ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন করে চোর-দুর্নীতিবাজদের জন্ম হতে দেব না,মেহেরবানী করে একবার সুযোগ দিন: জামায়াত আমির ৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সংঘর্ষ, ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ভারতের যেকোনো উসকানির জবাব দৃঢ়ভাবে দেবে পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা ৯ম পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের সমাবেশ সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল বাংলাদেশও শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না: দ্য উইককে ফখরুল মুন্সীগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রলির নিচে ঢুকে পড়ল বাইক, তিন বন্ধু নিহত বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি গায়েব; ঠিকাদার গনি টোটন আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি নথিসহ একটি ফাইল হারানোর ঘটনায় ঠিকাদার নাসিমুল গনি টোটনকে আটক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার রাতে রাজশাহী নগরীর কেশবপুরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোয় সরঞ্জামাদি সরবরাহের ঠিকাদার নাসিমুল গনি টোটনকে আটক করা হয়। পরে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেয় সিআইডি।

নাসিমুল গনি টোটন স্বাস্থ্য বিভাগের তালিকাভুক্ত একজন ঠিকাদার। তার বাসা রাজশাহী নগরীর কেশবপুরের ভেড়িপাড়ায়।
এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি চুরির ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মচারীকে হেফাজতে নিয়ে দুই দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি।

ছয় কর্মচারী হলেন, জোসেফ সরদার, আয়শা সিদ্দিকা, বাদল, বারী, মিন্টু ও ফয়সাল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সচিবালয়ে গিয়ে ৩ নম্বর ভবনের নিচতলার ২৪ নম্বর কক্ষ থেকে আলামত সংগ্রহ করেন সিআইডির সদস্যরা।

সংস্থাটির ক্রাইম সিন ইউনিটের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ের অনেকের আঙুলের ছাপ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জোসেফ ও আয়শার কাছে আলমারির চাবি থাকত বলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন।

এদিকে, মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মচারীকে গ্রেফতার দেখানো হবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি সিআইডি কর্মকর্তারা। ওই ছয়জনসহ ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর আঙুলের ছাপ নিয়েছে তদন্ত সংস্থাটি।

সিআইডির তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই কয়েকজন ফাইল চুরির সঙ্গে জড়িত বলে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

গতকাল সোমবার সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন বলেন, এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত থাকতে পারে তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ না কেউ এতে জড়িত থাকতে পারে। কারণ বাইরে থেকে কারও পক্ষে ওই কক্ষে প্রবেশ করার সুযোগ নেই।

জানা জানায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে ১৭টি নথি খোয়া যাওয়ার জায়গা সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। সিআইডি সেই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেও কিছু তথ্য পেয়েছে। তবে ফুটেজে কাদের দেখা গেছে, সে বিষয়ে সিআইডি কিছু জানায়নি।

গত ২৮ অক্টোবর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের উপসচিব নাদির হায়দার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এতে সচিবালয়ের নিচতলার স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের একটি কক্ষ থেকে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নতুন করে চোর-দুর্নীতিবাজদের জন্ম হতে দেব না,মেহেরবানী করে একবার সুযোগ দিন: জামায়াত আমির

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি গায়েব; ঠিকাদার গনি টোটন আটক

আপডেট সময় ১২:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি নথিসহ একটি ফাইল হারানোর ঘটনায় ঠিকাদার নাসিমুল গনি টোটনকে আটক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার রাতে রাজশাহী নগরীর কেশবপুরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোয় সরঞ্জামাদি সরবরাহের ঠিকাদার নাসিমুল গনি টোটনকে আটক করা হয়। পরে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেয় সিআইডি।

নাসিমুল গনি টোটন স্বাস্থ্য বিভাগের তালিকাভুক্ত একজন ঠিকাদার। তার বাসা রাজশাহী নগরীর কেশবপুরের ভেড়িপাড়ায়।
এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি চুরির ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মচারীকে হেফাজতে নিয়ে দুই দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি।

ছয় কর্মচারী হলেন, জোসেফ সরদার, আয়শা সিদ্দিকা, বাদল, বারী, মিন্টু ও ফয়সাল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সচিবালয়ে গিয়ে ৩ নম্বর ভবনের নিচতলার ২৪ নম্বর কক্ষ থেকে আলামত সংগ্রহ করেন সিআইডির সদস্যরা।

সংস্থাটির ক্রাইম সিন ইউনিটের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ের অনেকের আঙুলের ছাপ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জোসেফ ও আয়শার কাছে আলমারির চাবি থাকত বলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন।

এদিকে, মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মচারীকে গ্রেফতার দেখানো হবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি সিআইডি কর্মকর্তারা। ওই ছয়জনসহ ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর আঙুলের ছাপ নিয়েছে তদন্ত সংস্থাটি।

সিআইডির তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই কয়েকজন ফাইল চুরির সঙ্গে জড়িত বলে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

গতকাল সোমবার সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন বলেন, এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত থাকতে পারে তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ না কেউ এতে জড়িত থাকতে পারে। কারণ বাইরে থেকে কারও পক্ষে ওই কক্ষে প্রবেশ করার সুযোগ নেই।

জানা জানায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে ১৭টি নথি খোয়া যাওয়ার জায়গা সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। সিআইডি সেই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেও কিছু তথ্য পেয়েছে। তবে ফুটেজে কাদের দেখা গেছে, সে বিষয়ে সিআইডি কিছু জানায়নি।

গত ২৮ অক্টোবর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের উপসচিব নাদির হায়দার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এতে সচিবালয়ের নিচতলার স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের একটি কক্ষ থেকে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।