ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

ফাইভ-জি যুগে বাংলাদেশ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো ফাইভ-জি সেবা। ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে ও দেশের সব গ্রাহক যেন পঞ্চম প্রজন্মের (ফাইভ-জি) মোবাইল প্রযুক্তির অত্যাধুনিক সুবিধা উপভোগ করতে পারে, সেজন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে এই সেবা চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রীয় টেলিকম অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ পরীক্ষামূলকভাবে দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।

রোববার রাতে রাজধানীর রেডিসন হোটেলে ‘নিউ ইরা উইথ ৫ জি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে এ সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র ও তার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াাজেদ জয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সজীব ওয়াাজেদ জয় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি সেবার উন্মোচন করেন। নতুন ফাইভ-জি সেবা উদ্বোধন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ্ এমপি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. সাহাব উদ্দিন। এ ছাড়া হুয়াওয়ের পক্ষে কোম্পানিটির আঞ্চলিক প্রধান সিমন লিন ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাং ঝেংজুন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

প্রাথমিকভাবে হুয়াওয়ে ও নোকিয়ার সহযোগিতায় ছয়টি সাইটে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়। সাইটগুলো যেসব এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সেগুলো হলো- বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল।

পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায়ে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হবে। আগামী বছরের মধ্যে টেলিটকের ২০০টি সাইটে ফাইভ-জি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফাইভ-জি সাপোর্টেড স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফাইভ-জি সেবা ব্যবহার করা যাবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের সিম পরিবর্তন করতে হবে না।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা ফাইভ-জি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট গতি, অতি স্বল্প ল্যাটেন্সি, ভার্চুয়াল বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি সার্ভিসগুলোর ওপর অভিজ্ঞতা নেন। ফোর-জি সেবার তুলনায় ফাইভ-জির গতি প্রায় ২০ গুণ বাড়বে এবং ল্যাটেন্সি ১০ ভাগের ১ ভাগে কমে আসবে। ফাইভ-জি সেবা দেওয়ার জন্য টেলিটক বিটিআরসি থেকে ৬০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

ফাইভ-জি যুগে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১০:৫২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো ফাইভ-জি সেবা। ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে ও দেশের সব গ্রাহক যেন পঞ্চম প্রজন্মের (ফাইভ-জি) মোবাইল প্রযুক্তির অত্যাধুনিক সুবিধা উপভোগ করতে পারে, সেজন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে এই সেবা চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রীয় টেলিকম অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ পরীক্ষামূলকভাবে দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।

রোববার রাতে রাজধানীর রেডিসন হোটেলে ‘নিউ ইরা উইথ ৫ জি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে এ সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র ও তার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াাজেদ জয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সজীব ওয়াাজেদ জয় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি সেবার উন্মোচন করেন। নতুন ফাইভ-জি সেবা উদ্বোধন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ্ এমপি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. সাহাব উদ্দিন। এ ছাড়া হুয়াওয়ের পক্ষে কোম্পানিটির আঞ্চলিক প্রধান সিমন লিন ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাং ঝেংজুন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

প্রাথমিকভাবে হুয়াওয়ে ও নোকিয়ার সহযোগিতায় ছয়টি সাইটে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়। সাইটগুলো যেসব এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সেগুলো হলো- বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল।

পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায়ে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হবে। আগামী বছরের মধ্যে টেলিটকের ২০০টি সাইটে ফাইভ-জি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফাইভ-জি সাপোর্টেড স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফাইভ-জি সেবা ব্যবহার করা যাবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের সিম পরিবর্তন করতে হবে না।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা ফাইভ-জি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট গতি, অতি স্বল্প ল্যাটেন্সি, ভার্চুয়াল বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি সার্ভিসগুলোর ওপর অভিজ্ঞতা নেন। ফোর-জি সেবার তুলনায় ফাইভ-জির গতি প্রায় ২০ গুণ বাড়বে এবং ল্যাটেন্সি ১০ ভাগের ১ ভাগে কমে আসবে। ফাইভ-জি সেবা দেওয়ার জন্য টেলিটক বিটিআরসি থেকে ৬০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে।