ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

পুলিশের ইউনিফর্ম পিস্তল নিয়ে ডাকাতি করতো তারা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের ইউনিফর্ম, পিস্তল, হ্যান্ডকাফ, ওয়াকিটকি, পুলিশ জ্যাকেট, পুলিশ বেল্ট ও পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে সড়কে গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি করতো একটি চক্র। চক্রটি দীর্ঘ তিন থেকে চার বছর ধরে পুলিশের ইউনিফর্ম পড়ে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও দামি জিনিসপত্র নিয়ে লুট করতো।

এমন অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সাভারের রাজাশন এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের পোশাক পরা অবস্থায় এই বাহিনীর ৬ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি নকল পিস্তল, একটি পিস্তল টাইপ লাইটার, একটি কভারসহ হ্যান্ডকাফ, একটি ওয়াকিটকি, দুই সেট পুলিশ ইউনিফর্ম, পুলিশ জ্যাকেট, পুলিশ বেল্ট, ভুয়া পুলিশ আইডি কার্ড, দুটি রামদা, একটি ডেগার, একটি চাপাতি, দুটি ছুড়ি, দুটি টর্চলাইট, দুটি রশি, ৪৬৭ পিস ইয়াবা, ৩০ বোতল ফেন্সিডিল, দেড় কেজি গাঁজা, সাত গ্রাম হেরোইন, পাঁচ লিটার চোলাই মদ, ১৯টি মোবাইল ও ৪৪ হাজার ৫৭০ টাকা জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হোতা শামীম রেজা (৩০), হেলাল উদ্দিন (৩৫), মো. পারভেজ (২৫), ওয়াসিম ইসলাম (২৫), নাইম খান (২৭) ও ফেরদৌস আহমেদ রাজু (২৯)।

শুক্রবার দুপুরে কারওয়ানবাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, গ্রেফতরকৃত শামীম রেজা কিশোর বয়স থেকেই অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। সে গ্রামের স্কুল থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। সে ২০০৫ সালে ঢাকায় আসে। একপর্যায়ে সে নিজে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে তার নেতৃত্বে একটি ডাকাত বাহিনী গড়ে তোলে। সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রটি রাতের আধারে পুলিশের ভুয়া ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় টর্চ লাইট দিয়ে গাড়ি থামিয়ে টাকা-পয়সা, স্বর্ণ-অলংকার, মোবাইল এবং দামি জিনিসপত্র তার বাহিনীর সদস্যদেরকে নিয়ে লুটপাট করত।

শামীম ২৫-৩০টি অটোরিকশা ও সিএনজির মালিক। তার নামে অস্ত্র, মাদক ও ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে নিজেকে পুলিশ বাহিনীর একজন সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে পরিচয় দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, নকল আগ্নেয়াস্ত্র, নকল আইডি কার্ড, ইউনিফর্ম, ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করত। সে সাভার এলাকায় একটি সক্রিয় ডাকাত বাহিনী গড়ে তুলেছে।

এছাড়া সে বিভিন্ন সময়ে ভুয়া পুলিশ অফিসার সেজে তার বাহিনী দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করত। গ্রেপ্তারদের নামে সাভারসহ বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, এর আগেও শামীম রেজা একাধিকবার চুরি, ছিনতাই, প্রতারণা ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। এরপর জামিনে বের হয়ে এবারই প্রথম হুবহু পুলিশের ইউনিফর্ম পরে অভিনব প্রতারণায় নামে সে। শুধু ইউনিফর্মই নয়, পুলিশের ইউনিফর্মের পাশাপাশি একজন পুলিশের যা যা প্রয়োজন সবকিছুই শামীম সংগ্রহ করেছিল।

তিনি বলেন, পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ডাকাতির এ ধরনের কাজ আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। এর আগেও ডিবি ও র‍্যাব একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে। কারণ রাতের বেলা সড়কে পুলিশ সদস্য সেজে চেকপোস্ট বসিয়ে টহল দিলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হবে। তবে এ ধরনের প্রতারণা যে বা যারাই করছে, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হচ্ছে।

