ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

সঠিকভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করলেই দেশ এগোবে: শিক্ষামন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশকে ব্র্যান্ডিং করতে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটা সময়ে এসে পৌঁছেছি, যখন দেশের জন্য সবারই কিছু করণীয় আছে। দেশের ব্র্যান্ডিং করতে হবে। সারা বিশ্বে দেশটি কী পরিচয়ে পরিচিত হবে, তা নির্ভর করবে আমরা আমাদের কাজটা কতটা এগিয়ে নিতে পারছি তার ওপর।’

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সিলভার জুবিলি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পূর্বসূরিরা স্বদেশি আন্দোলন করেছেন, মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে রক্ত দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। মা-বোনকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য সামরিক স্বৈরশাসন, অসামরিক স্বৈরশাসনসহ নানারকম স্বৈরশাসনের যাতাকলে পিষ্ট হতে হয়েছে আমাদের। গণতন্ত্র আনতে গিয়ে সতীর্থরা অনেক রক্ত দিয়েছেন। কিন্তু এখন এমন একটি জায়গায় আমরা পৌঁছেছি, হয়তোবা আমাদের আর রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই, কারাবরণ করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু অনেক অভিষ্ট লক্ষ্য আমাদের রয়েছে।’

দেশের সবার প্রতি অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২১ সালের অভিষ্ট লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাতে পেরেছি। কিন্তু ২০৩০ সালের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি-টেকসাই উন্নয়ন লক্ষ্য আমাদের রয়েছে, তা পূরণ করতে হবে। ডেমোগ্রাফিক ডিবিডেন্ট অর্জন করার জন্য আমাদের সামনে ২০৩১ সাল পর্যন্ত সময় রয়েছে মাত্র ১০ বছর। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যেসব অভিষ্ট লক্ষ্য আছে সেগুলো অর্জন করতে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের এখন প্রয়োজন যে যেখানে আছি যেখানে সততা আন্তরিকতা, মানবিকতা নিয়ে নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যেতে হবে। তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার অভিষ্ট লক্ষ্যে আমরা পৌঁছে যাবো। পথ দেখানোই আছে, সেই পথে যেন হাঁটি। নিজের সঙ্গে, দেশের সঙ্গে যেন বিশ্বস্ত থাকি।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিদেশে রয়েছেন, বিশ্ব তাদের আচরণ, চলন-বলন, কথা, আচরণ দিয়ে বাংলাদেশকে চেনে। কোন বাংলাদেশটাকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে, এটি তাদেরই ঠিক করতে হবে। আমরা কোন বাংলাদেশ দেখতে চাই—সেই স্বপ্নটাকে সামনে রেখে যেন আমরা তা করি। আমরা যেন কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠতে পারি। ’

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ তালুকদারসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

সঠিকভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করলেই দেশ এগোবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:২৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশকে ব্র্যান্ডিং করতে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটা সময়ে এসে পৌঁছেছি, যখন দেশের জন্য সবারই কিছু করণীয় আছে। দেশের ব্র্যান্ডিং করতে হবে। সারা বিশ্বে দেশটি কী পরিচয়ে পরিচিত হবে, তা নির্ভর করবে আমরা আমাদের কাজটা কতটা এগিয়ে নিতে পারছি তার ওপর।’

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সিলভার জুবিলি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পূর্বসূরিরা স্বদেশি আন্দোলন করেছেন, মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে রক্ত দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। মা-বোনকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য সামরিক স্বৈরশাসন, অসামরিক স্বৈরশাসনসহ নানারকম স্বৈরশাসনের যাতাকলে পিষ্ট হতে হয়েছে আমাদের। গণতন্ত্র আনতে গিয়ে সতীর্থরা অনেক রক্ত দিয়েছেন। কিন্তু এখন এমন একটি জায়গায় আমরা পৌঁছেছি, হয়তোবা আমাদের আর রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই, কারাবরণ করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু অনেক অভিষ্ট লক্ষ্য আমাদের রয়েছে।’

দেশের সবার প্রতি অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২১ সালের অভিষ্ট লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাতে পেরেছি। কিন্তু ২০৩০ সালের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি-টেকসাই উন্নয়ন লক্ষ্য আমাদের রয়েছে, তা পূরণ করতে হবে। ডেমোগ্রাফিক ডিবিডেন্ট অর্জন করার জন্য আমাদের সামনে ২০৩১ সাল পর্যন্ত সময় রয়েছে মাত্র ১০ বছর। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যেসব অভিষ্ট লক্ষ্য আছে সেগুলো অর্জন করতে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের এখন প্রয়োজন যে যেখানে আছি যেখানে সততা আন্তরিকতা, মানবিকতা নিয়ে নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যেতে হবে। তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার অভিষ্ট লক্ষ্যে আমরা পৌঁছে যাবো। পথ দেখানোই আছে, সেই পথে যেন হাঁটি। নিজের সঙ্গে, দেশের সঙ্গে যেন বিশ্বস্ত থাকি।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিদেশে রয়েছেন, বিশ্ব তাদের আচরণ, চলন-বলন, কথা, আচরণ দিয়ে বাংলাদেশকে চেনে। কোন বাংলাদেশটাকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে, এটি তাদেরই ঠিক করতে হবে। আমরা কোন বাংলাদেশ দেখতে চাই—সেই স্বপ্নটাকে সামনে রেখে যেন আমরা তা করি। আমরা যেন কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠতে পারি। ’

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ তালুকদারসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।