ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

‘১৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ : ওয়াইসি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করা হচ্ছে ভারতে। দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। গত বুধবারের এমন ঘোষণায় মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়লেও ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছরই থাকছে। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন একাধিক নেতা। এর মধ্যে এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও রয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘একজন ১৮ বছর বয়সী মেয়ে যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারেন তাহলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মতে, ‘১৮ বছর বয়সে একটি মেয়ে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করতে পারেন।’

সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, ‘১৮ বছর বয়সে একজন মেয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, ব্যবসা শুরু করতে পারে, প্রধানমন্ত্রী-সাংসদ বিধায়ক নির্বাচন করতে পারেন। তাহলে জীবনসঙ্গী নয় কেন? আমি মনে করি যে ছেলেদেরও বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ করা উচিত।’

এর আগে, গত প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ করা হবে। এরপর এ বিষয়ে নীতি প্রয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। চলতি মাসে প্রতিবেদন জমা দেয় সেই টাস্কফোর্স। এতে বয়স বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে তারা। তারপরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়।

ভারতের টাস্ক ফোর্স জানিয়েছে, প্রথম গর্ভধারণের সময় একজন নারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। বিবাহের বয়সের নিম্নসীমা পরিবার, সমাজ এবং শিশুদের উপর একটি ইতিবাচক আর্থিক, সামাজিক এবং স্বাস্থ্যের প্রভাব ফেলবে বলে সমর্থকরা জানান।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতের মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাসের পর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন আনবে ভারত সরকার। ভারতীয় সংসদে সেটি পাস হলেই চালু হবে নতুন ব্যবস্থা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

‘১৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ : ওয়াইসি

আপডেট সময় ১১:৫১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করা হচ্ছে ভারতে। দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। গত বুধবারের এমন ঘোষণায় মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়লেও ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছরই থাকছে। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন একাধিক নেতা। এর মধ্যে এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও রয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘একজন ১৮ বছর বয়সী মেয়ে যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারেন তাহলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মতে, ‘১৮ বছর বয়সে একটি মেয়ে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করতে পারেন।’

সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, ‘১৮ বছর বয়সে একজন মেয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, ব্যবসা শুরু করতে পারে, প্রধানমন্ত্রী-সাংসদ বিধায়ক নির্বাচন করতে পারেন। তাহলে জীবনসঙ্গী নয় কেন? আমি মনে করি যে ছেলেদেরও বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ করা উচিত।’

এর আগে, গত প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ করা হবে। এরপর এ বিষয়ে নীতি প্রয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। চলতি মাসে প্রতিবেদন জমা দেয় সেই টাস্কফোর্স। এতে বয়স বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে তারা। তারপরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়।

ভারতের টাস্ক ফোর্স জানিয়েছে, প্রথম গর্ভধারণের সময় একজন নারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। বিবাহের বয়সের নিম্নসীমা পরিবার, সমাজ এবং শিশুদের উপর একটি ইতিবাচক আর্থিক, সামাজিক এবং স্বাস্থ্যের প্রভাব ফেলবে বলে সমর্থকরা জানান।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতের মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাসের পর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন আনবে ভারত সরকার। ভারতীয় সংসদে সেটি পাস হলেই চালু হবে নতুন ব্যবস্থা।