পুলিশের আইডি কার্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টারস থেকে যেভাবে তৈরি করা হয় ঠিক সেভাবেই তারা তৈরি করেছিল। তবে পুরোপুরি তারা বানাতে পারেনি। তবে যারা এই আইডি কার্ড তৈরি করেছে তারাও আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেপ্তার করে এই মামলায় আসামি করা হবে। বিভিন্ন টেইলারস আছে যারা পুলিশের ইউনিফর্ম তৈরি করে। তাদের উচিত আসলেই পুলিশ কিনা এবং পরিচিত দেখে যাচাই-বাছাই করে ইউনিফর্ম দেয়া। ঢাকাসহ জেলাগুলোতেও ইউনিফর্ম তৈরি করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হেলাল একজন গাড়িচালক, পারভেজ একজন মেকানিক, ওয়াসিম একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান। এছাড়াও বাকি দুজন সহকারী হিসেবে কাজ করে।

সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝবে আসল পুলিশ আর নকল পুলিশ? এমন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে সদস্য পরিচয় দিচ্ছেন ভুক্তভোগীরা তাদের পরিচয় দেখতে চাইবেন অথবা স্থানীয় থানা পুলিশ কিংবা র‍্যাবকে জানালেও ভুক্তোভোগীরা আসল নকল পুলিশ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সাভার-আশুলিয়ায় অপরাধ দমনে হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও র‍্যাব কাজ করে। সারাদেশেই রাজধানীর পাশের এলাকাগুলোতে অপরাধের ড্রেন হিসেবে কাজ করে অপরাধীর। রাজধানীতে ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ করে অপরাধীরা সাভার ও আশুলিয়ায় বসবাস করে। এছাড়াও নদীর পাশে কেরানীগঞ্জে বসবাস করে থাকে। এই এলাকাগুলো ঘনবসতি, তাই অপরাধীরা এসব এলাকায় বসবাস করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের ইউনিফর্ম পিস্তল নিয়ে ডাকাতি করতো তারা

আপডেট সময় ০৪:৪৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের ইউনিফর্ম, পিস্তল, হ্যান্ডকাফ, ওয়াকিটকি, পুলিশ জ্যাকেট, পুলিশ বেল্ট ও পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে সড়কে গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি করতো একটি চক্র। চক্রটি দীর্ঘ তিন থেকে চার বছর ধরে পুলিশের ইউনিফর্ম পড়ে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও দামি জিনিসপত্র নিয়ে লুট করতো।

এমন অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সাভারের রাজাশন এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের পোশাক পরা অবস্থায় এই বাহিনীর ৬ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি নকল পিস্তল, একটি পিস্তল টাইপ লাইটার, একটি কভারসহ হ্যান্ডকাফ, একটি ওয়াকিটকি, দুই সেট পুলিশ ইউনিফর্ম, পুলিশ জ্যাকেট, পুলিশ বেল্ট, ভুয়া পুলিশ আইডি কার্ড, দুটি রামদা, একটি ডেগার, একটি চাপাতি, দুটি ছুড়ি, দুটি টর্চলাইট, দুটি রশি, ৪৬৭ পিস ইয়াবা, ৩০ বোতল ফেন্সিডিল, দেড় কেজি গাঁজা, সাত গ্রাম হেরোইন, পাঁচ লিটার চোলাই মদ, ১৯টি মোবাইল ও ৪৪ হাজার ৫৭০ টাকা জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হোতা শামীম রেজা (৩০), হেলাল উদ্দিন (৩৫), মো. পারভেজ (২৫), ওয়াসিম ইসলাম (২৫), নাইম খান (২৭) ও ফেরদৌস আহমেদ রাজু (২৯)।

