আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী- আইআরজিসি কার্যকরভাবে কৌশলগত সমীকরণ বদলে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসি। গত সপ্তাহে শেষ হওয়া আইআরজিসির বিশাল সামরিক মহড়ার প্রশংসা করে তিনি একথা বলেন।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, শত্রুরা যদি কোনো ধরনের বৈরী পদক্ষেপ নেয় তাহলে তারা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ এবং চূড়ান্ত জবাব পাবে। ইরানের সামরিক বাহিনী কার্যকরভাবে কৌশলগত সমীকরণ বদলে দেবে।
ইরান এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে আইআরজিসি যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তার প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট রায়িসি। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। প্রেসিডেন্ট রায়িসি বলেন, আইআরজিসি সফলভাবে মহড়া পরিচালনার মাধ্যমে পরিষ্কারভাবে এই বার্তা দিয়েছে যে, ইরানের জনগণের স্বার্থ এবং নিরাপত্তা রক্ষার সক্ষমতা এবং ইচ্ছা দুটোই তাদের রয়েছে।
গত সোমবার থেকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান, বুশহর ও খুজেস্তান প্রদেশে আইআরজিসি’র বিভিন্ন শাখা মহানবী (স)-১৭ নামের যৌথ মহড়া শুরু করে এবং শুক্রবার তা শেষ হয়।
ইরানের প্রেস টিভি জানিয়েছে- মহড়ায় ইমাদ, কাদর, সিজ্জিল, যিলযাল ও জুলফিকার নামের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র শতভাগ নিখুঁতভাবে কাঙ্খিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং সেগুলো ধ্বংস করেছে। একই দিনে ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্সের দশটি কমব্যাট ড্রোন একসঙ্গে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছে এবং কাঙ্খিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে।
আইআরজিসি‘র সামরিক মহড়ায় একসঙ্গে ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে শত্রুর কল্পিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়।
আইআরজিসি ডেপুটি চিফ অফ অপেরেশন্স এবং এই মহড়ার মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্বাস নিলফোরুশান বলেছেন, তার বাহিনীর এই মহড়া ইহুদিবাদী ইসরাইলের জন্য সরাসরি সতর্ক বার্তা বহন করছে। পাশাপাশি ইরানের প্রতিবেশী এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য শান্তির বার্তা রয়েছে।
ইরান নিয়মিতভাবে এ ধরনের মহড়া চালায় যাতে দেশের যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নত হয়। তবে ইহুদিবাদী ইসরাইলের আগ্রাসনের হুমকির পর এবারের এ মহড়া চালানো হলো।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















