ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীক প্রার্থী!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওই নেতার নাম মিজানুর রহমান রাসেল। তার বাবা এক সময়ের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মৃত প্রফেসর আবু বকর তালুকদার।

অভিযোগ উঠেছে, অর্থের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের মদদপুষ্ট হয়ে মিজানুর রহমান রাসেল সম্প্রতি বড় আওয়ামী লীগার হয়ে উঠেছেন। এমনকি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ না করেও ছাত্রলীগ নাম ব্যবহার করে ফেস্টুন দেয়ায় নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তার পরিবার জামায়াত-শিবির বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদ রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত নেতার ছেলে জনবিচ্ছিন্ন একজন নেতা যদি নৌকা প্রতীক পান তবে নৌকার ইজ্জতের ভরাডুবি নিশ্চিত হবে।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান তালুকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জানান, মিজানুর রহমান রাসেল তালুকদার কখনো সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল না। তিনি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন। তার পরিবার কখনো আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। তাদের পরিবার জামায়াত-বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদের সাথে জড়িত।

পদ-পদবী না থেকেও ছাত্রলীগ সভাপতি পরিচয় দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন হাসান জানান, তার বাবা ১৯৮৬ সালে জামায়াত ইসলাম থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন তুলেছিলেন। তার চাচা ও তার শ্বশুরের বংশধর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তার বড় ভাই হিজবুত তাওহীদের সক্রিয় সদস্য। বর্তমানে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকে ম্যানেজ করে নৌকা প্রতীক পাবার পায়তারা শুরু করেছেন।

সলঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাভু জানান, মিজানুর রহমান রাসেল কখনো ছাত্রলীগ করত কিনা আমার জানা নেই। তবে তিনি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন। নৌকা প্রতীক দেয়ার মালিক শেখ হাসিনা। আশা করি তিনি সব বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েই তিনি নৌকা মনোনয়ন দিবেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান রাসেল জানান, তিনি এক সময় ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে তার সময়ের কমিটির কারো নাম বলতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীক প্রার্থী!

আপডেট সময় ০৫:২২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওই নেতার নাম মিজানুর রহমান রাসেল। তার বাবা এক সময়ের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মৃত প্রফেসর আবু বকর তালুকদার।

অভিযোগ উঠেছে, অর্থের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের মদদপুষ্ট হয়ে মিজানুর রহমান রাসেল সম্প্রতি বড় আওয়ামী লীগার হয়ে উঠেছেন। এমনকি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ না করেও ছাত্রলীগ নাম ব্যবহার করে ফেস্টুন দেয়ায় নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তার পরিবার জামায়াত-শিবির বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদ রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত নেতার ছেলে জনবিচ্ছিন্ন একজন নেতা যদি নৌকা প্রতীক পান তবে নৌকার ইজ্জতের ভরাডুবি নিশ্চিত হবে।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান তালুকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জানান, মিজানুর রহমান রাসেল তালুকদার কখনো সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল না। তিনি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন। তার পরিবার কখনো আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। তাদের পরিবার জামায়াত-বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদের সাথে জড়িত।

পদ-পদবী না থেকেও ছাত্রলীগ সভাপতি পরিচয় দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন হাসান জানান, তার বাবা ১৯৮৬ সালে জামায়াত ইসলাম থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন তুলেছিলেন। তার চাচা ও তার শ্বশুরের বংশধর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তার বড় ভাই হিজবুত তাওহীদের সক্রিয় সদস্য। বর্তমানে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকে ম্যানেজ করে নৌকা প্রতীক পাবার পায়তারা শুরু করেছেন।

সলঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাভু জানান, মিজানুর রহমান রাসেল কখনো ছাত্রলীগ করত কিনা আমার জানা নেই। তবে তিনি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন। নৌকা প্রতীক দেয়ার মালিক শেখ হাসিনা। আশা করি তিনি সব বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েই তিনি নৌকা মনোনয়ন দিবেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান রাসেল জানান, তিনি এক সময় ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে তার সময়ের কমিটির কারো নাম বলতে পারেনি।