ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পৌঁছে দিবেন তারেক রহমান: আব্দুস সালাম আমিও আ.লীগের দায়িত্ব নিয়ে নিলাম: নুর ব্যবহৃত মোবাইল কেনাবেচায় নতুন নিয়ম, সতর্ক করল বিটিআরসি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অর্থ বরাদ্দে সরকার কার্পণ্য করছে না : অর্থ উপদেষ্টা ‘জনগণ জানে চুলার মুখ দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না: মির্জা আব্বাস

ইসি গঠনে আগামী সপ্তাহে সংলাপে বসছেন রাষ্ট্রপতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেয়াদ শেষ হয়ে আসা নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। আগামী সপ্তাহের রবি বা সোমবার থেকে সেই সংলাপ শুরু হবে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসসকে এই তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য, শক্তিশালী ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আগামী রবিবার অথবা সোমবারই আলোচনায় বসছেন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রথম আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।’

জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩১টি দলের সঙ্গেই আলোচনা হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সংলাপ শেষ করার প্রস্তুতি রয়েছে। এজন্য একদিনে একাধিক দলের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে এবং এটা নিয়ে কাজ করছে বঙ্গভবন।’

সংলাপের মাঝামাঝি পর্যায়ে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে বলে জানান রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে। এই সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নতুন কমিশন গঠন করবেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

দেশে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলি-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।’

সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রপতি সব সময় সিইসি ও ইসি নিয়োগ দিলেও ২০১২ সালে কমিশন হয় সার্চ কমিটির মাধ্যমে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে ২০১২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান একটি সার্চ কমিটি গঠন করেন। তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেন নতুন কমিশনের সদস্যদের। এরপর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদও একই পদ্ধতি অনুসরণ করেন। তবে ২০১২ সালে চার সদস্যের সার্চ কমিটির পরিবর্তে ২০১৭ সালে ছয় সদস্যের কমিটি করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। ওই কমিটিতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে নেওয়া হয়েছিল।

২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সার্চ কমিটির সুপারিশের আলোকে বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন এ কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। সেই হিসাবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে প্রথমবারের মতো সফল ‘পেকটাস ও ইটিএস’ সমন্বিত অস্ত্রোপচার

ইসি গঠনে আগামী সপ্তাহে সংলাপে বসছেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেয়াদ শেষ হয়ে আসা নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। আগামী সপ্তাহের রবি বা সোমবার থেকে সেই সংলাপ শুরু হবে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসসকে এই তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য, শক্তিশালী ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আগামী রবিবার অথবা সোমবারই আলোচনায় বসছেন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে প্রথম আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।’

জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩১টি দলের সঙ্গেই আলোচনা হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সংলাপ শেষ করার প্রস্তুতি রয়েছে। এজন্য একদিনে একাধিক দলের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে এবং এটা নিয়ে কাজ করছে বঙ্গভবন।’

সংলাপের মাঝামাঝি পর্যায়ে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে বলে জানান রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে। এই সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নতুন কমিশন গঠন করবেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

দেশে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলি-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।’

সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রপতি সব সময় সিইসি ও ইসি নিয়োগ দিলেও ২০১২ সালে কমিশন হয় সার্চ কমিটির মাধ্যমে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে ২০১২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান একটি সার্চ কমিটি গঠন করেন। তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেন নতুন কমিশনের সদস্যদের। এরপর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদও একই পদ্ধতি অনুসরণ করেন। তবে ২০১২ সালে চার সদস্যের সার্চ কমিটির পরিবর্তে ২০১৭ সালে ছয় সদস্যের কমিটি করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। ওই কমিটিতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে নেওয়া হয়েছিল।

২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সার্চ কমিটির সুপারিশের আলোকে বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন এ কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। সেই হিসাবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হবে।