ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

‘যুদ্ধ বাঁধলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার মিসাইল আঘাত হানবে’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভবিষ্যতে যদি সর্বাত্মক যুদ্ধ বেঁধে গেলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

সেই সঙ্গে এ ধরনের যুদ্ধ মোকাবেলার জন্য ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন ওই জেনারেল। ইসরায়েলের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইজহাক ব্রিক এসব কথা বলেছেন।

সাবেক জেনারেল ব্রিক বলেন, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্যপট তৈরি হবে সিরিয়া, ইয়েমেন এবং ইরাকে তৎপর ইরানপন্থী গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর হামলা। এর পাশাপাশি থাকবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় তৎপর হামাস। এইসব গোষ্ঠী ইসরায়েল অভিমুখে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাবে এবং গড়ে প্রতিদিন ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তারা তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে।

এর আগেও জেনারেল ব্রিক বেশ কয়েকবার সতর্ক করে বলেছেন, বহু ফ্রন্টে একসাথে লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই ইসরায়েলি বাহিনী। গতমাসে জেনারেল ইজহাক ব্রিক সুস্পষ্ট করে বলেছিলেন, বাস্তবতা হচ্ছে- দিন দিন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা কমছে এবং এটি কোনও রাগের বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এটি বাস্তব সত্য যাকে উপেক্ষা করা ঠিক হবে না।

জেনারেল ব্রিক আরও বলেছিলেন, “নতুন একটি যুদ্ধ আমাদেরকে বহু বছর পিছিয়ে দেবে। আগের যুদ্ধগুলোতে আমরা যে ধরনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি, ভবিষ্যতের যুদ্ধে তুলনায় তা কিছুই না।”

এর আগে গত মে মাসে ইসরায়েলের এই সাবেক সামরিক কর্মকর্তা বলেছিলেন, যেকোনও যুদ্ধে বিমান বাহিনী ইসরায়েলের জন্য বিজয়ীর ভূমিকা রাখবে বলে যে বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল তা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল এবং গাজাভিত্তিক হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের ১১ দিনের যুদ্ধের অবসানের পর তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

ওই যুদ্ধে হামাস এবং ইসলামি জিহাদ আন্দোলন ইসরায়েল অভিমুখে চার হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল। এছাড়া, গাজা থেকে ড্রোন ব্যবহার করেও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

‘যুদ্ধ বাঁধলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার মিসাইল আঘাত হানবে’

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভবিষ্যতে যদি সর্বাত্মক যুদ্ধ বেঁধে গেলে ইসরায়েলে প্রতিদিন তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

সেই সঙ্গে এ ধরনের যুদ্ধ মোকাবেলার জন্য ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন ওই জেনারেল। ইসরায়েলের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইজহাক ব্রিক এসব কথা বলেছেন।

সাবেক জেনারেল ব্রিক বলেন, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্যপট তৈরি হবে সিরিয়া, ইয়েমেন এবং ইরাকে তৎপর ইরানপন্থী গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর হামলা। এর পাশাপাশি থাকবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় তৎপর হামাস। এইসব গোষ্ঠী ইসরায়েল অভিমুখে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাবে এবং গড়ে প্রতিদিন ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তারা তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে।

এর আগেও জেনারেল ব্রিক বেশ কয়েকবার সতর্ক করে বলেছেন, বহু ফ্রন্টে একসাথে লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই ইসরায়েলি বাহিনী। গতমাসে জেনারেল ইজহাক ব্রিক সুস্পষ্ট করে বলেছিলেন, বাস্তবতা হচ্ছে- দিন দিন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা কমছে এবং এটি কোনও রাগের বহিঃপ্রকাশ নয় বরং এটি বাস্তব সত্য যাকে উপেক্ষা করা ঠিক হবে না।

জেনারেল ব্রিক আরও বলেছিলেন, “নতুন একটি যুদ্ধ আমাদেরকে বহু বছর পিছিয়ে দেবে। আগের যুদ্ধগুলোতে আমরা যে ধরনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি, ভবিষ্যতের যুদ্ধে তুলনায় তা কিছুই না।”

এর আগে গত মে মাসে ইসরায়েলের এই সাবেক সামরিক কর্মকর্তা বলেছিলেন, যেকোনও যুদ্ধে বিমান বাহিনী ইসরায়েলের জন্য বিজয়ীর ভূমিকা রাখবে বলে যে বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল তা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল এবং গাজাভিত্তিক হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের ১১ দিনের যুদ্ধের অবসানের পর তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।

ওই যুদ্ধে হামাস এবং ইসলামি জিহাদ আন্দোলন ইসরায়েল অভিমুখে চার হাজার রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল। এছাড়া, গাজা থেকে ড্রোন ব্যবহার করেও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানো হয়।