ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘শেখ হাসিনার মতো প্রজ্ঞাবান নেতা দক্ষিণ এশিয়ায় নেই’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা দক্ষিণ এশিয়ায় আর নেই বলে দাবি করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানবিকতা ও দূরদৃষ্টি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এই কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯-১০ সালেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের বলেন, একটি রূপকল্প করে দেন। দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ করব আমরা। তার এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চিন্তার ফলে ২০১৫ সালেই আমরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করি। মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা আমাদের কী হবে তা তিনি (শেখ হাসিনা) তখনই নির্ধারণ করেছিলেন। ২০৪১ সালেই দেশের অর্থনীতি কী হবে তা সেই রূপরেখাও তিনি করে দিলেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প-২০২১ পরিকল্পনা করা হলো। এটি অলৌকিকভাবে অর্জিতও হয়েছে। এমডিজি’র ২১টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ২০টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে ফেলেছি। শেখ হাসিনার মতো এত প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা দক্ষিণ এশিয়ায় আর নেই।’

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৯৯৭ সালেই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করে। বিএনপি ২০০১ এসে কোনো পরিকল্পনাই গ্রহণ করতে পারেনি। তাদেরকে বিশ্বব্যাংক বলল তোমাদের যেহেতু দারিদ্র্য বড় সমস্যা, তোমরা দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে একটা পরিকল্পনা কর। ফলে শুধু দারিদ্র্য দূরীকরণ কৌশলপত্র গ্রহণ করে। কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেনি।’

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘শেখ হাসিনার মতো প্রজ্ঞাবান নেতা দক্ষিণ এশিয়ায় নেই’

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা দক্ষিণ এশিয়ায় আর নেই বলে দাবি করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানবিকতা ও দূরদৃষ্টি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এই কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯-১০ সালেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের বলেন, একটি রূপকল্প করে দেন। দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ করব আমরা। তার এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চিন্তার ফলে ২০১৫ সালেই আমরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করি। মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা আমাদের কী হবে তা তিনি (শেখ হাসিনা) তখনই নির্ধারণ করেছিলেন। ২০৪১ সালেই দেশের অর্থনীতি কী হবে তা সেই রূপরেখাও তিনি করে দিলেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প-২০২১ পরিকল্পনা করা হলো। এটি অলৌকিকভাবে অর্জিতও হয়েছে। এমডিজি’র ২১টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ২০টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে ফেলেছি। শেখ হাসিনার মতো এত প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা দক্ষিণ এশিয়ায় আর নেই।’

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৯৯৭ সালেই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করে। বিএনপি ২০০১ এসে কোনো পরিকল্পনাই গ্রহণ করতে পারেনি। তাদেরকে বিশ্বব্যাংক বলল তোমাদের যেহেতু দারিদ্র্য বড় সমস্যা, তোমরা দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে একটা পরিকল্পনা কর। ফলে শুধু দারিদ্র্য দূরীকরণ কৌশলপত্র গ্রহণ করে। কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেনি।’

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।