শুক্রবার দুপুরে কারওয়ানবাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, গ্রেফতরকৃত শামীম রেজা কিশোর বয়স থেকেই অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। সে গ্রামের স্কুল থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। সে ২০০৫ সালে ঢাকায় আসে। একপর্যায়ে সে নিজে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে তার নেতৃত্বে একটি ডাকাত বাহিনী গড়ে তোলে। সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রটি রাতের আধারে পুলিশের ভুয়া ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় টর্চ লাইট দিয়ে গাড়ি থামিয়ে টাকা-পয়সা, স্বর্ণ-অলংকার, মোবাইল এবং দামি জিনিসপত্র তার বাহিনীর সদস্যদেরকে নিয়ে লুটপাট করত।

শামীম ২৫-৩০টি অটোরিকশা ও সিএনজির মালিক। তার নামে অস্ত্র, মাদক ও ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে নিজেকে পুলিশ বাহিনীর একজন সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে পরিচয় দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, নকল আগ্নেয়াস্ত্র, নকল আইডি কার্ড, ইউনিফর্ম, ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করত। সে সাভার এলাকায় একটি সক্রিয় ডাকাত বাহিনী গড়ে তুলেছে।

এছাড়া সে বিভিন্ন সময়ে ভুয়া পুলিশ অফিসার সেজে তার বাহিনী দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করত। গ্রেপ্তারদের নামে সাভারসহ বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, এর আগেও শামীম রেজা একাধিকবার চুরি, ছিনতাই, প্রতারণা ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। এরপর জামিনে বের হয়ে এবারই প্রথম হুবহু পুলিশের ইউনিফর্ম পরে অভিনব প্রতারণায় নামে সে। শুধু ইউনিফর্মই নয়, পুলিশের ইউনিফর্মের পাশাপাশি একজন পুলিশের যা যা প্রয়োজন সবকিছুই শামীম সংগ্রহ করেছিল।

তিনি বলেন, পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ডাকাতির এ ধরনের কাজ আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। এর আগেও ডিবি ও র‍্যাব একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে। কারণ রাতের বেলা সড়কে পুলিশ সদস্য সেজে চেকপোস্ট বসিয়ে টহল দিলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হবে। তবে এ ধরনের প্রতারণা যে বা যারাই করছে, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হচ্ছে।

পুলিশের আইডি কার্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টারস থেকে যেভাবে তৈরি করা হয় ঠিক সেভাবেই তারা তৈরি করেছিল। তবে পুরোপুরি তারা বানাতে পারেনি। তবে যারা এই আইডি কার্ড তৈরি করেছে তারাও আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেপ্তার করে এই মামলায় আসামি করা হবে। বিভিন্ন টেইলারস আছে যারা পুলিশের ইউনিফর্ম তৈরি করে। তাদের উচিত আসলেই পুলিশ কিনা এবং পরিচিত দেখে যাচাই-বাছাই করে ইউনিফর্ম দেয়া। ঢাকাসহ জেলাগুলোতেও ইউনিফর্ম তৈরি করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হেলাল একজন গাড়িচালক, পারভেজ একজন মেকানিক, ওয়াসিম একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান। এছাড়াও বাকি দুজন সহকারী হিসেবে কাজ করে।

সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝবে আসল পুলিশ আর নকল পুলিশ? এমন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে সদস্য পরিচয় দিচ্ছেন ভুক্তভোগীরা তাদের পরিচয় দেখতে চাইবেন অথবা স্থানীয় থানা পুলিশ কিংবা র‍্যাবকে জানালেও ভুক্তোভোগীরা আসল নকল পুলিশ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সাভার-আশুলিয়ায় অপরাধ দমনে হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও র‍্যাব কাজ করে। সারাদেশেই রাজধানীর পাশের এলাকাগুলোতে অপরাধের ড্রেন হিসেবে কাজ করে অপরাধীর। রাজধানীতে ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ করে অপরাধীরা সাভার ও আশুলিয়ায় বসবাস করে। এছাড়াও নদীর পাশে কেরানীগঞ্জে বসবাস করে থাকে। এই এলাকাগুলো ঘনবসতি, তাই অপরাধীরা এসব এলাকায় বসবাস করে।