আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে দুই শিশু শিক্ষার্থীর পায়ে শিকল পরিয়ে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তারা হলেন- মাদ্রাসা সুপার মো. শহীদুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক মো. আশেক এলাহী তারেক। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এর আগে সকালে উপজেলার পানপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার শহীদুল পানপাড়া বাজারে দারুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার সুপার ও মো. আশেক এলাহী তারেক তার সহকারী।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার যুগান্তরে ‘পায়ে শিকল পরিয়ে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন মাদ্রাসা শিক্ষকের’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এতে টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে কিছু শিশুশিক্ষার্থী নিয়ে শহীদুল পানপাড়া বাজারে দারুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসা শুরু করেন। তার বাবা মফিজুল ইসলামকে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি, স্ত্রী রাশেদ বেগম ও নিজের নিকটাত্মীয়দের নিয়ে মনগড়া পরিচালনা কমিটি করেন। কারণে-অকারণে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র আরমান, জাহেদ ও শহিদ হোসেনকে পায়ে শিকল বেঁধে কয়েক দিন মানসিক-শারীরিক নির্যাতন করা হয়।
বিষয়টি ১১ সেপ্টেম্বর জানাজানি হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঘটনার শিকার ছাত্র আরমানের নানি পারভিন আক্তার থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী পারভিন আক্তার বলেন, শিশুদের মাদ্রাসায় পাঠাই পড়ার জন্য। কিন্তু তাদের পায়ে শিকল বেঁধে রাখায় তারা মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অভিযুক্তদের বিচার চাই।
গ্রেফতারের আগে প্রতিষ্ঠানের সুপার শহীদুল ইসলাম সংবাদকর্মীদের বলেন, আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার। পাশে একটি নতুন মাদ্রাসা হচ্ছে এ কারণে আমাদের বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অপপ্রচার করছে।
এ ব্যাপারে রামগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, শিশুদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার ঘটনায় দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























