ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

‘ভাবি’ পরিচয়ে নারীকণ্ঠই তার মূল অস্ত্র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানের স্ত্রী সেজে ফোন করেন অধস্তন কর্মীদের। স্বল্প সময়ের জন্য টাকা ধার চাইতেন তিনি। একই অপরাধে ১০ মাস জেলে কাটিয়ে আবারও আগের পেশায় জড়িয়েছেন তিনি। পুরুষ হয়েও অবিকল নারীকণ্ঠে কথা বলতে পারায় তাকে দেখে অবাক গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। কোনোরকম প্রযুক্তির সহায়তা ছাড়াই এমনটা করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল অংকের টাকা। ভাবি পরিচয়ে নারীকণ্ঠই তার মূল অস্ত্র। এই যুবকের নাম মেহেদী হাসান। বাড়ি টাঙ্গাইল।

প্রতারণার অভিযোগে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নারী ভেবে তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুরুষ দেখে অবাক হয়েছেন ডিবি পুলিশের সদস্যরাও।

গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বলেছে, সরাসরি না দেখে কণ্ঠ শুনলে তাকে ভাবি হিসেবে যে কেউ ধরে নেবেন তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। প্রতারণার পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সর্ম্পকে খোঁজ খবর নিতেন মেহেদী হাসান। সংগ্রহ করতেন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধস্তন কর্মীদের মোবাইল ফোন নম্বর। পরে ফোন করে ভাবি পরিচয়ে টাকা ধার চাইতেন। পরিচয় যাচাই না করে অনেকেই টাকা দিয়ে দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে একই অপরাধে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। ১০ মাস জেল খাটার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও সেই পুরানো কায়দায় শুরু করেছিলেন প্রতারণা। এর আগে তিনি সিলিং মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। প্রথম প্রথম বন্ধুদের সঙ্গে নারীকণ্ঠে কথা বলে বোকা বানাতেন। পরে রপ্ত করা এ বিদ্যা কাজে লাগাতে শুরু করেন প্রতারণার কাজে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যাকে ফোন দিচ্ছে টাকা ধার নেওয়ার জন্য তারা সতর্ক হন। যখন সচিবের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে, তখন সেই মন্ত্রণালয়ের খোঁজখবর নেন। সচিবের স্ত্রী পরিচয় পেলে আপনারা টাকা পাঠিয়ে দেন তাহলে তো আপনার প্রতারক চক্রের কবলে পড়বেনই। যাচাই করার পরামর্শ রইল।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘ভাবি’ পরিচয়ে নারীকণ্ঠই তার মূল অস্ত্র

আপডেট সময় ০৫:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানের স্ত্রী সেজে ফোন করেন অধস্তন কর্মীদের। স্বল্প সময়ের জন্য টাকা ধার চাইতেন তিনি। একই অপরাধে ১০ মাস জেলে কাটিয়ে আবারও আগের পেশায় জড়িয়েছেন তিনি। পুরুষ হয়েও অবিকল নারীকণ্ঠে কথা বলতে পারায় তাকে দেখে অবাক গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। কোনোরকম প্রযুক্তির সহায়তা ছাড়াই এমনটা করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল অংকের টাকা। ভাবি পরিচয়ে নারীকণ্ঠই তার মূল অস্ত্র। এই যুবকের নাম মেহেদী হাসান। বাড়ি টাঙ্গাইল।

প্রতারণার অভিযোগে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নারী ভেবে তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুরুষ দেখে অবাক হয়েছেন ডিবি পুলিশের সদস্যরাও।

গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বলেছে, সরাসরি না দেখে কণ্ঠ শুনলে তাকে ভাবি হিসেবে যে কেউ ধরে নেবেন তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। প্রতারণার পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সর্ম্পকে খোঁজ খবর নিতেন মেহেদী হাসান। সংগ্রহ করতেন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধস্তন কর্মীদের মোবাইল ফোন নম্বর। পরে ফোন করে ভাবি পরিচয়ে টাকা ধার চাইতেন। পরিচয় যাচাই না করে অনেকেই টাকা দিয়ে দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে একই অপরাধে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। ১০ মাস জেল খাটার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও সেই পুরানো কায়দায় শুরু করেছিলেন প্রতারণা। এর আগে তিনি সিলিং মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। প্রথম প্রথম বন্ধুদের সঙ্গে নারীকণ্ঠে কথা বলে বোকা বানাতেন। পরে রপ্ত করা এ বিদ্যা কাজে লাগাতে শুরু করেন প্রতারণার কাজে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যাকে ফোন দিচ্ছে টাকা ধার নেওয়ার জন্য তারা সতর্ক হন। যখন সচিবের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে, তখন সেই মন্ত্রণালয়ের খোঁজখবর নেন। সচিবের স্ত্রী পরিচয় পেলে আপনারা টাকা পাঠিয়ে দেন তাহলে তো আপনার প্রতারক চক্রের কবলে পড়বেনই। যাচাই করার পরামর্শ রইল।’