ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘যুদ্ধ বাঁধলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার মিসাইল আঘাত হানবে’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভবিষ্যতে যদি সর্বাত্মক যুদ্ধ বেঁধে গেলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

সেই সঙ্গে এ ধরনের যুদ্ধ মোকাবেলার জন্য ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন ওই জেনারেল। ইসরায়েলের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইজহাক ব্রিক এসব কথা বলেছেন।

সাবেক জেনারেল ব্রিক বলেন, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্যপট তৈরি হবে সিরিয়া, ইয়েমেন এবং ইরাকে তৎপর ইরানপন্থী গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর হামলা। এর পাশাপাশি থাকবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় তৎপর হামাস। এইসব গোষ্ঠী ইসরায়েল অভিমুখে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাবে এবং গড়ে প্রতিদিন ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তারা তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে।

এর আগেও জেনারেল ব্রিক বেশ কয়েকবার সতর্ক করে বলেছেন, বহু ফ্রন্টে একসাথে লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই ইসরায়েলি বাহিনী। গতমাসে জেনারেল ইজহাক ব্রিক সুস্পষ্ট করে বলেছিলেন, বাস্তবতা হচ্ছে- দিন দিন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা কমছে এবং এটি কোনও রাগের বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এটি বাস্তব সত্য যাকে উপেক্ষা করা ঠিক হবে না।

জেনারেল ব্রিক আরও বলেছিলেন, “নতুন একটি যুদ্ধ আমাদেরকে বহু বছর পিছিয়ে দেবে। আগের যুদ্ধগুলোতে আমরা যে ধরনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি, ভবিষ্যতের যুদ্ধে তুলনায় তা কিছুই না।”

এর আগে গত মে মাসে ইসরায়েলের এই সাবেক সামরিক কর্মকর্তা বলেছিলেন, যেকোনও যুদ্ধে বিমান বাহিনী ইসরায়েলের জন্য বিজয়ীর ভূমিকা রাখবে বলে যে বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল তা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল এবং গাজাভিত্তিক হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের ১১ দিনের যুদ্ধের অবসানের পর তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

ওই যুদ্ধে হামাস এবং ইসলামি জিহাদ আন্দোলন ইসরায়েল অভিমুখে চার হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল। এছাড়া, গাজা থেকে ড্রোন ব্যবহার করেও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘যুদ্ধ বাঁধলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার মিসাইল আঘাত হানবে’

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভবিষ্যতে যদি সর্বাত্মক যুদ্ধ বেঁধে গেলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

সেই সঙ্গে এ ধরনের যুদ্ধ মোকাবেলার জন্য ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন ওই জেনারেল। ইসরায়েলের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইজহাক ব্রিক এসব কথা বলেছেন।

সাবেক জেনারেল ব্রিক বলেন, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্যপট তৈরি হবে সিরিয়া, ইয়েমেন এবং ইরাকে তৎপর ইরানপন্থী গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর হামলা। এর পাশাপাশি থাকবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় তৎপর হামাস। এইসব গোষ্ঠী ইসরায়েল অভিমুখে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাবে এবং গড়ে প্রতিদিন ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তারা তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে।

এর আগেও জেনারেল ব্রিক বেশ কয়েকবার সতর্ক করে বলেছেন, বহু ফ্রন্টে একসাথে লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই ইসরায়েলি বাহিনী। গতমাসে জেনারেল ইজহাক ব্রিক সুস্পষ্ট করে বলেছিলেন, বাস্তবতা হচ্ছে- দিন দিন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা কমছে এবং এটি কোনও রাগের বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এটি বাস্তব সত্য যাকে উপেক্ষা করা ঠিক হবে না।

জেনারেল ব্রিক আরও বলেছিলেন, “নতুন একটি যুদ্ধ আমাদেরকে বহু বছর পিছিয়ে দেবে। আগের যুদ্ধগুলোতে আমরা যে ধরনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি, ভবিষ্যতের যুদ্ধে তুলনায় তা কিছুই না।”

এর আগে গত মে মাসে ইসরায়েলের এই সাবেক সামরিক কর্মকর্তা বলেছিলেন, যেকোনও যুদ্ধে বিমান বাহিনী ইসরায়েলের জন্য বিজয়ীর ভূমিকা রাখবে বলে যে বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল তা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল এবং গাজাভিত্তিক হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের ১১ দিনের যুদ্ধের অবসানের পর তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

ওই যুদ্ধে হামাস এবং ইসলামি জিহাদ আন্দোলন ইসরায়েল অভিমুখে চার হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল। এছাড়া, গাজা থেকে ড্রোন ব্যবহার করেও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানো হয়।