছোট। কিন্তু বিদেশী বিনিয়োগের জন্য দেশ উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং বাজার সংস্কার প্রবর্তনের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়ার হামলার প্রায় পাঁচ মাসে ইউক্রেনে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন। রয়টার্স বলছে, চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে পুতিনও চীনের সঙ্গে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ ঘোষণা দিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

‘পশ্চিমাদের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ’

আপডেট সময় ০৫:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জুলাই ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা আধিপত্যের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। লন্ডনে ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পরে, পশ্চিমা নেতৃত্বের জন্য এখন কী শেখার আছে?’ শীর্ষক বক্তৃতায় সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
ব্লেয়ারের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে বিশ্ব ইতিহাসের একটি বাঁক বদল বা মোড় পরিবর্তন হয়েছিল। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন আগের দু’টি ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা গেলেও এবার পশ্চিমারা স্পষ্টতই তখনকার মতো অবস্থানে নেই।

ব্রিটেনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে এতদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য দেখে আসলেও আমরা এখন সেটির সমাপ্তিতে আসছি।

ব্লেয়ার আরও বলেন, বিশ্ব কমপক্ষে দ্বি-মেরু এবং সম্ভবত বহু-মেরুভিত্তিক হতে চলেছে। এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন রাশিয়া নয় চীনের কাছ থেকেই আসবে।

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের দাবি, একটি পরাশক্তি হিসাবে চীনের স্থান স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত। এটি সোভিয়েত ইউনিয়ন নয়। ইউক্রেনের যুদ্ধ এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পশ্চিমারা আর চীনের ওপর নির্ভর করতে পারে না। পশ্চিমের উচিত চীনকে সামরিকভাবে ছাড়িয়ে যেতে না দেওয়া।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৯ সালে চীনের অর্থনীতি ছিল ইতালির চেয়েও ছোট। কিন্তু বিদেশী বিনিয়োগের জন্য দেশ উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং বাজার সংস্কার প্রবর্তনের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়ার হামলার প্রায় পাঁচ মাসে ইউক্রেনে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন। রয়টার্স বলছে, চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে পুতিনও চীনের সঙ্গে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ ঘোষণা দিয়েছেন।