ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রড দিয়ে পিটিয়ে ও এসিডে ঝলসে খুন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যশোরের অভয়নগর উপজেলায় কেয়া খাতুন (২৮) নামের নারী শ্রমিককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে তার শরীরে এসিড ঢেলে দিয়ে মেরে ফেললেন অপর শ্রমিক শামীম হোসেন (৩৫)।

সোমবার দুপুরে টিফিনের সময় এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মিলের অভ্যন্তরে এ ঘটনাটি ঘটে।

এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মিলে টিফিনের সময় বসে থাকা কেয়াকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে তার শরীরে এসিড নিক্ষেপ করে শামীম হোসেন। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা আদদ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

পুলিশ বিষয়টি জানার পর উপজেলার তালতলা মাইলপোস্ট এলাকার খন্দকার মোশারফ হোসেনের ছেলে ঘাতক শামীম হোসেনকে আটক করেছে।

নিহত কেয়া খাতুন উপজেলার কাদিরপাড়া গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে।

অভয়নগর থানার এসআই গৌতম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের জের ধরে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কেয়া খাতুনকে হত্যা করা হয়েছে। আসামিকে আটক করে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রড দিয়ে পিটিয়ে ও এসিডে ঝলসে খুন

আপডেট সময় ১১:২২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যশোরের অভয়নগর উপজেলায় কেয়া খাতুন (২৮) নামের নারী শ্রমিককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে তার শরীরে এসিড ঢেলে দিয়ে মেরে ফেললেন অপর শ্রমিক শামীম হোসেন (৩৫)।

সোমবার দুপুরে টিফিনের সময় এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মিলের অভ্যন্তরে এ ঘটনাটি ঘটে।

এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মিলে টিফিনের সময় বসে থাকা কেয়াকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে তার শরীরে এসিড নিক্ষেপ করে শামীম হোসেন। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা আদদ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

পুলিশ বিষয়টি জানার পর উপজেলার তালতলা মাইলপোস্ট এলাকার খন্দকার মোশারফ হোসেনের ছেলে ঘাতক শামীম হোসেনকে আটক করেছে।

নিহত কেয়া খাতুন উপজেলার কাদিরপাড়া গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে।

অভয়নগর থানার এসআই গৌতম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের জের ধরে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কেয়া খাতুনকে হত্যা করা হয়েছে। আসামিকে আটক করে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।