ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের জনগণের খাদ্য জোগাতে সহায়তা করছে যুক্তরাষ্ট্র’ ইসরায়েলকে সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি হিজবুল্লাহর ১০ মার্চ কড়াইল বস্তি থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে উদ্যোক্তাদের বিশেষ ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মেট্রোরেল ও ট্রেন ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন শিক্ষার্থীসহ যারা, জানালেন মন্ত্রী পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী চালের দাম বৃদ্ধির খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ পাল্টাপাল্টি হামলায় বাড়ছে জ্বালানির দাম ও নিহতের সংখ্যা ছাত্রদলের রক্ত ঝরালে, বদলা নেওয়া হবে: রাকিব

শসার বিস্ময়কর অজানা কিছু গুণ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

শসা । ইংরেজি নাম Cucumber । বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis sativus বহির্বিশ্বসহ আমাদের দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই শসা জন্মে। আমরা সবজি হিসেবেই শসা রান্না করে বা সালাদ করে খাই। কিন্তু যদি জানি শসাতে কতগুণ আছে তাহলে নিঃসন্দেহে খাওয়ার পরিমাণ যাবে বেড়ে। মজার বিষয় হচ্ছে খাওয়ার পাশাপাশি আজকাল রুপচর্চাতেও শসার গুরুত্ব ব্যাপক। আসুন জেনে নেয়া যাক শসার কিছু বিস্ময়কর গুনের কথা।

শসাকে ভিটামিন ‘এ’র আধারও বলা যায়। তৃষ্ণার্তদের পানির বিকল্পও কিন্তু এই শসা। এর প্রায় ৯০ ভাগই পানিতে পূর্ণ। এতে আছে শর্করা, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি-১২, সি , ডি ও ই । এছাড়া আছে অন্যান্য উপাদনও।

* মিন্ট এর বিকল্প হিসেবে শসা দারুণ উপকারি। নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ করতে কয়েক টুকরা শসা চাবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। মাথা ব্যথা রোধে শসা উপকারি।

* কেউ যখন পানি শূন্যতায় ভুগে কিম্বা হাতের কাছে পানি নেই কিন্তু শসা যদি কাছে থাকে তাহলে আর দুশ্চিন্তার কারণ নেই। ৯০ শতাংশ পানির আধার এই শসা পানির তৃষ্ণা মেটাবে।

* হাত পা জ্বালা পোড়ার সময় শসা খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। বলা হয়, নিয়মিত শসা খেলে কিডনির পাথর দূর হয়। এছাড়া যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা নিয়মিত শসা খেতে পারেন।

* রাতকানা রোগ প্রতিরোধে করে শসায় থাকা ভিটামিন এ।

* শসায় আছে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন । যা ত্বককে করে মসৃণ, কমল ও সতেজ।

* শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে শসা চমৎকার একটি টনিক বটে। ডায়াবেটিস রোধ করে। এছাড়া মেদ বা চর্বি কমাতে শসা নিয়মিত খাওয়া চাই।

* চোখের নিচে কালো দাগ, চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা দূর করতে অনেকেই শসা গোল চাকা করে কেটে চোখে লাগিয়ে রাখেন।

* শসায় থাকা সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি উপাদান স্থানে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

* এছাড়া পুষ্টিকর সালাদ শসা বাসা, রেস্টুরেন্টে বহুল ব্যবহৃত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ইস্যুতে মোদিকে অবস্থান স্পষ্ট করতে বললেন রাহুল গান্ধী

শসার বিস্ময়কর অজানা কিছু গুণ

আপডেট সময় ১২:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

শসা । ইংরেজি নাম Cucumber । বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis sativus বহির্বিশ্বসহ আমাদের দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই শসা জন্মে। আমরা সবজি হিসেবেই শসা রান্না করে বা সালাদ করে খাই। কিন্তু যদি জানি শসাতে কতগুণ আছে তাহলে নিঃসন্দেহে খাওয়ার পরিমাণ যাবে বেড়ে। মজার বিষয় হচ্ছে খাওয়ার পাশাপাশি আজকাল রুপচর্চাতেও শসার গুরুত্ব ব্যাপক। আসুন জেনে নেয়া যাক শসার কিছু বিস্ময়কর গুনের কথা।

শসাকে ভিটামিন ‘এ’র আধারও বলা যায়। তৃষ্ণার্তদের পানির বিকল্পও কিন্তু এই শসা। এর প্রায় ৯০ ভাগই পানিতে পূর্ণ। এতে আছে শর্করা, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি-১২, সি , ডি ও ই । এছাড়া আছে অন্যান্য উপাদনও।

* মিন্ট এর বিকল্প হিসেবে শসা দারুণ উপকারি। নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ করতে কয়েক টুকরা শসা চাবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। মাথা ব্যথা রোধে শসা উপকারি।

* কেউ যখন পানি শূন্যতায় ভুগে কিম্বা হাতের কাছে পানি নেই কিন্তু শসা যদি কাছে থাকে তাহলে আর দুশ্চিন্তার কারণ নেই। ৯০ শতাংশ পানির আধার এই শসা পানির তৃষ্ণা মেটাবে।

* হাত পা জ্বালা পোড়ার সময় শসা খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। বলা হয়, নিয়মিত শসা খেলে কিডনির পাথর দূর হয়। এছাড়া যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা নিয়মিত শসা খেতে পারেন।

* রাতকানা রোগ প্রতিরোধে করে শসায় থাকা ভিটামিন এ।

* শসায় আছে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন । যা ত্বককে করে মসৃণ, কমল ও সতেজ।

* শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে শসা চমৎকার একটি টনিক বটে। ডায়াবেটিস রোধ করে। এছাড়া মেদ বা চর্বি কমাতে শসা নিয়মিত খাওয়া চাই।

* চোখের নিচে কালো দাগ, চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা দূর করতে অনেকেই শসা গোল চাকা করে কেটে চোখে লাগিয়ে রাখেন।

* শসায় থাকা সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি উপাদান স্থানে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

* এছাড়া পুষ্টিকর সালাদ শসা বাসা, রেস্টুরেন্টে বহুল ব্যবহৃত।