ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীক প্রার্থী!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওই নেতার নাম মিজানুর রহমান রাসেল। তার বাবা এক সময়ের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মৃত প্রফেসর আবু বকর তালুকদার।

অভিযোগ উঠেছে, অর্থের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের মদদপুষ্ট হয়ে মিজানুর রহমান রাসেল সম্প্রতি বড় আওয়ামী লীগার হয়ে উঠেছেন। এমনকি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ না করেও ছাত্রলীগ নাম ব্যবহার করে ফেস্টুন দেয়ায় নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তার পরিবার জামায়াত-শিবির বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদ রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত নেতার ছেলে জনবিচ্ছিন্ন একজন নেতা যদি নৌকা প্রতীক পান তবে নৌকার ইজ্জতের ভরাডুবি নিশ্চিত হবে।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান তালুকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জানান, মিজানুর রহমান রাসেল তালুকদার কখনো সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল না। তিনি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন। তার পরিবার কখনো আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। তাদের পরিবার জামায়াত-বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদের সাথে জড়িত।

পদ-পদবী না থেকেও ছাত্রলীগ সভাপতি পরিচয় দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন হাসান জানান, তার বাবা ১৯৮৬ সালে জামায়াত ইসলাম থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন তুলেছিলেন। তার চাচা ও তার শ্বশুরের বংশধর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তার বড় ভাই হিজবুত তাওহীদের সক্রিয় সদস্য। বর্তমানে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকে ম্যানেজ করে নৌকা প্রতীক পাবার পায়তারা শুরু করেছেন।

সলঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাভু জানান, মিজানুর রহমান রাসেল কখনো ছাত্রলীগ করত কিনা আমার জানা নেই। তবে তিনি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন। নৌকা প্রতীক দেয়ার মালিক শেখ হাসিনা। আশা করি তিনি সব বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েই তিনি নৌকা মনোনয়ন দিবেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান রাসেল জানান, তিনি এক সময় ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে তার সময়ের কমিটির কারো নাম বলতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীক প্রার্থী!

আপডেট সময় ০৫:২২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত নেতার ছেলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওই নেতার নাম মিজানুর রহমান রাসেল। তার বাবা এক সময়ের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মৃত প্রফেসর আবু বকর তালুকদার।

অভিযোগ উঠেছে, অর্থের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের মদদপুষ্ট হয়ে মিজানুর রহমান রাসেল সম্প্রতি বড় আওয়ামী লীগার হয়ে উঠেছেন। এমনকি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ না করেও ছাত্রলীগ নাম ব্যবহার করে ফেস্টুন দেয়ায় নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তার পরিবার জামায়াত-শিবির বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদ রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, জামায়াত নেতার ছেলে জনবিচ্ছিন্ন একজন নেতা যদি নৌকা প্রতীক পান তবে নৌকার ইজ্জতের ভরাডুবি নিশ্চিত হবে।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান তালুকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জানান, মিজানুর রহমান রাসেল তালুকদার কখনো সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল না। তিনি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন। তার পরিবার কখনো আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। তাদের পরিবার জামায়াত-বিএনপি এমনকি হিজবুত তাওহীদের সাথে জড়িত।

পদ-পদবী না থেকেও ছাত্রলীগ সভাপতি পরিচয় দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন হাসান জানান, তার বাবা ১৯৮৬ সালে জামায়াত ইসলাম থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন তুলেছিলেন। তার চাচা ও তার শ্বশুরের বংশধর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তার বড় ভাই হিজবুত তাওহীদের সক্রিয় সদস্য। বর্তমানে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকে ম্যানেজ করে নৌকা প্রতীক পাবার পায়তারা শুরু করেছেন।

সলঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাভু জানান, মিজানুর রহমান রাসেল কখনো ছাত্রলীগ করত কিনা আমার জানা নেই। তবে তিনি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন। নৌকা প্রতীক দেয়ার মালিক শেখ হাসিনা। আশা করি তিনি সব বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েই তিনি নৌকা মনোনয়ন দিবেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান রাসেল জানান, তিনি এক সময় ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিলেন। তবে তার সময়ের কমিটির কারো নাম বলতে পারেনি।