ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

এখন আমি খুবই অনুতপ্ত: কাদের মির্জা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, রাজনীতিতে আমার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল আমি আমার বড়ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছি। তিনি পুরো দেশের জন্য গর্ব, তার সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা অনেক বেশি। এ কারণে আমি এখন খুবই অনুতপ্ত। আমার এভাবে কথাগুলো বলা ঠিক হয়নি।

কাদের মির্জা মঙ্গলবার রাত ৮টায় তার ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ‘সত্যবচনের সফলতা ও ব্যর্থতার’ এক বছর পূর্তিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র কাদের মির্জা আরও বলেন, আমার সত্যদাবী ও কথাগুলোর মধ্যে ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। গত ৩১ ডিসেম্বর আমার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় প্রসঙ্গক্রমে নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতা একরামুল করিম চৌধুরী এমপির মতো লোকদের বিরুদ্ধে অবাধ নির্বাচন হলে এরা দজ্জা তোয়াই পাইতো ন (এরা দরজা খুঁজে পাবে না) বলেছিলাম। নির্বাচনকালীন সব অনিয়মের কথা বলার কারণে আমি আমার নির্বাচনে গৌরবের সাথে সফল হয়েছি।

তিনি বলেন, আমার এসব কথার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একরামুল করিম চৌধুরী এমপি। তার (এমপি একরামুল করিম চৌধুরী) সব অনিয়ম, দুর্নীতির কথা বলার কারণে তাকে নোয়াখালী জেলা সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা আমার চূড়ান্ত বিজয় না হলেও প্রাথমিক বিজয় হয়েছে। কিন্তু দল ও সরকারি সব সেক্টরে তার (এমপি একরামুল করিম চৌধুরী) ‘মাই ম্যান সেট আপ’ রয়ে গেছে। নোয়াখালীর বর্তমান (আহ্বায়ক কমিটি) নেতৃত্ব দিয়ে সফলভাবে এ জেলা থেকে অপরাজনীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিতাড়িত করা হবে বলে আমি আশা করি।

মেয়র কাদের মির্জা ক্ষোভ ও দুঃখের সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে এমন কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নেই যা দুর্নীতিমুক্ত। দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত বিভাগ হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। আমলাদের দুর্নীতি এত বেশি বেড়েছে যে, আমি বলার কারণে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ সচিব বেলায়েতকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেশ থেকে একচুলও দুর্নীতি কমে যায়নি।

কাদের মির্জা বলেন, জিয়াউর রহমান ভোট ও নির্বাচনের পদ্ধতি নষ্ট করে দিয়েছিল। শেখ হাসিনা জনগণের সব অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ ভোটাধিকারও প্রতিষ্ঠা করেছেন। জিয়াউর রহমানের সময়ে মানুষের ভোটাধিকার নষ্ট করা হয়েছিল। তারা আবার (বিএনপি) ভোটাধিকারের কথা বলে। বিএনপির নেতৃত্ববিহীন আন্দোলন অতীতেও সফল হয়নি, এখনো হবে না।

তিনি বলেন, দেশ এখন সংসদীয় পদ্ধতিতে চলছে, প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনা ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন। দেশের যে কোনো সংসদীয় আসনেও তিনি নির্বাচন করলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। যতদিন বেঁচে থাকব, সাহস করে সত্য কথা বলব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলেই যাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

এখন আমি খুবই অনুতপ্ত: কাদের মির্জা

আপডেট সময় ১১:০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, রাজনীতিতে আমার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল আমি আমার বড়ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছি। তিনি পুরো দেশের জন্য গর্ব, তার সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা অনেক বেশি। এ কারণে আমি এখন খুবই অনুতপ্ত। আমার এভাবে কথাগুলো বলা ঠিক হয়নি।

কাদের মির্জা মঙ্গলবার রাত ৮টায় তার ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ‘সত্যবচনের সফলতা ও ব্যর্থতার’ এক বছর পূর্তিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র কাদের মির্জা আরও বলেন, আমার সত্যদাবী ও কথাগুলোর মধ্যে ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। গত ৩১ ডিসেম্বর আমার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় প্রসঙ্গক্রমে নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতা একরামুল করিম চৌধুরী এমপির মতো লোকদের বিরুদ্ধে অবাধ নির্বাচন হলে এরা দজ্জা তোয়াই পাইতো ন (এরা দরজা খুঁজে পাবে না) বলেছিলাম। নির্বাচনকালীন সব অনিয়মের কথা বলার কারণে আমি আমার নির্বাচনে গৌরবের সাথে সফল হয়েছি।

তিনি বলেন, আমার এসব কথার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একরামুল করিম চৌধুরী এমপি। তার (এমপি একরামুল করিম চৌধুরী) সব অনিয়ম, দুর্নীতির কথা বলার কারণে তাকে নোয়াখালী জেলা সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা আমার চূড়ান্ত বিজয় না হলেও প্রাথমিক বিজয় হয়েছে। কিন্তু দল ও সরকারি সব সেক্টরে তার (এমপি একরামুল করিম চৌধুরী) ‘মাই ম্যান সেট আপ’ রয়ে গেছে। নোয়াখালীর বর্তমান (আহ্বায়ক কমিটি) নেতৃত্ব দিয়ে সফলভাবে এ জেলা থেকে অপরাজনীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিতাড়িত করা হবে বলে আমি আশা করি।

মেয়র কাদের মির্জা ক্ষোভ ও দুঃখের সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে এমন কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নেই যা দুর্নীতিমুক্ত। দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত বিভাগ হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। আমলাদের দুর্নীতি এত বেশি বেড়েছে যে, আমি বলার কারণে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ সচিব বেলায়েতকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেশ থেকে একচুলও দুর্নীতি কমে যায়নি।

কাদের মির্জা বলেন, জিয়াউর রহমান ভোট ও নির্বাচনের পদ্ধতি নষ্ট করে দিয়েছিল। শেখ হাসিনা জনগণের সব অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ ভোটাধিকারও প্রতিষ্ঠা করেছেন। জিয়াউর রহমানের সময়ে মানুষের ভোটাধিকার নষ্ট করা হয়েছিল। তারা আবার (বিএনপি) ভোটাধিকারের কথা বলে। বিএনপির নেতৃত্ববিহীন আন্দোলন অতীতেও সফল হয়নি, এখনো হবে না।

তিনি বলেন, দেশ এখন সংসদীয় পদ্ধতিতে চলছে, প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনা ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন। দেশের যে কোনো সংসদীয় আসনেও তিনি নির্বাচন করলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। যতদিন বেঁচে থাকব, সাহস করে সত্য কথা বলব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলেই যাব।