ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশি আহাদকে খুঁজছে মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন ভঙ্গ ও কোম্পানি খুলে দুর্নীতি করার অভিযোগে ৪৯ বছর বয়সী আবদুল আহাদ খান নামের এক বাংলাদেশির বিষয়ে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন বিভাগ। স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় গণমাধ্যমসহ মালয়েশিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে আহাদের খোঁজ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়াও মালয়েশিয়ার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অফিসিয়াল পেজে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, দেশটির তেরেঙ্গানু উমনো লিয়াজোঁ কমিটির চেয়ারম্যান দাতুক সেরি আহমেদ সাইদ কর্তৃপক্ষকে একজন বাংলাদেশির বিষয়ে তদন্ত করতে বলেছিলেন, যিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ফেস মাস্ক উৎপাদন প্রকল্পের সাথে সম্পর্কিত বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধে অভিযুক্ত।

আবদুল আহাদ খানের পাসপোর্ট নাম্বারঃ EE0016735 এবং তার সর্বশেষ মালয়েশিয়ার ঠিকানা ১৫০-৩-৬ নম্বর, ভিলা ফ্লোরা কন্ডোমিনিয়াম, টিটিডি, কুয়ালালামপুর।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আহাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনও তথ্য জানা থাকলে সরাসরি তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর আথিকা আজিজের সাথে ০১৭৩ ৪৩২৯২৩/ ০৯-৬৩০১৯২০ অথবা nurathikah@sprm.gov.my ইমেইলে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রণজিৎ রয় নামে আহাদেরর আরও একটি পাসপোর্ট রয়েছে, যার পাসপোর্ট নাম্বারঃ BW0862531।
এর আগে, আহাদ নেদারল্যান্ড থাকা অবস্থায় কালো তালিকাভুক্ত হয় এবং তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। এরপর ২০১৮ সালে আবদুল আহাদ খান নামে আরও একটি পাসপোর্ট বানিয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে সে। সেখানে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সাথে ব্যবসায়িক পার্টনার হয়ে লক্ষ লক্ষ রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ান মুদ্রা) হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশি আহাদকে খুঁজছে মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন

আপডেট সময় ০৫:১৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন ভঙ্গ ও কোম্পানি খুলে দুর্নীতি করার অভিযোগে ৪৯ বছর বয়সী আবদুল আহাদ খান নামের এক বাংলাদেশির বিষয়ে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন বিভাগ। স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় গণমাধ্যমসহ মালয়েশিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে আহাদের খোঁজ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়াও মালয়েশিয়ার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অফিসিয়াল পেজে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, দেশটির তেরেঙ্গানু উমনো লিয়াজোঁ কমিটির চেয়ারম্যান দাতুক সেরি আহমেদ সাইদ কর্তৃপক্ষকে একজন বাংলাদেশির বিষয়ে তদন্ত করতে বলেছিলেন, যিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ফেস মাস্ক উৎপাদন প্রকল্পের সাথে সম্পর্কিত বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধে অভিযুক্ত।

আবদুল আহাদ খানের পাসপোর্ট নাম্বারঃ EE0016735 এবং তার সর্বশেষ মালয়েশিয়ার ঠিকানা ১৫০-৩-৬ নম্বর, ভিলা ফ্লোরা কন্ডোমিনিয়াম, টিটিডি, কুয়ালালামপুর।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আহাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনও তথ্য জানা থাকলে সরাসরি তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর আথিকা আজিজের সাথে ০১৭৩ ৪৩২৯২৩/ ০৯-৬৩০১৯২০ অথবা nurathikah@sprm.gov.my ইমেইলে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রণজিৎ রয় নামে আহাদেরর আরও একটি পাসপোর্ট রয়েছে, যার পাসপোর্ট নাম্বারঃ BW0862531।
এর আগে, আহাদ নেদারল্যান্ড থাকা অবস্থায় কালো তালিকাভুক্ত হয় এবং তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। এরপর ২০১৮ সালে আবদুল আহাদ খান নামে আরও একটি পাসপোর্ট বানিয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে সে। সেখানে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সাথে ব্যবসায়িক পার্টনার হয়ে লক্ষ লক্ষ রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ান মুদ্রা) হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।