ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

১২০০ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেন জিয়া: হানিফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের পর ১২০০ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেন জিয়া। এরপর তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন।’

রবিবার (৩ অক্টোবর) চাঁদপুর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই হয়। সেটা ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দরে আসে। সেই বিমান ছিনতাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক ছিল না, তা জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয় ছিল। অথচ এটাকে পুঁজি করে সেই সময়ের স্বৈরশাসক তার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সামরিক যেসব অফিসার ছিল—সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনী—তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় ১২০০ সামরিক কর্মকর্তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল। এটা গণহত্যার শামিল। আমরা মনে করি, ওই সময় যেসব সেনা কর্মকর্তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তাদের স্বজনরা যে বিচার দাবি করেছেন তা যৌক্তিক। এ বিষয়ে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা বা থাকার কোনো রিপোর্ট আওয়ামী লীগের নেই। বরাবরই এই অভ্যাসটি বিএনপির ছিল। বন্দুকের নল দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান দল গঠন করেছিলেন। বিএনপি কখনো নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা ছাড়েনি।’

হানিফ বলেন, ‘চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভা এবং বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে সংগঠন আরও শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে গেল। এটা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ভালো ঝাঁকি দিয়েছে। তারা উজ্জীবিত হয়েছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন রুহুলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নাকচ

১২০০ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেন জিয়া: হানিফ

আপডেট সময় ০৭:২০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের পর ১২০০ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেন জিয়া। এরপর তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন।’

রবিবার (৩ অক্টোবর) চাঁদপুর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই হয়। সেটা ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দরে আসে। সেই বিমান ছিনতাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক ছিল না, তা জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয় ছিল। অথচ এটাকে পুঁজি করে সেই সময়ের স্বৈরশাসক তার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সামরিক যেসব অফিসার ছিল—সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনী—তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় ১২০০ সামরিক কর্মকর্তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল। এটা গণহত্যার শামিল। আমরা মনে করি, ওই সময় যেসব সেনা কর্মকর্তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তাদের স্বজনরা যে বিচার দাবি করেছেন তা যৌক্তিক। এ বিষয়ে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা বা থাকার কোনো রিপোর্ট আওয়ামী লীগের নেই। বরাবরই এই অভ্যাসটি বিএনপির ছিল। বন্দুকের নল দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান দল গঠন করেছিলেন। বিএনপি কখনো নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা ছাড়েনি।’

হানিফ বলেন, ‘চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভা এবং বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে সংগঠন আরও শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে গেল। এটা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ভালো ঝাঁকি দিয়েছে। তারা উজ্জীবিত হয়েছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন রুহুলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।