ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ২৪ হাজার মেগাওয়াট: নসরুল হামিদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৮২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে এবং ২০০৯ সালের পূর্বে ৪৭ শতাংশের স্থলে বর্তমানে ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে, যা বিগত বিএনপি-জামায়াত আমলের চেয়ে তিন গুণ বেশি।

বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ভিশন হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা।’

তিনি বলেন, সর্বস্তরের জনগণ বিশেষ করে দরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক মাস্টার-প্ল্যান বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

নসরুল বলেন, ‘বর্তমানে পাওয়ার প্ল্যান্টের সংখ্যা ১১১টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে (ক্যাপটিভসহ) উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে মাত্র ২৭টি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল।’

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানির চাহিদা মেটানোর জন্য তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৫ সেপ্টেম্বর আমরা কাতারের রাসগ্যাসের সঙ্গে ১৫ বছরে বার্ষিক ২.৫ মিলিয়ন টন পর্যন্ত এলএনজি আমদানির জন্য দীর্ঘমেয়াদী ‘এলএনজি সেল্স অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি ব্যবহার করা হবে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে দেশের মধ্যাঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণের উদ্দেশ্যে ভূমিতে এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি বছরে ৭.৫ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি এফএসআরইউ (ফ্লটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) নির্মাণের কাজ চলছে। একটি এলএনজিভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ২৪ হাজার মেগাওয়াট: নসরুল হামিদ

আপডেট সময় ০৯:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৮২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে এবং ২০০৯ সালের পূর্বে ৪৭ শতাংশের স্থলে বর্তমানে ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে, যা বিগত বিএনপি-জামায়াত আমলের চেয়ে তিন গুণ বেশি।

বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ভিশন হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা।’

তিনি বলেন, সর্বস্তরের জনগণ বিশেষ করে দরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক মাস্টার-প্ল্যান বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

নসরুল বলেন, ‘বর্তমানে পাওয়ার প্ল্যান্টের সংখ্যা ১১১টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে (ক্যাপটিভসহ) উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে মাত্র ২৭টি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল।’

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানির চাহিদা মেটানোর জন্য তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৫ সেপ্টেম্বর আমরা কাতারের রাসগ্যাসের সঙ্গে ১৫ বছরে বার্ষিক ২.৫ মিলিয়ন টন পর্যন্ত এলএনজি আমদানির জন্য দীর্ঘমেয়াদী ‘এলএনজি সেল্স অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি ব্যবহার করা হবে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে দেশের মধ্যাঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণের উদ্দেশ্যে ভূমিতে এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি বছরে ৭.৫ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি এফএসআরইউ (ফ্লটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) নির্মাণের কাজ চলছে। একটি এলএনজিভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।